1. tusu0x1@gmail.com : :
  2. ovawp@ova-tools.top : ova_wp :
  3. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে ১৬০ শিশুর স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বৃষ্টিতে কাদাপথ; নতুন ভবন কবে হবে? নেপালের রাশুয়ার বন্যার পানি কি তেঁতুলিয়ায় ঢুকছে? গুজবের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি? কালিগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা-থানায় লিখিত অভিযোগ দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি. এম. নূর ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন কালিগঞ্জে সার ডিলারকে জরিমানা-সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, অফিশিয়াল ক্যাশ মেমোর পরিবর্তে সাদা কাগজে হাতে লেখা রসিদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ কালিগঞ্জে ঠেকরায় চলাচলের পথ কেটে মাটি পুকু‌রে ফেলার অভিযোগ। কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শ.ম মমতাজুর রহমানের ইন্তেকাল কালিগঞ্জে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় : মাদক-সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে কালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম রফুর মৃত্যু

ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ও নতুন উত্তেজনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৮৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেক্স :

আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানি এবং কার্গো জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া। ইরান একে “জলদস্যুতা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং জানিয়েছে যে তারা এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করবে।

বিশ্লেষণে যেমনটি বলা হয়েছে, ইরান এই সংকটের মধ্যেও অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছে। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ থেকে ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা ইরানের আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ প্রতি প্রায় ১০ থেকে ২০ লক্ষ ডলার (১-২ মিলিয়ন ইউএসডি) পর্যন্ত ‘টোল’ বা ফি আদায় করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ৬ সপ্তাহে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৭৯ সাল থেকে অবরোধের মধ্যে থাকায় ইরানের অর্থনীতি এই ধরণের চাপে অভ্যস্ত। যদিও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা গভীর, তবুও বর্তমান তেলের উচ্চমূল্য ও টোল আদায় তাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দিচ্ছে।

 হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই বন্দর অবরোধের ফলে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। এর ফলে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ-অবরোধে অংশ নেবেন না। ফ্রান্স ও ব্রিটেন নৌ-চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি আলাদা “বহুজাতিক মিশন” তৈরির পরিকল্পনা করছে। রাশিয়া ও চীন ক্রেমলিন সতর্ক করেছে যে, এই অবরোধ বিশ্ব বাজারের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসবে।

ইরান এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালীকে একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তেলের বাড়তি দাম এবং জাহাজ থেকে আদায় করা টোল তাদের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের কৌশলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে ১৬০ শিশুর স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বৃষ্টিতে কাদাপথ; নতুন ভবন কবে হবে?

ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ও নতুন উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

নিউজ ডেক্স :

আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানি এবং কার্গো জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া। ইরান একে “জলদস্যুতা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং জানিয়েছে যে তারা এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করবে।

বিশ্লেষণে যেমনটি বলা হয়েছে, ইরান এই সংকটের মধ্যেও অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছে। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ থেকে ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা ইরানের আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ প্রতি প্রায় ১০ থেকে ২০ লক্ষ ডলার (১-২ মিলিয়ন ইউএসডি) পর্যন্ত ‘টোল’ বা ফি আদায় করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ৬ সপ্তাহে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৭৯ সাল থেকে অবরোধের মধ্যে থাকায় ইরানের অর্থনীতি এই ধরণের চাপে অভ্যস্ত। যদিও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা গভীর, তবুও বর্তমান তেলের উচ্চমূল্য ও টোল আদায় তাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দিচ্ছে।

 হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই বন্দর অবরোধের ফলে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। এর ফলে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ-অবরোধে অংশ নেবেন না। ফ্রান্স ও ব্রিটেন নৌ-চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি আলাদা “বহুজাতিক মিশন” তৈরির পরিকল্পনা করছে। রাশিয়া ও চীন ক্রেমলিন সতর্ক করেছে যে, এই অবরোধ বিশ্ব বাজারের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসবে।

ইরান এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালীকে একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তেলের বাড়তি দাম এবং জাহাজ থেকে আদায় করা টোল তাদের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের কৌশলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।