1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি? খতিয়ানের মারপ্যাঁচ ও গ্রামীণ রাজনীতির শিকার: কালিগঞ্জের ভূমি বিরোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্য চিত্র কালিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে ছাত্রীর বাল্যবিয়েতে ৩২ সহপাঠী! প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পণ্ড, শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে জনসেবায় এক অতন্দ্র প্রহরীর নাম: মোঃ মারুফ বিল্লাহ সাধারণ পুলে বৃত্তি পেল গুনজা দত্ত, আরিজপুরে বইছে আনন্দের হাওয়া কালিগঞ্জে মন্দিরের দেয়ালে বাঁশ লাগাকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদ ও থানায় অভিযোগ উদ্বোধকের অপেক্ষার অবসান, চাঁচাইয়ে শুরু হলো বৃক্ষমেলা ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন

দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় নিমজ্জিত: উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের বিশাল ডুবুরি দল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৪৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ১৩০৮ বার পড়া হয়েছে

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি: 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে তলিয়ে গেছে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবুরি ইউনিট ও স্থানীয় প্রশাসন ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে বাসটি পদ্মায় ডুবে যাওয়ার খবর আসে। খবর পাওয়ার মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় গোয়ালন্দ থেকে প্রথম উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে আরিচা থেকে আরও একটি ইউনিট এসে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, নদী তীরের আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে বাসটি নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল ইসলাম সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে জানিয়েছেন। বর্তমানে দুইটি ইউনিটের ১৫-২০ জনের একটি ডুবুরি দল অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকার সিদ্দিকবাজার থেকে আরও দুইটি বিশেষ ডুবুরি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের অভিমুখে রওনা দিয়েছে। অন্ধকার ও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনায় বেগ পেতে হচ্ছে।

বাসটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ বলছেন যাত্রী সংখ্যা ২০-৩০ জন, আবার কেউ বলছেন ৩০-৪০ জন। তবে স্বস্তির খবর হলো, বাসটি ডুবে যাওয়ার পরপরই ৫-৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। বাকিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

ঘাটে উপস্থিত স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং বাসের সঠিক যাত্রী সংখ্যা নিরূপণে কাজ করছে স্থানীয় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি?

দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় নিমজ্জিত: উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের বিশাল ডুবুরি দল

আপডেট সময় : ০৮:০১:৪৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি: 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে তলিয়ে গেছে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবুরি ইউনিট ও স্থানীয় প্রশাসন ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে বাসটি পদ্মায় ডুবে যাওয়ার খবর আসে। খবর পাওয়ার মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় গোয়ালন্দ থেকে প্রথম উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে আরিচা থেকে আরও একটি ইউনিট এসে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, নদী তীরের আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে বাসটি নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল ইসলাম সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে জানিয়েছেন। বর্তমানে দুইটি ইউনিটের ১৫-২০ জনের একটি ডুবুরি দল অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকার সিদ্দিকবাজার থেকে আরও দুইটি বিশেষ ডুবুরি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের অভিমুখে রওনা দিয়েছে। অন্ধকার ও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনায় বেগ পেতে হচ্ছে।

বাসটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ বলছেন যাত্রী সংখ্যা ২০-৩০ জন, আবার কেউ বলছেন ৩০-৪০ জন। তবে স্বস্তির খবর হলো, বাসটি ডুবে যাওয়ার পরপরই ৫-৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। বাকিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

ঘাটে উপস্থিত স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং বাসের সঠিক যাত্রী সংখ্যা নিরূপণে কাজ করছে স্থানীয় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন।