1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
খতিয়ানের মারপ্যাঁচ ও গ্রামীণ রাজনীতির শিকার: কালিগঞ্জের ভূমি বিরোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্য চিত্র কালিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে ছাত্রীর বাল্যবিয়েতে ৩২ সহপাঠী! প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পণ্ড, শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে জনসেবায় এক অতন্দ্র প্রহরীর নাম: মোঃ মারুফ বিল্লাহ সাধারণ পুলে বৃত্তি পেল গুনজা দত্ত, আরিজপুরে বইছে আনন্দের হাওয়া কালিগঞ্জে মন্দিরের দেয়ালে বাঁশ লাগাকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদ ও থানায় অভিযোগ উদ্বোধকের অপেক্ষার অবসান, চাঁচাইয়ে শুরু হলো বৃক্ষমেলা ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত

স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি: এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৩৮২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নাম খোদাই করা আছে, যা সময়ের স্রোতেও ম্লান হয় না। তেমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতি। তাঁর সাবলীল অভিনয়, মিষ্টি হাসি আর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও কোটি দর্শকের মনে অম্লান। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারে আমরা আজ এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব, যাঁর প্রতিটি প্রতিচ্ছবি আজও এক সোনালী অধ্যায়ের গল্প বলে।

দিতির জন্ম নারায়ণগঞ্জে। তাঁর অভিনয় জীবনের শুরুটা হয়েছিল মূলত টেলিভিশনের মাধ্যমে। কিন্তু তাঁর প্রতিভা তাঁকে দ্রুতই নিয়ে আসে রুপালী পর্দার জগতে। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র ‘ডাকুয়া’ (১৯৮৪) দিয়েই তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়ে তিনি খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

দিতির অভিনয়ের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল তাঁর স্বাভাবিকতা। তিনি যে কোনো চরিত্রেই নিজেকে অনায়াসে মানিয়ে নিতেন। তাঁর অভিনয় কখোনই মনে হতো না যে তিনি অভিনয় করছেন। তাঁর চোখ, তাঁর হাসি, তাঁর কথা বলার ধরন-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক মায়াবী আকর্ষণ। তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘হীরামতি’, ‘স্বামী স্ত্রী’, ‘ভাইজান’, ‘প্রেমের মরা’, এবং ‘অজান্তে’। প্রতিটি ছবিতেই তিনি তাঁর অভিনয়ের ছাপ রেখে গেছেন।

দিতি শুধু একজন অভিনেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত মার্জিত এবং সুশিক্ষিত মানুষ। তাঁর চলাফেরা, কথা বলা-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক আভিজাত্য। তিনি সর্বদা শালীনতা বজায় রেখে চলেছেন এবং দর্শকদের কাছে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তাঁর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও অনেক নতুন অভিনেত্রীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

চিত্রনায়িকা দিতি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি আজও আমাদের মনে জাগ্রত। তাঁর অভিনীত প্রতিটি ছবি, তাঁর প্রতিটি সাক্ষাৎকার-সবকিছুর মাধ্যমেই তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তাঁর মিষ্টি হাসি আজও আমাদের মনে আনন্দ দেয়, তাঁর অভিনয় আজও আমাদের মুগ্ধ করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

চিত্রনায়িকা দিতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অভিনয় এবং ব্যক্তিত্ব আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জ্ঞাপন করি। তিনি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি হিসেবে বেঁচে থাকবেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খতিয়ানের মারপ্যাঁচ ও গ্রামীণ রাজনীতির শিকার: কালিগঞ্জের ভূমি বিরোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্য চিত্র

স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি: এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নাম খোদাই করা আছে, যা সময়ের স্রোতেও ম্লান হয় না। তেমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতি। তাঁর সাবলীল অভিনয়, মিষ্টি হাসি আর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও কোটি দর্শকের মনে অম্লান। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারে আমরা আজ এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব, যাঁর প্রতিটি প্রতিচ্ছবি আজও এক সোনালী অধ্যায়ের গল্প বলে।

দিতির জন্ম নারায়ণগঞ্জে। তাঁর অভিনয় জীবনের শুরুটা হয়েছিল মূলত টেলিভিশনের মাধ্যমে। কিন্তু তাঁর প্রতিভা তাঁকে দ্রুতই নিয়ে আসে রুপালী পর্দার জগতে। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র ‘ডাকুয়া’ (১৯৮৪) দিয়েই তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়ে তিনি খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

দিতির অভিনয়ের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল তাঁর স্বাভাবিকতা। তিনি যে কোনো চরিত্রেই নিজেকে অনায়াসে মানিয়ে নিতেন। তাঁর অভিনয় কখোনই মনে হতো না যে তিনি অভিনয় করছেন। তাঁর চোখ, তাঁর হাসি, তাঁর কথা বলার ধরন-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক মায়াবী আকর্ষণ। তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘হীরামতি’, ‘স্বামী স্ত্রী’, ‘ভাইজান’, ‘প্রেমের মরা’, এবং ‘অজান্তে’। প্রতিটি ছবিতেই তিনি তাঁর অভিনয়ের ছাপ রেখে গেছেন।

দিতি শুধু একজন অভিনেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত মার্জিত এবং সুশিক্ষিত মানুষ। তাঁর চলাফেরা, কথা বলা-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক আভিজাত্য। তিনি সর্বদা শালীনতা বজায় রেখে চলেছেন এবং দর্শকদের কাছে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তাঁর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও অনেক নতুন অভিনেত্রীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

চিত্রনায়িকা দিতি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি আজও আমাদের মনে জাগ্রত। তাঁর অভিনীত প্রতিটি ছবি, তাঁর প্রতিটি সাক্ষাৎকার-সবকিছুর মাধ্যমেই তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তাঁর মিষ্টি হাসি আজও আমাদের মনে আনন্দ দেয়, তাঁর অভিনয় আজও আমাদের মুগ্ধ করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

চিত্রনায়িকা দিতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অভিনয় এবং ব্যক্তিত্ব আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জ্ঞাপন করি। তিনি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি হিসেবে বেঁচে থাকবেন।