1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত অর্জুন-দেব মুখোমুখি, লাবনীর ‘ডিভোর্স’, ৮ দিনের মাথায় সাতপাকে নতুন বর কালিগঞ্জে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়াচ্ছে ‘দৌড়’ কালিগঞ্জে সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি; প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শ্যামনগরে কদবেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কালিগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ধলবাড়িয়ায় গাজী পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ফের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন শওকাত হোসেন কালিগঞ্জে জুয়েলার্সের শাটার-লকার ভেঙে চুরি, স্বর্ণ-রুপা ও নগদ টাকা খোয়া

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে নির্বাচনী হাওয়া বেশ জোরেই লেগেছে-কৃষ্ণনগরের খোকন মোল্লা যেন হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:০৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ ইশারাত আলী :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আমিরুল ইসলাম খোকন মোল্লার গণসংযোগ ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। তাকে দেখতে এবং তার পেছনে ছুটতে দেখা গেছে সব দল ও মতের মানুষকে, যা দেখে অনেকেই তাকে রূপকথার সেই হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালার সঙ্গে তুলনা করছেন। যেন দম ফেলারও ফুরসত নেই এই প্রার্থীর।

প্রায় ১৭ দিন ধরে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করার পর থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চষে বেড়াচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।

হোসেনপুর গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুস ছাত্তার মোল্লা ও আনোয়ারা খাতুনের ছোট ছেলে খোকন মোল্লা ২০০৮ সাল থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি প্রতিদিন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় যাচ্ছেন, তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

প্রচারণার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করছেন খোকন মোল্লা। ইতিমধ্যে তিনি নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন মসজিদে রাস্তা সংস্কারের জন্য ৫ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করেছেন। বেশ কয়েকজন কর্মহীন মানুষকে জীবিকা নির্বাহের জন্য ভ্যান বিতরণ করেছেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে নিজস্ব উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও করেছেন।

শিশু-কিশোরদের মাঝে ফুটবল বিতরণ অনুষ্ঠানে খোকন মোল্লা বলেন, “এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো ভালো নেই। কৃষ্ণনগরের অনেক রাস্তায় পানি জমে থাকে এবং কবরস্থানও পানিতে ডুবে যায়। নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে চাই।” কৃষ্ণনগরকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চাই।

এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় নিজের ভাবনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “এলাকার অনেক মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই। হিন্দু-মুসলিম সবাইকে নিয়ে ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করতে চাই এবং সাধারণ মানুষের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।”

নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। ভোটারদের উদ্দেশে খোকন মোল্লা বলেন, “ভোটাররা আমার পরিবার সম্পর্কে জানেন এবং আমাকে চেনেন। তাঁরা সবদিক বিবেচনা ও খোঁজখবর নিয়েই ভোট দেবেন। নির্বাচনে জয়ী হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি মডেল ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তুলব।”

এদিকে শিশু-কিশোরদের হাতে ফুটবল তুলে দেওয়ার এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সব মহলে নির্বাচনী আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। প্রার্থীর এমন জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ফলে কৃষ্ণনগরে নির্বাচনী হাওয়া দিন দিন আরও জোরালো হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের মন জয় করে কার পরিকল্পনা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তার উত্তর মিলবে আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলেই।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে নির্বাচনী হাওয়া বেশ জোরেই লেগেছে-কৃষ্ণনগরের খোকন মোল্লা যেন হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালা

আপডেট সময় : ০৯:১৬:০৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ ইশারাত আলী :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আমিরুল ইসলাম খোকন মোল্লার গণসংযোগ ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। তাকে দেখতে এবং তার পেছনে ছুটতে দেখা গেছে সব দল ও মতের মানুষকে, যা দেখে অনেকেই তাকে রূপকথার সেই হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালার সঙ্গে তুলনা করছেন। যেন দম ফেলারও ফুরসত নেই এই প্রার্থীর।

প্রায় ১৭ দিন ধরে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করার পর থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চষে বেড়াচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।

হোসেনপুর গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুস ছাত্তার মোল্লা ও আনোয়ারা খাতুনের ছোট ছেলে খোকন মোল্লা ২০০৮ সাল থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি প্রতিদিন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় যাচ্ছেন, তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

প্রচারণার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করছেন খোকন মোল্লা। ইতিমধ্যে তিনি নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন মসজিদে রাস্তা সংস্কারের জন্য ৫ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করেছেন। বেশ কয়েকজন কর্মহীন মানুষকে জীবিকা নির্বাহের জন্য ভ্যান বিতরণ করেছেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে নিজস্ব উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও করেছেন।

শিশু-কিশোরদের মাঝে ফুটবল বিতরণ অনুষ্ঠানে খোকন মোল্লা বলেন, “এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো ভালো নেই। কৃষ্ণনগরের অনেক রাস্তায় পানি জমে থাকে এবং কবরস্থানও পানিতে ডুবে যায়। নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে চাই।” কৃষ্ণনগরকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চাই।

এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় নিজের ভাবনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “এলাকার অনেক মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই। হিন্দু-মুসলিম সবাইকে নিয়ে ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করতে চাই এবং সাধারণ মানুষের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।”

নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। ভোটারদের উদ্দেশে খোকন মোল্লা বলেন, “ভোটাররা আমার পরিবার সম্পর্কে জানেন এবং আমাকে চেনেন। তাঁরা সবদিক বিবেচনা ও খোঁজখবর নিয়েই ভোট দেবেন। নির্বাচনে জয়ী হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি মডেল ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তুলব।”

এদিকে শিশু-কিশোরদের হাতে ফুটবল তুলে দেওয়ার এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সব মহলে নির্বাচনী আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। প্রার্থীর এমন জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ফলে কৃষ্ণনগরে নির্বাচনী হাওয়া দিন দিন আরও জোরালো হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের মন জয় করে কার পরিকল্পনা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তার উত্তর মিলবে আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলেই।