1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
বুশরার গ্রুপের টাকা কোথায়? পরিচালনা পর্ষদ বিতর্কিত ! কালিগঞ্জ অফিসে গ্রাহকের ব্যানার, ‘বিতর্কিত কমিটি’ নিয়ে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি কালিগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশ মা মৃত্যুর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে, পৈতৃক ভিটা থেকে সন্তান উচ্ছেদের পায়তারা ও হয়রানির প্রতিবাদে কালিগঞ্জে মানববন্ধন সর্বনাশা প্রতারণা: শত শত কোটি টাকার হিসেব কষে পর্দার আড়ালে বুশরা ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির শীর্ষ কর্তারা, ভুক্তভোগীদের কঠোর গণমামলার প্রস্তুতি কালিগঞ্জ আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ শিশু নুরিয়ার মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট ৬ বছরের মোস্তাকিম, গুরুতর আহত মা কালিগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জ কুশুলিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের দক্ষিণশ্রীপুর ইউ‌নিয়‌নের শ্রীকলা গ্রা‌মে ভেঙে যাওয়া কালভার্ট পুনর্নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসীর আকুতি

বুশরার গ্রুপের টাকা কোথায়? পরিচালনা পর্ষদ বিতর্কিত ! কালিগঞ্জ অফিসে গ্রাহকের ব্যানার, ‘বিতর্কিত কমিটি’ নিয়ে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি

  • মোঃ ইশারাত আলী
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

গ্রাহকের আমানত ফেরত নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এর মধ্যেই সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বুশরা গ্রুপের শাখা কার্যালয়ে ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। অফিসের সামনে সতর্কবার্তায় লেখা হয়েছে, “বুশরা গ্রুপ সার্বিক সমবায় সমিতি কালিগঞ্জ শাখার অফিস গ্রাহকের সম্পত্তি। দয়া করে কেউ কিনবেন না।”

গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয় জমা রাখার পরও অনেকে তাঁদের টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। কারও পাওনা কয়েক লাখ, আবার কারও পাওনা ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকারও বেশি। ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা একটি তালিকায় এমন একাধিক গ্রাহকের পাওনার তথ্য রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, মোস্তফা শামছুদ্দোহার ১ লাখ, পাপিয়া সুলতানার ২ লাখ, যাদব অধিকারীর ৮ লাখ, মিজানুর রহমান সায়লুর ১১ লাখ এবং শেখ মিজানুর রহমানের ১৬ লাখ ৫২ হাজার ৬১০ টাকা পাওনা রয়েছে। এছাড়া শাহাবুদ্দিনের ১৪ লাখ ৫০ হাজার, মুন্নার ১০ লাখ, শফিকুলের ১০ লাখ, আঞ্জুমানারার ৬ লাখ ও মুর্শিদার ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, এ তালিকা পূর্ণাঙ্গ নয়। তাঁদের দাবি, সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় বুশরা গ্রুপের কাছে বিপুল অঙ্কের আমানত আটকে রয়েছে। কেউ কেউ এর পরিমাণ প্রায় দুই শত কোটি টাকা বলে দাবি করলেও এর স্বাধীন যাচাই এখনো হয়নি।

গ্রাহকদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্কিমে অর্থ সংগ্রহের পর মেয়াদ শেষে টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির জমি, প্লট, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সরাসরি প্রশ্ন, তাদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে? প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ কত? এসব সম্পদের মালিকানা কার নামে?

গ্রাহকদের আশঙ্কা, পাওনা পরিশোধের আগে প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরের চেষ্টা হতে পারে। এ কারণেই কালিগঞ্জ অফিসের সামনে সতর্কবার্তা টাঙানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরের এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তার স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বুশরা গ্রুপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও এ বিষয়ে পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

বুশরা গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের তালিকা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তালিকায় পরিচালক হিসেবে আব্দুল গফফার ও কুতুবউদ্দীন আহমেদের নাম থাকার কথা উল্লেখ করা হলেও তাঁরা দাবি করেছেন, তারা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন এবং তালিকায় ব্যবহৃত স্বাক্ষরও তাঁদের নয়। দুজনই এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

অভিযোগটি সত্য হলে পরিচালনা পর্ষদের তালিকা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। তাই তালিকাটি কে তৈরি করেছে, কার অনুমোদনে করা হয়েছে এবং স্বাক্ষরগুলো আসল কি না, তা তদন্তের দাবি রাখে।

গ্রাহকদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, তাঁদের আমানতের টাকা ফেরতের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, আমানতের অর্থ ফেরত না দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আইনজীবীর মাধ্যমে উকিল নোটিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থায় অভিযোগ দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানান।

বুশরা গ্রুপকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের দাবিগুলো এখন কয়েকটি প্রশ্নে এসে ঠেকেছে—গ্রাহকদের মোট পাওনা কত? প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ কত? সম্পদগুলো কার নামে? গ্রাহকের অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে? এবং টাকা ফেরতের নির্দিষ্ট সময়সীমা কী? এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পরিচালনা পর্ষদের তালিকা ও স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, তারা কারও ব্যক্তিগত সম্পদ দখল করতে চান না, তাঁরা চান নিজেদের বৈধ পাওনা। তাই প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও দায়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করে আইনগত প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালিগঞ্জ অফিসের সামনে ঝুলছে গ্রাহকদের ব্যানার। হাতে পাওনার কাগজ। আর মুখে একটাই প্রশ্ন—

