1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত অর্জুন-দেব মুখোমুখি, লাবনীর ‘ডিভোর্স’, ৮ দিনের মাথায় সাতপাকে নতুন বর কালিগঞ্জে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়াচ্ছে ‘দৌড়’ কালিগঞ্জে সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি; প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শ্যামনগরে কদবেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কালিগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ধলবাড়িয়ায় গাজী পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ফের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন শওকাত হোসেন কালিগঞ্জে জুয়েলার্সের শাটার-লকার ভেঙে চুরি, স্বর্ণ-রুপা ও নগদ টাকা খোয়া

রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ৪৩০ বার পড়া হয়েছে

চৌধুরী রোকছানা, ঠাকুরগাঁও থেকে  : 

সেদিন আমার স্কুলে ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা প্রস্তুতি মুলক মিটিং চলছিল। ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে রওয়ানা দিয়েছি বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য। কারণ সেই ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে আমিও অংশ গ্রহণ করবো তাই। যাওয়ার পথেই আমার স্কুল। হঠাৎ মনে হলো একটু স্কুল থেকে ঘুরেই যাই, কতদিন স্যারদের সাথে দেখা হয়না। সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্যার রা সহ আরও চেনা অচেনা অনেক মানুষ।

সেখানে ছিলেন ভাই ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু (রংপুর মেডিকেলে আইসিইউ প্রধান)। অনেক দিন পর দেখা হওয়ায় ভাই অনেক গল্প বলতে লাগলেন। আমার প্রিয় শিক্ষক কাশেম স্যার যিনি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিনি আমাকে চা খাওয়া ছাড়া যেতেই দিবেননা। আমারও ভালো লাগছিলো কত বছর পরে স্কুলে যাওয়া এবং সবার সাথে দেখা হওয়া।

অনেক কথার ভীড়ে সবার সামনে ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু ভাই বলে উঠলেন,,,, চৌধুরী পরিবারে অনেক চৌধুরী জন্মেছে এবং জন্মাবে,,,,,বাট রফিকুল চৌধুরী আর একটা হবে না। রফিকুল চৌধুরী আর একটা জন্মাবে না। রফিকুল চৌধুরী একজনই হয়। বিশ্বাস করেন,,, ওইটুকু মুহূর্তে সন্তান হিসেবে আমার বুকটা ফুলে এক পৃথিবী সমান হয়েছিলো। আমার বাবাকে নিয়ে এই একটা গল্পই তো যথেষ্ট।

এমন অনেক হাজারো গল্প আছে আমার বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মত আলহামদুলিল্লাহ। এই জগৎ সংসারে ত্যাগী মানুষের কাতারে আমার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। উদার মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভেজাল মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা লেখা থাকবে। কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ করলে,,, বাবা আজও বলেন,,,ওই আকাশ সমান উদার হও,,,তবে দেখবে পুরো পৃথিবীটাই তোমার।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ মানুষ আমার বাবা,,,যিনি সবার কথা সারাজীবন ভাবতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই ভাবেননি। তবুও জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আমার বাবা এক অসীম সুখে বাঁচেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। কখনো কখনো ভীষণ অবাক হই। আজকে বাবা দিবসে মহান আল্লাহর কাছে আমার সবসময়ই চাওয়া,,,, এমন প্রশান্তি নিয়েই সুস্থতার সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকুক আমার বাবা

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা

রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

চৌধুরী রোকছানা, ঠাকুরগাঁও থেকে  : 

সেদিন আমার স্কুলে ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা প্রস্তুতি মুলক মিটিং চলছিল। ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে রওয়ানা দিয়েছি বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য। কারণ সেই ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে আমিও অংশ গ্রহণ করবো তাই। যাওয়ার পথেই আমার স্কুল। হঠাৎ মনে হলো একটু স্কুল থেকে ঘুরেই যাই, কতদিন স্যারদের সাথে দেখা হয়না। সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্যার রা সহ আরও চেনা অচেনা অনেক মানুষ।

সেখানে ছিলেন ভাই ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু (রংপুর মেডিকেলে আইসিইউ প্রধান)। অনেক দিন পর দেখা হওয়ায় ভাই অনেক গল্প বলতে লাগলেন। আমার প্রিয় শিক্ষক কাশেম স্যার যিনি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিনি আমাকে চা খাওয়া ছাড়া যেতেই দিবেননা। আমারও ভালো লাগছিলো কত বছর পরে স্কুলে যাওয়া এবং সবার সাথে দেখা হওয়া।

অনেক কথার ভীড়ে সবার সামনে ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু ভাই বলে উঠলেন,,,, চৌধুরী পরিবারে অনেক চৌধুরী জন্মেছে এবং জন্মাবে,,,,,বাট রফিকুল চৌধুরী আর একটা হবে না। রফিকুল চৌধুরী আর একটা জন্মাবে না। রফিকুল চৌধুরী একজনই হয়। বিশ্বাস করেন,,, ওইটুকু মুহূর্তে সন্তান হিসেবে আমার বুকটা ফুলে এক পৃথিবী সমান হয়েছিলো। আমার বাবাকে নিয়ে এই একটা গল্পই তো যথেষ্ট।

এমন অনেক হাজারো গল্প আছে আমার বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মত আলহামদুলিল্লাহ। এই জগৎ সংসারে ত্যাগী মানুষের কাতারে আমার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। উদার মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভেজাল মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা লেখা থাকবে। কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ করলে,,, বাবা আজও বলেন,,,ওই আকাশ সমান উদার হও,,,তবে দেখবে পুরো পৃথিবীটাই তোমার।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ মানুষ আমার বাবা,,,যিনি সবার কথা সারাজীবন ভাবতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই ভাবেননি। তবুও জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আমার বাবা এক অসীম সুখে বাঁচেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। কখনো কখনো ভীষণ অবাক হই। আজকে বাবা দিবসে মহান আল্লাহর কাছে আমার সবসময়ই চাওয়া,,,, এমন প্রশান্তি নিয়েই সুস্থতার সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকুক আমার বাবা