1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত অর্জুন-দেব মুখোমুখি, লাবনীর ‘ডিভোর্স’, ৮ দিনের মাথায় সাতপাকে নতুন বর কালিগঞ্জে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়াচ্ছে ‘দৌড়’ কালিগঞ্জে সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি; প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শ্যামনগরে কদবেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কালিগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ধলবাড়িয়ায় গাজী পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ফের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন শওকাত হোসেন কালিগঞ্জে জুয়েলার্সের শাটার-লকার ভেঙে চুরি, স্বর্ণ-রুপা ও নগদ টাকা খোয়া

কালিগঞ্জে অভিনব প্রতারণা: বৈধ পাসের আড়ালে চুরি যাওয়া সাইকেল মালিকের কাছেই বিক্রি, সালিশে উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:১৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪১৯ বার পড়া হয়েছে

ডাঃ গোলাম মোস্তফা :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশলিয়া হাটে বৈধ বিক্রয় পাসের আড়ালে চুরি হওয়া বাইসাইকেল বিক্রির এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার দুদলি গ্রামের মৃত নূর আলী মোল্লার ছেলে আব্দুস সামাদ নামের এক ব্যক্তি প্রকৃত মালিকের চুরি যাওয়া সাইকেলটি ভুয়া তথ্যে হাটের রশিদ কেটে আবার সেই মালিকের কাছেই বিক্রি করেন। পরবর্তীতে চুরির বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সালিশে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয় এবং সাইকেল ও টাকা উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর কুশলিয়া হাটে লাল রঙের একটি ‘হারকিউলেস ক্যাপ্টেন’ বাইসাইকেল ৬,৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। হাটের রশিদে বিক্রেতা হিসেবে আব্দুস সামাদ এবং ক্রেতা হিসেবে বসন্তপুর গ্রামের মো: জোহর আলীর ছেলে মো: মহিত হোসেনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। তবে সাইকেলটি হস্তান্তরের পর ক্রেতা মহিত হোসেন বুঝতে পারেন যে, এটি আসলে কিছুদিন আগে চুরি হয়ে যাওয়া তাঁর নিজেরই বাইসাইকেল। অর্থাৎ, সাইকেল বিক্রেতা আব্দুস সামাদ নিজেই চুরির সাথে জড়িত ছিলেন এবং সুকৌশলে প্রকৃত মালিকের কাছেই সেটি পুনরায় বিক্রি করেন। যে সাইকেলটি আরও ১৫দিন আগে চুরি হয়।

এই অভিনব চুরির ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্তের আসল রূপ উন্মোচিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি নিয়ে কুশলিয়া হাটে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। এসময় সাইকেল চোর আব্দুস সামাদ বলেন আমার সময় দিলে চুরির সাথে জড়িত বাবুকে হাজির করবো। পরে যখন তিনি কুশলিয়া জোড়া আমতলায় পুনরায় সালিশে চুরির ঘটনার হয় তখন তিনি  উপস্থিত নেতাদের হস্তক্ষেপে চুরি হওয়া সাইকেলটি প্রকৃত মালিককে ফেরত দেন এবং বিক্রির জন্য নেওয়া ৬,৭০০ টাকাও ফেরৎ দেন। সাথে সাথে হাট কমিটি চোর আব্দুস সামাদকে ৬,৭০০ টাকা জরিমানা ধার্য্য করেন।

সামাদ বিভিন্ন সময় সাইকেল চুরির ঘটনায় বার বার গ্রেফতার হয়েছে। কিছুদিন আগেও নলতায় সাইকেল চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির স্বিকার হয়।

সাইকেল চুরির সাথে আর কারা জড়িত জিঙ্ঘেস করা হলে আব্দুস সামাদ বলেন আমি যদি মুল হোতাদের নাম বলি তাহলে আমার জীবনের নিরাপত্তা পাবোনা বা এলাকায় থাকতে পারবোনা। শালিশ বৈঠকে কুশলিয়া হাট কমিটির কাজী হুমায়ন কবির ডাবলু সহ কুশলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর আব্দুল গফফার, মনিরুল ইসলাম পুটে, মাওলানা আবু সাঈদ, ডাঃ গোলাম মোস্তফা সহ স্থানীয় দুই শতাধিক গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা

