1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত অর্জুন-দেব মুখোমুখি, লাবনীর ‘ডিভোর্স’, ৮ দিনের মাথায় সাতপাকে নতুন বর কালিগঞ্জে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়াচ্ছে ‘দৌড়’ কালিগঞ্জে সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি; প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শ্যামনগরে কদবেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কালিগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ধলবাড়িয়ায় গাজী পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ফের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন শওকাত হোসেন কালিগঞ্জে জুয়েলার্সের শাটার-লকার ভেঙে চুরি, স্বর্ণ-রুপা ও নগদ টাকা খোয়া

লুটপাট অফিসারের বিদায় ঘন্টা ‘প্রেতাত্মা’ কি কৃষি অফিসে? কালিগঞ্জে কৃষকের সেচ পাম্পের আবেদন আটকে দেওয়ার নেপথ্যে কার সিন্ডিকেট?

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৫২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ ইশারাত আলী :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের প্রবীণ কৃষক মো. রুহুল আমিন গাজীর সেচ পাম্পের আবেদন আটকে রাখা এবং তাঁর দুটি বৈধ লেয়ার বাতিলের ঘটনায় স্থানীয় কৃষি বিভাগের দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। বাইরে থেকে দেখলে এটিকে স্রেফ প্রশাসনিক জটিলতা মনে হতে পারে, কিন্তু এর গভীরে রয়েছে এক ভয়ংকর সিন্ডিকেট-যার শেকড় প্রোথিত রয়েছে সদ্য বিদায়ী কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসীম উদ্দীন ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের যৌথ কারসাজিতে ভরা। নথির মারপ্যাঁচ, অনিয়মের বরপুত্র আর এক প্রবীণ কৃষকের সর্বস্বান্ত হওয়ার বিষয়টি এখন কালিগঞ্জে বেশ আলোচিত।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত নথিপত্র এবং কালপঞ্জি দেখলে কালিগঞ্জ কৃষি অফিসের ভেতরের অনিয়মের আসল চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোনো ধরনের লেয়ার বা পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই গত ৫ এপ্রিল আবেদন করেন একই এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান। অন্যদিকে, সমস্ত নিয়ম মেনে, দুটি লেয়ারসহ যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গত ১৬ জুন আবেদন জমা দেন প্রবীণ কৃষক রুহুল আমিন গাজী। গত ২৫ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সভাকক্ষে মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় কোনো নিয়ম বা লেয়ার ছাড়াই মোস্তাফিজুর রহমানের আবেদন পাস করিয়ে নেওয়া হয়! অথচ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের পূর্ববর্তী ভুল পরামর্শ ও প্রলোভনে পাইপ বসানো রুহুল আমিন গাজীর দুটি লেয়ার পরিকল্পিতভাবে বাতিল করা হয়। এখানেই কি কৃষি অফিসের লুটপাট অফিসারের বিদায় ঘন্টা!

এই দ্বিমুখী নীতি ও পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রবীণ কৃষক রুহুল আমিনের গচ্চা গেছে প্রায় ১ লক্ষ টাকা। আর এই নগ্ন বৈষম্যের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী কৃষকদের একটাই জোরালো দাবি-এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে অবিলম্বে রাঙামাটিতে বদলি করা হোক।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুহুল আমিন গাজী বলেন, “কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের পরামর্শে পাইপ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে আমার প্রায় লক্ষাধিক টাকা খরচ ও অপচয় হয়েছে। সব নিয়ম মেনে কাজ করার পরও আমার ফাইল উপজেলা মিটিংয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তোলা হলো না। উল্টো দুটি লেয়ার বাতিল করে আমাকে নিঃস্ব করার পাঁয়তারা চলছে। এই ১ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?”

এ বিষয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলিম আল রাজি তাপস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রুহুল আমিন গাজীর বৈধ লেয়ার বাতিল করে অন্যজনকে অবৈধভাবে সেই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার পেছনে শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই এই দুর্নীতির আসল রূপ বেরিয়ে আসবে।”

ন্যায়বিচার পেতে গত ৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত প্রতিকার চান প্রবীণ এই কৃষক। ইউএনও মহোদয়ের হস্তক্ষেপে তাঁকে কৃষি অফিসে পাঠানো হলেও সেখানে তাঁকে দিনের পর দিন ঘোরানো হয় এবং ভিন্ন জমির দাগ-খতিয়ান দিতে বলা হয়—যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও হয়রানিমূলক। দিনের পর দিন ঘুরেও যখন কোনো সুরাহা মেলেনি, তখন বাধ্য হয়ে তিনি প্রশাসনের শীর্ষ মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান দায়সারাভাবে দাবি করেন, “তিনি দেরিতে আবেদন করেছেন, তাই উপজেলা মিটিংয়ে পাস হয়নি। আবার আবেদন করলে দেখা হবে।” নিজের অপকর্ম ঢাকতে তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেও নথিপত্র জনসমক্ষে আনার প্রশ্নে বরাবরই চুপ থেকেছেন।

সদ্য বদলি হওয়া কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসীম উদ্দীনের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক সিন্ডিকেট ‘প্রেতাত্মা’ এখনও বহাল তবিয়তে সক্রিয়, তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট। সত্য উদ্ঘাটনে অবিলম্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে নিচের প্রশ্নগুলোর জবাব কৃষকরা

 কোন জাদুবলে ৫ এপ্রিলের লেয়ারবিহীন মোস্তাফিজুরের আবেদন পাস হলো, আর ১৬ জুনের নিয়মতান্ত্রিক রুহুল আমিনের ফাইল চাপা দেওয়া হলো? উপজেলা সভার কোন গোপন রেজুলেশনে এই আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে, তার কার্যবিবরণীর কপি কোথায়? একই ব্লকে বা ইউনিয়নে গত ছয় মাসে যতগুলো সেচ পাম্পের লেয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাদের দূরত্বের মাপ ও কাগজপত্রের সাথে রুহুল আমিনের ফাইলের তুলনামূলক মূল্যায়ন প্রকাশ করা হোক।

প্রবীণ কৃষক রুহুল আমিন গাজীর পরিষ্কার কথা-নথি কথা বলুক, প্রশাসনিক তদন্ত হোক হয়রানির অবসান হোক। কালিগঞ্জ কৃষি অফিস কোনো দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট বা বিশেষ মহলের লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত হতে পারে না। অবিলম্বে এই দুর্নীতির বিচার না হলে স্থানীয় কৃষকরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা

লুটপাট অফিসারের বিদায় ঘন্টা ‘প্রেতাত্মা’ কি কৃষি অফিসে? কালিগঞ্জে কৃষকের সেচ পাম্পের আবেদন আটকে দেওয়ার নেপথ্যে কার সিন্ডিকেট?

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৫২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ ইশারাত আলী :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের প্রবীণ কৃষক মো. রুহুল আমিন গাজীর সেচ পাম্পের আবেদন আটকে রাখা এবং তাঁর দুটি বৈধ লেয়ার বাতিলের ঘটনায় স্থানীয় কৃষি বিভাগের দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। বাইরে থেকে দেখলে এটিকে স্রেফ প্রশাসনিক জটিলতা মনে হতে পারে, কিন্তু এর গভীরে রয়েছে এক ভয়ংকর সিন্ডিকেট-যার শেকড় প্রোথিত রয়েছে সদ্য বিদায়ী কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসীম উদ্দীন ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের যৌথ কারসাজিতে ভরা। নথির মারপ্যাঁচ, অনিয়মের বরপুত্র আর এক প্রবীণ কৃষকের সর্বস্বান্ত হওয়ার বিষয়টি এখন কালিগঞ্জে বেশ আলোচিত।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত নথিপত্র এবং কালপঞ্জি দেখলে কালিগঞ্জ কৃষি অফিসের ভেতরের অনিয়মের আসল চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোনো ধরনের লেয়ার বা পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই গত ৫ এপ্রিল আবেদন করেন একই এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান। অন্যদিকে, সমস্ত নিয়ম মেনে, দুটি লেয়ারসহ যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গত ১৬ জুন আবেদন জমা দেন প্রবীণ কৃষক রুহুল আমিন গাজী। গত ২৫ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সভাকক্ষে মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় কোনো নিয়ম বা লেয়ার ছাড়াই মোস্তাফিজুর রহমানের আবেদন পাস করিয়ে নেওয়া হয়! অথচ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের পূর্ববর্তী ভুল পরামর্শ ও প্রলোভনে পাইপ বসানো রুহুল আমিন গাজীর দুটি লেয়ার পরিকল্পিতভাবে বাতিল করা হয়। এখানেই কি কৃষি অফিসের লুটপাট অফিসারের বিদায় ঘন্টা!

এই দ্বিমুখী নীতি ও পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রবীণ কৃষক রুহুল আমিনের গচ্চা গেছে প্রায় ১ লক্ষ টাকা। আর এই নগ্ন বৈষম্যের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী কৃষকদের একটাই জোরালো দাবি-এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে অবিলম্বে রাঙামাটিতে বদলি করা হোক।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুহুল আমিন গাজী বলেন, “কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের পরামর্শে পাইপ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে আমার প্রায় লক্ষাধিক টাকা খরচ ও অপচয় হয়েছে। সব নিয়ম মেনে কাজ করার পরও আমার ফাইল উপজেলা মিটিংয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তোলা হলো না। উল্টো দুটি লেয়ার বাতিল করে আমাকে নিঃস্ব করার পাঁয়তারা চলছে। এই ১ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?”

এ বিষয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলিম আল রাজি তাপস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রুহুল আমিন গাজীর বৈধ লেয়ার বাতিল করে অন্যজনকে অবৈধভাবে সেই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার পেছনে শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই এই দুর্নীতির আসল রূপ বেরিয়ে আসবে।”

ন্যায়বিচার পেতে গত ৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত প্রতিকার চান প্রবীণ এই কৃষক। ইউএনও মহোদয়ের হস্তক্ষেপে তাঁকে কৃষি অফিসে পাঠানো হলেও সেখানে তাঁকে দিনের পর দিন ঘোরানো হয় এবং ভিন্ন জমির দাগ-খতিয়ান দিতে বলা হয়—যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও হয়রানিমূলক। দিনের পর দিন ঘুরেও যখন কোনো সুরাহা মেলেনি, তখন বাধ্য হয়ে তিনি প্রশাসনের শীর্ষ মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান দায়সারাভাবে দাবি করেন, “তিনি দেরিতে আবেদন করেছেন, তাই উপজেলা মিটিংয়ে পাস হয়নি। আবার আবেদন করলে দেখা হবে।” নিজের অপকর্ম ঢাকতে তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেও নথিপত্র জনসমক্ষে আনার প্রশ্নে বরাবরই চুপ থেকেছেন।

সদ্য বদলি হওয়া কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসীম উদ্দীনের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক সিন্ডিকেট ‘প্রেতাত্মা’ এখনও বহাল তবিয়তে সক্রিয়, তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট। সত্য উদ্ঘাটনে অবিলম্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে নিচের প্রশ্নগুলোর জবাব কৃষকরা

 কোন জাদুবলে ৫ এপ্রিলের লেয়ারবিহীন মোস্তাফিজুরের আবেদন পাস হলো, আর ১৬ জুনের নিয়মতান্ত্রিক রুহুল আমিনের ফাইল চাপা দেওয়া হলো? উপজেলা সভার কোন গোপন রেজুলেশনে এই আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে, তার কার্যবিবরণীর কপি কোথায়? একই ব্লকে বা ইউনিয়নে গত ছয় মাসে যতগুলো সেচ পাম্পের লেয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাদের দূরত্বের মাপ ও কাগজপত্রের সাথে রুহুল আমিনের ফাইলের তুলনামূলক মূল্যায়ন প্রকাশ করা হোক।

প্রবীণ কৃষক রুহুল আমিন গাজীর পরিষ্কার কথা-নথি কথা বলুক, প্রশাসনিক তদন্ত হোক হয়রানির অবসান হোক। কালিগঞ্জ কৃষি অফিস কোনো দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট বা বিশেষ মহলের লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত হতে পারে না। অবিলম্বে এই দুর্নীতির বিচার না হলে স্থানীয় কৃষকরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।