1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে বিএনপির ঘরেই বিরোধ, সেই ফাঁকে জামায়াতের বাজীমাত: রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ, ভোটের মাঠে কার লাভ? নিজ বিদ্যাপীঠ পরিদর্শনে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাতিমা তুজ জোহরা কালিগঞ্জে নবমীর শারদীয় উৎসবে মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা রোকনুজ্জামান রোকন কালিগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন বিএনপি নেতা ডা. শফিকুল ইসলাম বাবু কালিগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণের শাড়ি বিতরণ করলেন এমপি রবিউল বাশার কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে ৮ দুর্গামন্দিরে অনুদানের চেক বিতরণ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কালিগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলার একমাত্র নারী চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মিশনে সদ্য বিদায়ী প্রতিমন্ত্রী: দৃষ্টান্ত, দায়বদ্ধতা ও অসমাপ্ত লড়াই কা‌লিগ‌ঞ্জের কৃষ্ণনগরে তোহা বাজার রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কালিগঞ্জে দুর্গাপূজায় বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার মুকুল : মণ্ডপ পরিদর্শন ও অর্থ সহায়তা

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রেবতী রানী সরকার।

তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি মহারাষ্ট্রে আত্মীয়দের কাছে অবস্থান করেন। পরে কলকাতার বারাসাতের মাটিয়া বাজার এলাকায় বোনের বাসায় যান। চিকিৎসাজনিত কাজে কলকাতায় অবস্থানকালে মর্মান্তিক ওই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বজনরা জানান
, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে । রেবতী রানী সরকারের দেবর তপন কুমার সরকার জানান, তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আগুনের কারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগুনের সময় হোটেলের সরু পথ, জরুরি বের হওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নানা ঘাটতি ছিল। ফলে আগুন লাগার পর আবাসিকদের দ্রুত নিরাপদে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কালিগঞ্জের রেবতীর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে তাঁদের বাড়ির পরিবেশ।

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষ দুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
এখন পরিবারের একটাই অপেক্ষা-প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে কবে দেশে ফিরবে রেবতী রানী সরকারের মরদেহ। তাঁদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে বিএনপির ঘরেই বিরোধ, সেই ফাঁকে জামায়াতের বাজীমাত: রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ, ভোটের মাঠে কার লাভ?

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রেবতী রানী সরকার।

তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি মহারাষ্ট্রে আত্মীয়দের কাছে অবস্থান করেন। পরে কলকাতার বারাসাতের মাটিয়া বাজার এলাকায় বোনের বাসায় যান। চিকিৎসাজনিত কাজে কলকাতায় অবস্থানকালে মর্মান্তিক ওই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বজনরা জানান
, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে । রেবতী রানী সরকারের দেবর তপন কুমার সরকার জানান, তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আগুনের কারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগুনের সময় হোটেলের সরু পথ, জরুরি বের হওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নানা ঘাটতি ছিল। ফলে আগুন লাগার পর আবাসিকদের দ্রুত নিরাপদে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কালিগঞ্জের রেবতীর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে তাঁদের বাড়ির পরিবেশ।

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষ দুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
এখন পরিবারের একটাই অপেক্ষা-প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে কবে দেশে ফিরবে রেবতী রানী সরকারের মরদেহ। তাঁদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।