1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে রথযাত্রা ঘিরে বিএনপির ‘কঠোর সতর্কতা’: নাশকতা রুখতে মাঠে থাকার নির্দেশ হাড়দ্দহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠিত কালিগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড়: ফোন ধরেন না সাংবাদিকদের, ক্ষুব্ধ শিক্ষক-অভিভাবক সতেরো বছরের ছায়া : অনিয়মের উত্তরাধিকার ভাঙতে হলে জবাবদিহিই একমাত্র পথ কালিগঞ্জে সরকারি পুকুর সংলগ্ন ড্রেন সংস্কার কাজের উদ্বোধন, উপকৃত হবে ৪০০ পরিবার অবশেষে প্রত্যাহার কালিগঞ্জের সেই বিতর্কিত অধ্যক্ষ হুমায়ন কবীর: শিক্ষক বদলি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ? নাকি নতুন বানিজ্য! সম্পাদকীয়: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ও শিক্ষা খাতের সংকট কালিগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা মামলার আসামিসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার কালিগঞ্জ থানায় ককটেল বিষ্ফোরনে আহত শ্রমিক রফিকুলের পাশে দাঁড়ালেন ওসি শহিদুল ইসলাম ভদ্রখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, মোঃ জুলহক সরদার সভাপতি-সদস্য সচিব জেসমিন কাকুলী

ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ও নতুন উত্তেজনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেক্স :

আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানি এবং কার্গো জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া। ইরান একে “জলদস্যুতা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং জানিয়েছে যে তারা এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করবে।

বিশ্লেষণে যেমনটি বলা হয়েছে, ইরান এই সংকটের মধ্যেও অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছে। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ থেকে ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা ইরানের আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ প্রতি প্রায় ১০ থেকে ২০ লক্ষ ডলার (১-২ মিলিয়ন ইউএসডি) পর্যন্ত ‘টোল’ বা ফি আদায় করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ৬ সপ্তাহে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৭৯ সাল থেকে অবরোধের মধ্যে থাকায় ইরানের অর্থনীতি এই ধরণের চাপে অভ্যস্ত। যদিও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা গভীর, তবুও বর্তমান তেলের উচ্চমূল্য ও টোল আদায় তাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দিচ্ছে।

 হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই বন্দর অবরোধের ফলে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। এর ফলে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ-অবরোধে অংশ নেবেন না। ফ্রান্স ও ব্রিটেন নৌ-চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি আলাদা “বহুজাতিক মিশন” তৈরির পরিকল্পনা করছে। রাশিয়া ও চীন ক্রেমলিন সতর্ক করেছে যে, এই অবরোধ বিশ্ব বাজারের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসবে।

ইরান এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালীকে একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তেলের বাড়তি দাম এবং জাহাজ থেকে আদায় করা টোল তাদের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের কৌশলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে রথযাত্রা ঘিরে বিএনপির ‘কঠোর সতর্কতা’: নাশকতা রুখতে মাঠে থাকার নির্দেশ

ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ও নতুন উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

নিউজ ডেক্স :

আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানি এবং কার্গো জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া। ইরান একে “জলদস্যুতা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং জানিয়েছে যে তারা এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করবে।

বিশ্লেষণে যেমনটি বলা হয়েছে, ইরান এই সংকটের মধ্যেও অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছে। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ থেকে ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা ইরানের আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ প্রতি প্রায় ১০ থেকে ২০ লক্ষ ডলার (১-২ মিলিয়ন ইউএসডি) পর্যন্ত ‘টোল’ বা ফি আদায় করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ৬ সপ্তাহে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৭৯ সাল থেকে অবরোধের মধ্যে থাকায় ইরানের অর্থনীতি এই ধরণের চাপে অভ্যস্ত। যদিও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা গভীর, তবুও বর্তমান তেলের উচ্চমূল্য ও টোল আদায় তাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দিচ্ছে।

 হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই বন্দর অবরোধের ফলে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। এর ফলে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ-অবরোধে অংশ নেবেন না। ফ্রান্স ও ব্রিটেন নৌ-চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি আলাদা “বহুজাতিক মিশন” তৈরির পরিকল্পনা করছে। রাশিয়া ও চীন ক্রেমলিন সতর্ক করেছে যে, এই অবরোধ বিশ্ব বাজারের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসবে।

ইরান এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালীকে একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তেলের বাড়তি দাম এবং জাহাজ থেকে আদায় করা টোল তাদের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের কৌশলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।