1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শাহাজান সরদারকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৯ ঘণ্টা চলল বুলডোজার বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে বিস্ফোরণ, উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা কালিগঞ্জে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ বিক্রেতা ও ক্রেতা আটক, ইউপি চেয়ারম্যানের তৎপরতায় পুলিশে সোপর্দ কালিগঞ্জের ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন: সভাপতি লুৎফর, সহ-সভাপতি লিটন কালিগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৈতৃক জমি দখলে ‘ভেকু বাহিনীর’ তাণ্ডব: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা কালিগঞ্জে বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা কালিগঞ্জে প্রতিবন্ধী পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ছাগল উপহার কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোশাররফ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত : যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

কালিগঞ্জে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালি উত্তোলন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:২৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) থেকে :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চৌধুরআটি গ্রামের ঝুরঝুরিয়া খাল থেকে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ঝুরঝুরিয়া খালের মানপুর নামক স্থানে হাশেমের বাড়ির সামনে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নির্বিচারে বালি তুলছে। চৌধুরআটি গ্রামের আরশাদ গাজীর ছেলে রফিকুল, অমেদ গাজীর ছেলে খোকন এবং আখতারুলের নেতৃত্বে এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে। উত্তোলিত বালি চৌধুরআটি গ্রামের একটি পুকুর ভরাটের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে খালের নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) একাধিকবার মোবাইল ফোনে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ এক সপ্তাহ পার হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কোনো অভিযান পরিচালনা বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে-কার ছত্রছায়ায় এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে?

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া নদী বা খাল থেকে বালি উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শাহাজান সরদারকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কালিগঞ্জে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালি উত্তোলন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:২৬:২৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

নিজেস্ব প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) থেকে :

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চৌধুরআটি গ্রামের ঝুরঝুরিয়া খাল থেকে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ঝুরঝুরিয়া খালের মানপুর নামক স্থানে হাশেমের বাড়ির সামনে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নির্বিচারে বালি তুলছে। চৌধুরআটি গ্রামের আরশাদ গাজীর ছেলে রফিকুল, অমেদ গাজীর ছেলে খোকন এবং আখতারুলের নেতৃত্বে এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে। উত্তোলিত বালি চৌধুরআটি গ্রামের একটি পুকুর ভরাটের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে খালের নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) একাধিকবার মোবাইল ফোনে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ এক সপ্তাহ পার হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কোনো অভিযান পরিচালনা বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে-কার ছত্রছায়ায় এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে?

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া নদী বা খাল থেকে বালি উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।