“বুশরার টাকা কোথায়?” এই প্রশ্নের জবাব এখন বুশরা গ্রুপের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেও প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগীরা।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুশরার গ্রুপের টাকা কোথায়? পরিচালনা পর্ষদ বিতর্কিত ! কালিগঞ্জ অফিসে গ্রাহকের ব্যানার, ‘বিতর্কিত কমিটি’ নিয়ে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি

বুশরার গ্রুপের টাকা কোথায়? পরিচালনা পর্ষদ বিতর্কিত ! কালিগঞ্জ অফিসে গ্রাহকের ব্যানার, ‘বিতর্কিত কমিটি’ নিয়ে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬

গ্রাহকের আমানত ফেরত নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এর মধ্যেই সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বুশরা গ্রুপের শাখা কার্যালয়ে ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। অফিসের সামনে সতর্কবার্তায় লেখা হয়েছে, “বুশরা গ্রুপ সার্বিক সমবায় সমিতি কালিগঞ্জ শাখার অফিস গ্রাহকের সম্পত্তি। দয়া করে কেউ কিনবেন না।”

গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয় জমা রাখার পরও অনেকে তাঁদের টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। কারও পাওনা কয়েক লাখ, আবার কারও পাওনা ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকারও বেশি। ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা একটি তালিকায় এমন একাধিক গ্রাহকের পাওনার তথ্য রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, মোস্তফা শামছুদ্দোহার ১ লাখ, পাপিয়া সুলতানার ২ লাখ, যাদব অধিকারীর ৮ লাখ, মিজানুর রহমান সায়লুর ১১ লাখ এবং শেখ মিজানুর রহমানের ১৬ লাখ ৫২ হাজার ৬১০ টাকা পাওনা রয়েছে। এছাড়া শাহাবুদ্দিনের ১৪ লাখ ৫০ হাজার, মুন্নার ১০ লাখ, শফিকুলের ১০ লাখ, আঞ্জুমানারার ৬ লাখ ও মুর্শিদার ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, এ তালিকা পূর্ণাঙ্গ নয়। তাঁদের দাবি, সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় বুশরা গ্রুপের কাছে বিপুল অঙ্কের আমানত আটকে রয়েছে। কেউ কেউ এর পরিমাণ প্রায় দুই শত কোটি টাকা বলে দাবি করলেও এর স্বাধীন যাচাই এখনো হয়নি।

গ্রাহকদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্কিমে অর্থ সংগ্রহের পর মেয়াদ শেষে টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির জমি, প্লট, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সরাসরি প্রশ্ন, তাদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে? প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ কত? এসব সম্পদের মালিকানা কার নামে?

গ্রাহকদের আশঙ্কা, পাওনা পরিশোধের আগে প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরের চেষ্টা হতে পারে। এ কারণেই কালিগঞ্জ অফিসের সামনে সতর্কবার্তা টাঙানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরের এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তার স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বুশরা গ্রুপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও এ বিষয়ে পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

বুশরা গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের তালিকা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তালিকায় পরিচালক হিসেবে আব্দুল গফফার ও কুতুবউদ্দীন আহমেদের নাম থাকার কথা উল্লেখ করা হলেও তাঁরা দাবি করেছেন, তারা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন এবং তালিকায় ব্যবহৃত স্বাক্ষরও তাঁদের নয়। দুজনই এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

অভিযোগটি সত্য হলে পরিচালনা পর্ষদের তালিকা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। তাই তালিকাটি কে তৈরি করেছে, কার অনুমোদনে করা হয়েছে এবং স্বাক্ষরগুলো আসল কি না, তা তদন্তের দাবি রাখে।

গ্রাহকদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, তাঁদের আমানতের টাকা ফেরতের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, আমানতের অর্থ ফেরত না দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আইনজীবীর মাধ্যমে উকিল নোটিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থায় অভিযোগ দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানান।

বুশরা গ্রুপকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের দাবিগুলো এখন কয়েকটি প্রশ্নে এসে ঠেকেছে—গ্রাহকদের মোট পাওনা কত? প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ কত? সম্পদগুলো কার নামে? গ্রাহকের অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে? এবং টাকা ফেরতের নির্দিষ্ট সময়সীমা কী? এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পরিচালনা পর্ষদের তালিকা ও স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, তারা কারও ব্যক্তিগত সম্পদ দখল করতে চান না, তাঁরা চান নিজেদের বৈধ পাওনা। তাই প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও দায়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করে আইনগত প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালিগঞ্জ অফিসের সামনে ঝুলছে গ্রাহকদের ব্যানার। হাতে পাওনার কাগজ। আর মুখে একটাই প্রশ্ন—

“বুশরার টাকা কোথায়?” এই প্রশ্নের জবাব এখন বুশরা গ্রুপের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেও প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগীরা।