1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি? খতিয়ানের মারপ্যাঁচ ও গ্রামীণ রাজনীতির শিকার: কালিগঞ্জের ভূমি বিরোধ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নেপথ্য চিত্র কালিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে ছাত্রীর বাল্যবিয়েতে ৩২ সহপাঠী! প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পণ্ড, শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে জনসেবায় এক অতন্দ্র প্রহরীর নাম: মোঃ মারুফ বিল্লাহ সাধারণ পুলে বৃত্তি পেল গুনজা দত্ত, আরিজপুরে বইছে আনন্দের হাওয়া কালিগঞ্জে মন্দিরের দেয়ালে বাঁশ লাগাকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদ ও থানায় অভিযোগ উদ্বোধকের অপেক্ষার অবসান, চাঁচাইয়ে শুরু হলো বৃক্ষমেলা ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন

কালিগঞ্জে বিদ্যুৎ সংকটে পানির ফিল্টারে উপচে পড়া ভিড়, চাহিদামতো পানি সরবরাহ বন্ধ

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে এবার বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রচণ্ড গরমে একদিকে ঘরে বিদ্যুৎ নেই, অন্যদিকে উপজেলা জুড়ে খাওয়ার পানির জন্য হাহাকার পড়ে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়াটার পিউরিফায়ার (ফিল্টার) এবং মোটর সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে সুপেয় পানির জন্য স্থানীয় কমার্শিয়াল পানির ফিল্টার স্টেশনগুলোতে ভিড় করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে আজ রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর, ভদ্রখালি, পানিয়া, কালিগঞ্জসহ বিভিন্ন ওয়াটার ফিল্টার স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় ভুক্তভোগী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ভ্যান, সাইকেল, কিংবা কাঁধে করে পানির জার ও বোতল নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন শত শত গ্রাহক। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেকে চাহিদা মতো পানি পাচ্ছেন না, যার ফলে চরম হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকের বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। আর যখন আসে, তখন ভোল্টেজ এত কম থাকে যে পানির মোটর চালানো তো দূরের কথা, একটা ফ্যানও ঠিকমতো ঘোরে না। তীব্র গরমে একদিকে যেমন জনজীবন ওষ্ঠাগত, অন্যদিকে রান্নাবান্না ও খাওয়ার পানির মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে এখন রাতের বেলাতেও লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

পানি নিতে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাণিজ্যিক ফিল্টার প্ল্যান্টগুলোও সময়মতো পানি উৎপাদন ও সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সামনে কুরবানি ঈদ, এই সময়ে পানির চাহিদা আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নতি না হলে এই পানির সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন উপজেলার সচেতন মহল।

ভুক্তভোগী সর্বস্তরের জনতা কালিগঞ্জের এই চরম বিদ্যুৎ ও পানি সংকট নিরসনে এবং পল্লী বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনা দূর করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন—শিক্ষককে কতটা শিক্ষক থাকতে দিচ্ছি?

কালিগঞ্জে বিদ্যুৎ সংকটে পানির ফিল্টারে উপচে পড়া ভিড়, চাহিদামতো পানি সরবরাহ বন্ধ

আপডেট সময় : ১০:০৩:০৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে এবার বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রচণ্ড গরমে একদিকে ঘরে বিদ্যুৎ নেই, অন্যদিকে উপজেলা জুড়ে খাওয়ার পানির জন্য হাহাকার পড়ে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়াটার পিউরিফায়ার (ফিল্টার) এবং মোটর সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে সুপেয় পানির জন্য স্থানীয় কমার্শিয়াল পানির ফিল্টার স্টেশনগুলোতে ভিড় করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে আজ রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর, ভদ্রখালি, পানিয়া, কালিগঞ্জসহ বিভিন্ন ওয়াটার ফিল্টার স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় ভুক্তভোগী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ভ্যান, সাইকেল, কিংবা কাঁধে করে পানির জার ও বোতল নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন শত শত গ্রাহক। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেকে চাহিদা মতো পানি পাচ্ছেন না, যার ফলে চরম হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকের বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। আর যখন আসে, তখন ভোল্টেজ এত কম থাকে যে পানির মোটর চালানো তো দূরের কথা, একটা ফ্যানও ঠিকমতো ঘোরে না। তীব্র গরমে একদিকে যেমন জনজীবন ওষ্ঠাগত, অন্যদিকে রান্নাবান্না ও খাওয়ার পানির মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে এখন রাতের বেলাতেও লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

পানি নিতে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বাণিজ্যিক ফিল্টার প্ল্যান্টগুলোও সময়মতো পানি উৎপাদন ও সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সামনে কুরবানি ঈদ, এই সময়ে পানির চাহিদা আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নতি না হলে এই পানির সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন উপজেলার সচেতন মহল।

ভুক্তভোগী সর্বস্তরের জনতা কালিগঞ্জের এই চরম বিদ্যুৎ ও পানি সংকট নিরসনে এবং পল্লী বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনা দূর করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।