1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে কাপড়ের দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, ২৩ বস্তা মালামাল উদ্ধার কালিগঞ্জে ড্রিংকিং ওয়াটার প্ল্যান্ট মালিক সমিতির সভা, নতুন কমিটি গঠন ও চারা বিতরণ কালিগঞ্জে প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাস ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারে সচেতনতামূলক সংলাপ অনুষ্ঠিত প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পটেকর, গোয়ার বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ৭৫ বছর বয়সে সম্পাদকীয় : সারের ডিলারশিপ ও রাজনৈতিক আধিপত্য: বদলাচ্ছে শুধু ব্যানার, কৃষকের ভাগ্য কি বদলাবে? চাঁচাই বৃক্ষমেলা: অনুমোদনহীন আয়োজন ও ব্যবসায়ীদের লোকসান-দায় কার? কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে মৎস্যজীবী দলের কর্মী সম্মেলন ও নতুন কমিটি ঘোষণা কালিগঞ্জে ডাচ-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট আউটলেটের স্বচ্ছতা ও অঙ্গীকার নিয়ে গ্রাহক সমাবেশ শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি? খতিয়ানের মারপ্যাঁচ ও গ্রামীণ রাজনীতির শিকার: কালিগঞ্জের ভূমি বিরোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্য চিত্র

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রেবতী রানী সরকার।

তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি মহারাষ্ট্রে আত্মীয়দের কাছে অবস্থান করেন। পরে কলকাতার বারাসাতের মাটিয়া বাজার এলাকায় বোনের বাসায় যান। চিকিৎসাজনিত কাজে কলকাতায় অবস্থানকালে মর্মান্তিক ওই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বজনরা জানান
, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে । রেবতী রানী সরকারের দেবর তপন কুমার সরকার জানান, তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আগুনের কারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগুনের সময় হোটেলের সরু পথ, জরুরি বের হওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নানা ঘাটতি ছিল। ফলে আগুন লাগার পর আবাসিকদের দ্রুত নিরাপদে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কালিগঞ্জের রেবতীর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে তাঁদের বাড়ির পরিবেশ।

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষ দুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
এখন পরিবারের একটাই অপেক্ষা-প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে কবে দেশে ফিরবে রেবতী রানী সরকারের মরদেহ। তাঁদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে কাপড়ের দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ, ২৩ বস্তা মালামাল উদ্ধার

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রেবতী রানী সরকার।

তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি মহারাষ্ট্রে আত্মীয়দের কাছে অবস্থান করেন। পরে কলকাতার বারাসাতের মাটিয়া বাজার এলাকায় বোনের বাসায় যান। চিকিৎসাজনিত কাজে কলকাতায় অবস্থানকালে মর্মান্তিক ওই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বজনরা জানান
, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে । রেবতী রানী সরকারের দেবর তপন কুমার সরকার জানান, তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আগুনের কারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগুনের সময় হোটেলের সরু পথ, জরুরি বের হওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নানা ঘাটতি ছিল। ফলে আগুন লাগার পর আবাসিকদের দ্রুত নিরাপদে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কালিগঞ্জের রেবতীর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে তাঁদের বাড়ির পরিবেশ।

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষ দুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
এখন পরিবারের একটাই অপেক্ষা-প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে কবে দেশে ফিরবে রেবতী রানী সরকারের মরদেহ। তাঁদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।