1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে জিয়া পরিষদের নতুন কমিটি গঠিত: অলিউল সভাপতি, নুরুজ্জামান সম্পাদক, শিমুল সাংগঠনিক তালা উপজেলার গোনালী নলতা বিলের খাল কাটার মাটি ইটভাটায়: আইন অমান্যের অভিযোগ সকাল ৮টায় আর্জেন্টিনার ম্যাচ, দলে ৯ পরিবর্তন, মেসি ছাড়া মুল একাদশ, বেঞ্চের খেলোয়াড় সুযোগ পাবেন আজ কালিগঞ্জের মাদকা‌টি গ্রা‌মে ঐতিহ্যবাহী ‘ঘৌড় দৌড় প্রতিযোগিতা’: হাজার হাজার মানুষের ঢল নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন কালিগঞ্জের আব্দুল হালিম বিশ্বকাপের জ্বরে কাঁপছে গোবিন্দপুর : কালিগঞ্জে মোড়ে মোড়ে ফুটবল প্রেমীদের উৎসবের জোয়ার স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি: এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি বিদেশ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দক্ষিণ ফিলিপাইনে ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: উপকূলীয় এলাকায় বড় ধরনের ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তন সম্পাদকীয় : সাংবাদিকতার সংকট ও নিরপেক্ষতার দায়বদ্ধতা

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৮৬৬ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স নিউজ :

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার বিরুদ্ধে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,৩০০টিরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ (No Kings) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ এই একদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, যা আমেরিকার ইতিহাসে একক দিনে বৃহত্তম প্রতিবাদ হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এবারের বিক্ষোভের তীব্রতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ মিনেসোটার ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’। গত ৭ জানুয়ারি ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড (Renee Good) নিহত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া এক মাস আগে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে উঠেছে।

বিক্ষোভকারীরা মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তাদের আন্দোলন পরিচালনা করছেন ‘নো কিংস’ স্লোগানটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইছেন যে, আমেরিকা কোনো রাজার দেশ নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল ক্ষমতা বৃদ্ধিকে তারা ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। দেশজুড়ে অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্নে (৩৬%) নেমে এসেছে।

বিক্ষোভের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র আবিগেইল জ্যাকসন এই আন্দোলনকে “ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন” বলে উপহাস করেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই বিক্ষোভের পেছনে বামপন্থী অর্থায়ন রয়েছে এবং সাধারণ জনগণের এতে কোনো সমর্থন নেই। যদিও রাজপথের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে।

আমেরিকার গণ্ডি পেরিয়ে এই বিক্ষোভ এখন আমস্টারডাম, মাদ্রিদ এবং রোমের মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ‘নো কিংস’ মুভমেন্ট কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে জিয়া পরিষদের নতুন কমিটি গঠিত: অলিউল সভাপতি, নুরুজ্জামান সম্পাদক, শিমুল সাংগঠনিক

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ডেক্স নিউজ :

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার বিরুদ্ধে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,৩০০টিরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ (No Kings) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ এই একদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, যা আমেরিকার ইতিহাসে একক দিনে বৃহত্তম প্রতিবাদ হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এবারের বিক্ষোভের তীব্রতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ মিনেসোটার ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’। গত ৭ জানুয়ারি ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড (Renee Good) নিহত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া এক মাস আগে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে উঠেছে।

বিক্ষোভকারীরা মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তাদের আন্দোলন পরিচালনা করছেন ‘নো কিংস’ স্লোগানটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইছেন যে, আমেরিকা কোনো রাজার দেশ নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল ক্ষমতা বৃদ্ধিকে তারা ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। দেশজুড়ে অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্নে (৩৬%) নেমে এসেছে।

বিক্ষোভের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র আবিগেইল জ্যাকসন এই আন্দোলনকে “ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন” বলে উপহাস করেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই বিক্ষোভের পেছনে বামপন্থী অর্থায়ন রয়েছে এবং সাধারণ জনগণের এতে কোনো সমর্থন নেই। যদিও রাজপথের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে।

আমেরিকার গণ্ডি পেরিয়ে এই বিক্ষোভ এখন আমস্টারডাম, মাদ্রিদ এবং রোমের মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ‘নো কিংস’ মুভমেন্ট কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।