সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে প্রধান সড়কে ওঠার দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ কেটে পুকুরের সাথে মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার ঠেকরা গ্রামের মো. জনাব আলী মোল্লা (৬৫)।
অভিযোগে জনাব আলী মোল্লা উল্লেখ করেন, উপজেলার ঠেকরা এলাকায় তাদের বসতবাড়ি থেকে প্রধান সড়কে ওঠার জন্য একমাত্র চলাচলের পথ রয়েছে। ওই পথ দিয়ে ১৫টি পরিবারের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে চলাচল করে আসছেন। তবে অভিযুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পথটি দখলের চেষ্টা ও চলাচলে বাঁধা দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়, এর আগে চলাচলের পথ সংস্কারের জন্য ইতিপূর্বে কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় অর্থ প্রদান করা হয়। পরে অভিযোগকারীরা নিজেদের খরচে মাটি ফেলে পথটি সংস্কার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে অভিযুক্তরা ওই পথের ওপর থেকে মাটি কেটে পুকুরে ফেলে পুকুরের সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদে বিচারাধীন রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ আগস্ট ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্তরা চলাচলের পথের মাটি কেটে পাশের পুকুরে ফেলে পথটি বন্ধ করে দেন। এ সময়ে পথটি কাটার কারণ জানতে চাইলে অভিযোগকারীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং মারধরের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলা হয়, এ বিষয়ে কথা বললে মারধরসহ বিভিন্নভাবে ক্ষতি করা হবে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
অভিযোগের সঙ্গে সাক্ষী হিসেবে মো. নুরুল ইসলাম মোল্লা, মো. ফারুক হোসেন ও মোছা. নুরজাহান বেগমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দীর্ঘদিনের চলাচলের পথটি উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগের কপি পেয়ে কালিগঞ্জ থানার পুলিশের উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে বলেন রাস্তাটি পুনরায় নির্মাণ করে চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দিয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত ক
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে ঠেকরায় চলাচলের পথ কেটে মাটি পুকুরে ফেলার অভিযোগ।
-
মোঃ ইশারাত আলী - আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
- ৭১ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ



















