1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি? খতিয়ানের মারপ্যাঁচ ও গ্রামীণ রাজনীতির শিকার: কালিগঞ্জের ভূমি বিরোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্য চিত্র কালিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে ছাত্রীর বাল্যবিয়েতে ৩২ সহপাঠী! প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পণ্ড, শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে জনসেবায় এক অতন্দ্র প্রহরীর নাম: মোঃ মারুফ বিল্লাহ সাধারণ পুলে বৃত্তি পেল গুনজা দত্ত, আরিজপুরে বইছে আনন্দের হাওয়া কালিগঞ্জে মন্দিরের দেয়ালে বাঁশ লাগাকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদ ও থানায় অভিযোগ উদ্বোধকের অপেক্ষার অবসান, চাঁচাইয়ে শুরু হলো বৃক্ষমেলা ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন

সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন: অহেতুক উচ্ছেদ আতঙ্কে কুলিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা ও এলাকাবাসী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৩৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত চলমান সড়ক উন্নয়ন কাজে প্রয়োজনে অতিরিক্ত জমি বা স্থাপনা উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন প্রদান করেন স্থানীয় প্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

জানা যায়, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ আগামী ৮ ও ৯ জুলাই আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে সরকারি খাস জমিতে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এই খবরে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সড়কের পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন পরিবারগুলো।

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেন (মিনু ডাক্তার)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

লিখিত আবেদনে এলাকাবাসী জানান, মহাসড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমকে তারা স্বাগত জানান। কিন্তু সওজ বিভাগের ম্যাপ অনুযায়ী প্রয়োজনে অতিরিক্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের পুঁজি ও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। এছাড়া বাজারের মৎস্য সেড বিলীন হলে এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি, বছরের পর বছর ধরে সড়কের পাশে মাথা গুঁজে থাকা ভূমিহীন পরিবারগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবেদনকারীরা জানান, বর্তমানে রাস্তার কাজ যে পর্যায়ে চলছে, তাতে যতটুকু জমি বাস্তবে প্রয়োজন, তা ব্যবহার করেই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব। তাই অতিরিক্ত অংশ উচ্ছেদ না করে মানবিক ও জনস্বার্থের দিকটি বিবেচনা করার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব এলাকাবাসীর অভিযোগ ও দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি অত্র এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনি কি এই প্রতিবেদনটি কোনো নির্দিষ্ট পত্রিকায় প্রকাশের জন্য বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জন্য আরও কোনো পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে চান?

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি?

সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন: অহেতুক উচ্ছেদ আতঙ্কে কুলিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা ও এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৩৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত চলমান সড়ক উন্নয়ন কাজে প্রয়োজনে অতিরিক্ত জমি বা স্থাপনা উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন প্রদান করেন স্থানীয় প্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

জানা যায়, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ আগামী ৮ ও ৯ জুলাই আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে সরকারি খাস জমিতে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এই খবরে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সড়কের পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন পরিবারগুলো।

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেন (মিনু ডাক্তার)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

লিখিত আবেদনে এলাকাবাসী জানান, মহাসড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমকে তারা স্বাগত জানান। কিন্তু সওজ বিভাগের ম্যাপ অনুযায়ী প্রয়োজনে অতিরিক্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের পুঁজি ও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। এছাড়া বাজারের মৎস্য সেড বিলীন হলে এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি, বছরের পর বছর ধরে সড়কের পাশে মাথা গুঁজে থাকা ভূমিহীন পরিবারগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবেদনকারীরা জানান, বর্তমানে রাস্তার কাজ যে পর্যায়ে চলছে, তাতে যতটুকু জমি বাস্তবে প্রয়োজন, তা ব্যবহার করেই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব। তাই অতিরিক্ত অংশ উচ্ছেদ না করে মানবিক ও জনস্বার্থের দিকটি বিবেচনা করার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব এলাকাবাসীর অভিযোগ ও দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি অত্র এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনি কি এই প্রতিবেদনটি কোনো নির্দিষ্ট পত্রিকায় প্রকাশের জন্য বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জন্য আরও কোনো পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে চান?