1. satnews24@satkhiranews24.com : sat24admin :
সাতক্ষীরা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে মৌ-বাক্স ও রাণী মৌমাছি বিতরণ তড়িঘড়ি করে কাজ শুরু ; কালিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পর তোলপাড় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট কালিগঞ্জে মুরগি ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা তেহরানের হুঁশিয়ারি: ‘আঙুল ট্রিগারেই আছে’, তবে স্থায়ী শান্তিতে আগ্রহী ইরান লেবাননে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা  নাহিদুলের বাড়িতে ইউএনও শ্রীউলার ভাঙ্গন কবলিত হাজরাখালী ভেড়ী বাঁধ পরিদর্শেন এমপি রবিউল বাশার কালিগঞ্জে ওয়াকফ এস্টেটের জমি জবরদখল ও দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ কালিগঞ্জে ভূমিহীনদের হুমকির অভিযোগ; সরকারি খাস জমি জবরদখলের চেষ্টা বিনামূল্যে নলতায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ল্যাবরেটরি টেস্টের উদ্বোধন

কালিগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির কবলে শিক্ষক পরিবার: সর্বস্ব লুট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে

এসএম শাহাদাত, কালিগঞ্জ থেকে :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পল্লীতে অজ্ঞান পার্টির বিষাক্ত ছোবলে আক্রান্ত হয়েছে একটি শিক্ষক পরিবার। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত কালিপদ ঠাকুরের ছেলে স্থানীয় শিক্ষক বিকাশ ঠাকুরের বাড়িতে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা হানা দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা কৌশলে খাবারের সাথে বা অন্য কোনো উপায়ে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর তারা নির্বিঘ্নে ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে চম্পট দেয়।

শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় পার হলেও পরিবারের কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে গিয়ে বিকাশ ঠাকুরসহ পরিবারের সদস্যদের অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ভুক্তভোগীরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ইদানীং অজ্ঞান পার্টির উপদ্রব বাড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ এখন জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। “আমরা রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি না। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটলেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আমরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলার সচেতন মহল দ্রুত টহল পুলিশ বৃদ্ধি এবং অপরাধী চক্রটিকে নির্মূলের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে মৌ-বাক্স ও রাণী মৌমাছি বিতরণ

কালিগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির কবলে শিক্ষক পরিবার: সর্বস্ব লুট

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

এসএম শাহাদাত, কালিগঞ্জ থেকে :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পল্লীতে অজ্ঞান পার্টির বিষাক্ত ছোবলে আক্রান্ত হয়েছে একটি শিক্ষক পরিবার। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত কালিপদ ঠাকুরের ছেলে স্থানীয় শিক্ষক বিকাশ ঠাকুরের বাড়িতে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা হানা দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা কৌশলে খাবারের সাথে বা অন্য কোনো উপায়ে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর তারা নির্বিঘ্নে ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে চম্পট দেয়।

শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় পার হলেও পরিবারের কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে গিয়ে বিকাশ ঠাকুরসহ পরিবারের সদস্যদের অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ভুক্তভোগীরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ইদানীং অজ্ঞান পার্টির উপদ্রব বাড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ এখন জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। “আমরা রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি না। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটলেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আমরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলার সচেতন মহল দ্রুত টহল পুলিশ বৃদ্ধি এবং অপরাধী চক্রটিকে নির্মূলের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।