1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শাহাজান সরদারকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৯ ঘণ্টা চলল বুলডোজার বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে বিস্ফোরণ, উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা কালিগঞ্জে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ বিক্রেতা ও ক্রেতা আটক, ইউপি চেয়ারম্যানের তৎপরতায় পুলিশে সোপর্দ কালিগঞ্জের ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন: সভাপতি লুৎফর, সহ-সভাপতি লিটন কালিগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৈতৃক জমি দখলে ‘ভেকু বাহিনীর’ তাণ্ডব: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা কালিগঞ্জে বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা কালিগঞ্জে প্রতিবন্ধী পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ছাগল উপহার কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোশাররফ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত : যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি: এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নাম খোদাই করা আছে, যা সময়ের স্রোতেও ম্লান হয় না। তেমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতি। তাঁর সাবলীল অভিনয়, মিষ্টি হাসি আর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও কোটি দর্শকের মনে অম্লান। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারে আমরা আজ এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব, যাঁর প্রতিটি প্রতিচ্ছবি আজও এক সোনালী অধ্যায়ের গল্প বলে।

দিতির জন্ম নারায়ণগঞ্জে। তাঁর অভিনয় জীবনের শুরুটা হয়েছিল মূলত টেলিভিশনের মাধ্যমে। কিন্তু তাঁর প্রতিভা তাঁকে দ্রুতই নিয়ে আসে রুপালী পর্দার জগতে। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র ‘ডাকুয়া’ (১৯৮৪) দিয়েই তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়ে তিনি খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

দিতির অভিনয়ের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল তাঁর স্বাভাবিকতা। তিনি যে কোনো চরিত্রেই নিজেকে অনায়াসে মানিয়ে নিতেন। তাঁর অভিনয় কখোনই মনে হতো না যে তিনি অভিনয় করছেন। তাঁর চোখ, তাঁর হাসি, তাঁর কথা বলার ধরন-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক মায়াবী আকর্ষণ। তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘হীরামতি’, ‘স্বামী স্ত্রী’, ‘ভাইজান’, ‘প্রেমের মরা’, এবং ‘অজান্তে’। প্রতিটি ছবিতেই তিনি তাঁর অভিনয়ের ছাপ রেখে গেছেন।

দিতি শুধু একজন অভিনেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত মার্জিত এবং সুশিক্ষিত মানুষ। তাঁর চলাফেরা, কথা বলা-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক আভিজাত্য। তিনি সর্বদা শালীনতা বজায় রেখে চলেছেন এবং দর্শকদের কাছে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তাঁর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও অনেক নতুন অভিনেত্রীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

চিত্রনায়িকা দিতি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি আজও আমাদের মনে জাগ্রত। তাঁর অভিনীত প্রতিটি ছবি, তাঁর প্রতিটি সাক্ষাৎকার-সবকিছুর মাধ্যমেই তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তাঁর মিষ্টি হাসি আজও আমাদের মনে আনন্দ দেয়, তাঁর অভিনয় আজও আমাদের মুগ্ধ করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

চিত্রনায়িকা দিতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অভিনয় এবং ব্যক্তিত্ব আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জ্ঞাপন করি। তিনি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি হিসেবে বেঁচে থাকবেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শাহাজান সরদারকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি: এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নাম খোদাই করা আছে, যা সময়ের স্রোতেও ম্লান হয় না। তেমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্র চিত্রনায়িকা পারভীন সুলতানা দিতি। তাঁর সাবলীল অভিনয়, মিষ্টি হাসি আর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও কোটি দর্শকের মনে অম্লান। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারে আমরা আজ এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব, যাঁর প্রতিটি প্রতিচ্ছবি আজও এক সোনালী অধ্যায়ের গল্প বলে।

দিতির জন্ম নারায়ণগঞ্জে। তাঁর অভিনয় জীবনের শুরুটা হয়েছিল মূলত টেলিভিশনের মাধ্যমে। কিন্তু তাঁর প্রতিভা তাঁকে দ্রুতই নিয়ে আসে রুপালী পর্দার জগতে। ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র ‘ডাকুয়া’ (১৯৮৪) দিয়েই তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়ে তিনি খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

দিতির অভিনয়ের সবচেয়ে বড় গুণ ছিল তাঁর স্বাভাবিকতা। তিনি যে কোনো চরিত্রেই নিজেকে অনায়াসে মানিয়ে নিতেন। তাঁর অভিনয় কখোনই মনে হতো না যে তিনি অভিনয় করছেন। তাঁর চোখ, তাঁর হাসি, তাঁর কথা বলার ধরন-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক মায়াবী আকর্ষণ। তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘হীরামতি’, ‘স্বামী স্ত্রী’, ‘ভাইজান’, ‘প্রেমের মরা’, এবং ‘অজান্তে’। প্রতিটি ছবিতেই তিনি তাঁর অভিনয়ের ছাপ রেখে গেছেন।

দিতি শুধু একজন অভিনেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত মার্জিত এবং সুশিক্ষিত মানুষ। তাঁর চলাফেরা, কথা বলা-সবকিছুর মধ্যেই ছিল এক আভিজাত্য। তিনি সর্বদা শালীনতা বজায় রেখে চলেছেন এবং দর্শকদের কাছে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তাঁর মার্জিত ব্যক্তিত্ব আজও অনেক নতুন অভিনেত্রীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

চিত্রনায়িকা দিতি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি আজও আমাদের মনে জাগ্রত। তাঁর অভিনীত প্রতিটি ছবি, তাঁর প্রতিটি সাক্ষাৎকার-সবকিছুর মাধ্যমেই তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তাঁর মিষ্টি হাসি আজও আমাদের মনে আনন্দ দেয়, তাঁর অভিনয় আজও আমাদের মুগ্ধ করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

চিত্রনায়িকা দিতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অভিনয় এবং ব্যক্তিত্ব আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। ‘স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি’ ফিচারের মাধ্যমে আমরা তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জ্ঞাপন করি। তিনি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি হিসেবে বেঁচে থাকবেন।