1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে কালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম রফুর মৃত্যু কলকাতায় হোটেলে আগুনে দগ্ধ হয়ে কালিগঞ্জের সাবেক আওয়ামী নেতা আলিমুজ্জামানের মৃত্যু- রেবতী সরকারের ঠিকানা পাওয়া যায়নি জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাতক্ষীরা পৌরসভাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে কালিগঞ্জ ‘খরচ বাড়ে, ভাড়া কমে’-কালিগঞ্জে ডেকোরেটর ব্যবসায় টিকে থাকার লড়াই, ‘ঐক্যবদ্ধ না হলে ডেকোরেটর ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন’-হেদায়েতুল ইসলাম কালিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহের আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল নিক্ষেপ: আহত ১, অবিস্ফোরিত দুটি বোমা উদ্ধার কালিগঞ্জে সংখ্যালঘুর জমি গভীর রাতে দখলের চেষ্টা ও গাছ কাটার অভিযোগ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ভ্যানযাত্রী নিহত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রেবতী রানী সরকার।

তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি মহারাষ্ট্রে আত্মীয়দের কাছে অবস্থান করেন। পরে কলকাতার বারাসাতের মাটিয়া বাজার এলাকায় বোনের বাসায় যান। চিকিৎসাজনিত কাজে কলকাতায় অবস্থানকালে মর্মান্তিক ওই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বজনরা জানান
, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে । রেবতী রানী সরকারের দেবর তপন কুমার সরকার জানান, তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আগুনের কারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগুনের সময় হোটেলের সরু পথ, জরুরি বের হওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নানা ঘাটতি ছিল। ফলে আগুন লাগার পর আবাসিকদের দ্রুত নিরাপদে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কালিগঞ্জের রেবতীর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে তাঁদের বাড়ির পরিবেশ।

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষ দুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
এখন পরিবারের একটাই অপেক্ষা-প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে কবে দেশে ফিরবে রেবতী রানী সরকারের মরদেহ। তাঁদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কালিগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের গৃহবধূ রেবতী রানী সরকার।

তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি মহারাষ্ট্রে আত্মীয়দের কাছে অবস্থান করেন। পরে কলকাতার বারাসাতের মাটিয়া বাজার এলাকায় বোনের বাসায় যান। চিকিৎসাজনিত কাজে কলকাতায় অবস্থানকালে মর্মান্তিক ওই অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। স্বজনরা জানান
, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে । রেবতী রানী সরকারের দেবর তপন কুমার সরকার জানান, তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আগুনের কারণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আগুনের সময় হোটেলের সরু পথ, জরুরি বের হওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নানা ঘাটতি ছিল। ফলে আগুন লাগার পর আবাসিকদের দ্রুত নিরাপদে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে কালিগঞ্জের রেবতীর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে তাঁদের বাড়ির পরিবেশ।

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষ দুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
এখন পরিবারের একটাই অপেক্ষা-প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে কবে দেশে ফিরবে রেবতী রানী সরকারের মরদেহ। তাঁদের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।