1. satnews24@satkhiranews24.com : sat24admin :
সাতক্ষীরা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির কবলে শিক্ষক পরিবার: সর্বস্ব লুট কালিগঞ্জের মাঠ কাঁপানো সেই সোনালী দিন : ক্রীড়া দিবসের স্মৃতিচারণ ট্রাম্পের চরমসীমার মুখে পাকিস্তান-প্রণীত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব; পর্যালোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান জ্বালানী পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত একটি প্রস্তুতি থাকতে হবে কালিগঞ্জ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার : জনমনে আতঙ্ক, আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে প্রক্ষেপক হামলা: নিহত ১ সাতক্ষীরার তিন উপজেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা: জনজীবন ও কৃষিতে বিশেষ নির্দেশনা কালিগঞ্জে কলেজ অধ্যক্ষ ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত-নিয়োগ বাণিজ্যর অবসান মার্কিন-ইরান যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা: চীন কি হবে নতুন ‘গ্যারান্টর’? দুবাইয়ে হামলায় ৪ এশীয় নাগরিক আহত

কালিগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির কবলে শিক্ষক পরিবার: সর্বস্ব লুট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

এসএম শাহাদাত, কালিগঞ্জ থেকে :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পল্লীতে অজ্ঞান পার্টির বিষাক্ত ছোবলে আক্রান্ত হয়েছে একটি শিক্ষক পরিবার। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত কালিপদ ঠাকুরের ছেলে স্থানীয় শিক্ষক বিকাশ ঠাকুরের বাড়িতে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা হানা দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা কৌশলে খাবারের সাথে বা অন্য কোনো উপায়ে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর তারা নির্বিঘ্নে ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে চম্পট দেয়।

শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় পার হলেও পরিবারের কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে গিয়ে বিকাশ ঠাকুরসহ পরিবারের সদস্যদের অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ভুক্তভোগীরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ইদানীং অজ্ঞান পার্টির উপদ্রব বাড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ এখন জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। “আমরা রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি না। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটলেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আমরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলার সচেতন মহল দ্রুত টহল পুলিশ বৃদ্ধি এবং অপরাধী চক্রটিকে নির্মূলের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির কবলে শিক্ষক পরিবার: সর্বস্ব লুট

কালিগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির কবলে শিক্ষক পরিবার: সর্বস্ব লুট

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

এসএম শাহাদাত, কালিগঞ্জ থেকে :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পল্লীতে অজ্ঞান পার্টির বিষাক্ত ছোবলে আক্রান্ত হয়েছে একটি শিক্ষক পরিবার। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত কালিপদ ঠাকুরের ছেলে স্থানীয় শিক্ষক বিকাশ ঠাকুরের বাড়িতে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা হানা দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা কৌশলে খাবারের সাথে বা অন্য কোনো উপায়ে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর তারা নির্বিঘ্নে ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে চম্পট দেয়।

শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় পার হলেও পরিবারের কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতরে গিয়ে বিকাশ ঠাকুরসহ পরিবারের সদস্যদের অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ভুক্তভোগীরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ইদানীং অজ্ঞান পার্টির উপদ্রব বাড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ এখন জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। “আমরা রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি না। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটলেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। আমরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলার সচেতন মহল দ্রুত টহল পুলিশ বৃদ্ধি এবং অপরাধী চক্রটিকে নির্মূলের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।