কালিগঞ্জে অভিনব প্রতারণা: বৈধ পাসের আড়ালে চুরি যাওয়া সাইকেল মালিকের কাছেই বিক্রি, সালিশে উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৯:৪০:১৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডাঃ গোলাম মোস্তফা :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশলিয়া হাটে বৈধ বিক্রয় পাসের আড়ালে চুরি হওয়া বাইসাইকেল বিক্রির এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার দুদলি গ্রামের মৃত নূর আলী মোল্লার ছেলে আব্দুস সামাদ নামের এক ব্যক্তি প্রকৃত মালিকের চুরি যাওয়া সাইকেলটি ভুয়া তথ্যে হাটের রশিদ কেটে আবার সেই মালিকের কাছেই বিক্রি করেন। পরবর্তীতে চুরির বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সালিশে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয় এবং সাইকেল ও টাকা উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর কুশলিয়া হাটে লাল রঙের একটি ‘হারকিউলেস ক্যাপ্টেন’ বাইসাইকেল ৬,৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। হাটের রশিদে বিক্রেতা হিসেবে আব্দুস সামাদ এবং ক্রেতা হিসেবে বসন্তপুর গ্রামের মো: জোহর আলীর ছেলে মো: মহিত হোসেনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। তবে সাইকেলটি হস্তান্তরের পর ক্রেতা মহিত হোসেন বুঝতে পারেন যে, এটি আসলে কিছুদিন আগে চুরি হয়ে যাওয়া তাঁর নিজেরই বাইসাইকেল। অর্থাৎ, সাইকেল বিক্রেতা আব্দুস সামাদ নিজেই চুরির সাথে জড়িত ছিলেন এবং সুকৌশলে প্রকৃত মালিকের কাছেই সেটি পুনরায় বিক্রি করেন। যে সাইকেলটি আরও ১৫দিন আগে চুরি হয়।

এই অভিনব চুরির ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্তের আসল রূপ উন্মোচিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি নিয়ে কুশলিয়া হাটে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। এসময় সাইকেল চোর আব্দুস সামাদ বলেন আমার সময় দিলে চুরির সাথে জড়িত বাবুকে হাজির করবো। পরে যখন তিনি কুশলিয়া জোড়া আমতলায় পুনরায় সালিশে চুরির ঘটনার হয় তখন তিনি  উপস্থিত নেতাদের হস্তক্ষেপে চুরি হওয়া সাইকেলটি প্রকৃত মালিককে ফেরত দেন এবং বিক্রির জন্য নেওয়া ৬,৭০০ টাকাও ফেরৎ দেন। সাথে সাথে হাট কমিটি চোর আব্দুস সামাদকে ৬,৭০০ টাকা জরিমানা ধার্য্য করেন।

সামাদ বিভিন্ন সময় সাইকেল চুরির ঘটনায় বার বার গ্রেফতার হয়েছে। কিছুদিন আগেও নলতায় সাইকেল চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির স্বিকার হয়।

সাইকেল চুরির সাথে আর কারা জড়িত জিঙ্ঘেস করা হলে আব্দুস সামাদ বলেন আমি যদি মুল হোতাদের নাম বলি তাহলে আমার জীবনের নিরাপত্তা পাবোনা বা এলাকায় থাকতে পারবোনা। শালিশ বৈঠকে কুশলিয়া হাট কমিটির কাজী হুমায়ন কবির ডাবলু সহ কুশলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর আব্দুল গফফার, মনিরুল ইসলাম পুটে, মাওলানা আবু সাঈদ, ডাঃ গোলাম মোস্তফা সহ স্থানীয় দুই শতাধিক গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।