1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত অর্জুন-দেব মুখোমুখি, লাবনীর ‘ডিভোর্স’, ৮ দিনের মাথায় সাতপাকে নতুন বর কালিগঞ্জে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়াচ্ছে ‘দৌড়’ কালিগঞ্জে সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি; প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শ্যামনগরে কদবেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কালিগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ধলবাড়িয়ায় গাজী পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ফের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন শওকাত হোসেন কালিগঞ্জে জুয়েলার্সের শাটার-লকার ভেঙে চুরি, স্বর্ণ-রুপা ও নগদ টাকা খোয়া

ভোটের অপেক্ষায় ইউনিয়ন, কিন্তু ক্যালেন্ডারে এখনো মেলেনি ভোটের দিন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:৩৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

গ্রামের চায়ের দোকানে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা হিসাব কষছেন, কর্মী-সমর্থকেরা নড়েচড়ে বসেছেন, আর ভোটারদের মধ্যেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। কিন্তু সব অপেক্ষার কেন্দ্রে থাকা একটি প্রশ্নের উত্তর এখনো দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন—ইউনিয়ন পরিষদের ভোট হবে কবে?

আগামী ১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই পরিকল্পনাকে সামনে রেখেই অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পরও ভোটের দিন-তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

কারণ একটাই নয়। সামনে পরীক্ষা, রমজান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যস্ততা এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি। সবকিছুকে একই ক্যালেন্ডারে জায়গা দিতে গিয়ে আটকে গেছে ভোটের দিন।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগামী বছরের ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। তবে নির্বাচন শুরু হবে কবে, সেই তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় নির্বাচনের জন্য সময় খুবই সীমিত। জানুয়ারিতে কিছুটা সুযোগ থাকলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতে রমজান। রমজান শেষে আবার শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। এরপর এসএসসি পরীক্ষা শেষ থেকে ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত পাওয়া সময়টুকুই এখন কমিশনের হিসাবের খাতা।

অর্থাৎ ভোটের জন্য সময় আছে, কিন্তু সেই সময়টা টুকরো টুকরো।

শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকেও বৈঠকে উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। বন্যার কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় তৈরি হওয়া ক্ষতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা যায়নি। এর মধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতিও রয়েছে। নির্বাচনের কারণে কোনো পরীক্ষা যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনও এসব বিষয়কে যৌক্তিক বলে মনে করছে। ফলে এখন চলছে সময় মেলানোর হিসাব।

তবে আগের পরিকল্পনা বাতিল হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ। ১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা থেকে কমিশন সরে এসেছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মোটেও না।”

তার ভাষায়, আগের সময়সূচি ছিল সম্ভাব্য। ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের পর সেটি চূড়ান্ত করার কথা ছিল। এখন বৈঠক থেকে পাওয়া নতুন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সময়সূচি তৈরি করা হবে।

এর সঙ্গে যোগ হবে নির্বাচনের বাজেট, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং মাঠপর্যায়ের অন্যান্য কাজ।

তাই ইউনিয়নগুলোর অপেক্ষা আপাতত আরও কিছুটা দীর্ঘ হচ্ছে। প্রার্থীরা প্রস্তুত, ভোটাররা অপেক্ষায়, আর নির্বাচন কমিশনের টেবিলে এখনো চলছে ক্যালেন্ডারের পাতার সঙ্গে ভোটের দিনের হিসাব মেলানোর কাজ।

কমিশনের ভাষ্য, প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা

ভোটের অপেক্ষায় ইউনিয়ন, কিন্তু ক্যালেন্ডারে এখনো মেলেনি ভোটের দিন

আপডেট সময় : ১০:০৯:৩৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রামের চায়ের দোকানে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা হিসাব কষছেন, কর্মী-সমর্থকেরা নড়েচড়ে বসেছেন, আর ভোটারদের মধ্যেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। কিন্তু সব অপেক্ষার কেন্দ্রে থাকা একটি প্রশ্নের উত্তর এখনো দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন—ইউনিয়ন পরিষদের ভোট হবে কবে?

আগামী ১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই পরিকল্পনাকে সামনে রেখেই অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পরও ভোটের দিন-তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

কারণ একটাই নয়। সামনে পরীক্ষা, রমজান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যস্ততা এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি। সবকিছুকে একই ক্যালেন্ডারে জায়গা দিতে গিয়ে আটকে গেছে ভোটের দিন।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগামী বছরের ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। তবে নির্বাচন শুরু হবে কবে, সেই তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় নির্বাচনের জন্য সময় খুবই সীমিত। জানুয়ারিতে কিছুটা সুযোগ থাকলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতে রমজান। রমজান শেষে আবার শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। এরপর এসএসসি পরীক্ষা শেষ থেকে ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত পাওয়া সময়টুকুই এখন কমিশনের হিসাবের খাতা।

অর্থাৎ ভোটের জন্য সময় আছে, কিন্তু সেই সময়টা টুকরো টুকরো।

শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকেও বৈঠকে উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। বন্যার কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় তৈরি হওয়া ক্ষতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা যায়নি। এর মধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতিও রয়েছে। নির্বাচনের কারণে কোনো পরীক্ষা যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনও এসব বিষয়কে যৌক্তিক বলে মনে করছে। ফলে এখন চলছে সময় মেলানোর হিসাব।

তবে আগের পরিকল্পনা বাতিল হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ। ১২ নভেম্বর থেকে সাত ধাপে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা থেকে কমিশন সরে এসেছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মোটেও না।”

তার ভাষায়, আগের সময়সূচি ছিল সম্ভাব্য। ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের পর সেটি চূড়ান্ত করার কথা ছিল। এখন বৈঠক থেকে পাওয়া নতুন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সময়সূচি তৈরি করা হবে।

এর সঙ্গে যোগ হবে নির্বাচনের বাজেট, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং মাঠপর্যায়ের অন্যান্য কাজ।

তাই ইউনিয়নগুলোর অপেক্ষা আপাতত আরও কিছুটা দীর্ঘ হচ্ছে। প্রার্থীরা প্রস্তুত, ভোটাররা অপেক্ষায়, আর নির্বাচন কমিশনের টেবিলে এখনো চলছে ক্যালেন্ডারের পাতার সঙ্গে ভোটের দিনের হিসাব মেলানোর কাজ।

কমিশনের ভাষ্য, প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।