1. satkhiranews24@yahoo.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা মানবতার টানে ২৪ বছর ধরে নিবেদিতপ্রাণ: মৌতলা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের কাণ্ডারি শেখ জাহাঙ্গীর আলম তবুও আশার আলোয় ভাসছে চাঁচাই বৃক্ষমেলা! নার্শারী মালিকরা ক্ষতির মুখে! ঝুলে আছে ফিতা কাটা উদ্বোধন কালিগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসি সভা অনুষ্ঠিত অর্জুন-দেব মুখোমুখি, লাবনীর ‘ডিভোর্স’, ৮ দিনের মাথায় সাতপাকে নতুন বর কালিগঞ্জে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়াচ্ছে ‘দৌড়’ কালিগঞ্জে সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি; প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শ্যামনগরে কদবেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কালিগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ধলবাড়িয়ায় গাজী পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ফের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন শওকাত হোসেন কালিগঞ্জে জুয়েলার্সের শাটার-লকার ভেঙে চুরি, স্বর্ণ-রুপা ও নগদ টাকা খোয়া

তালা উপজেলার গোনালী নলতা বিলের খাল কাটার মাটি ইটভাটায়: আইন অমান্যের অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪২ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৩৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিনিধি : 

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার গোনালী নলতা বিলের খাল খননের মাটি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অবাধে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পার্শ্ববর্তী আর বি এস (RBS) ইটভাটায়। স্থানীয় জনগণের তীব্র বাধা এবং খলিলনগর ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. আব্দুর রহমানের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এই অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খাল খননের নামে উত্তোলিত মাটি কোনো প্রকার নিলাম বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই সরাসরি ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি খাল খননের মাটি বিক্রির এই ঘটনা ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এবং ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’-এর সরাসরি লঙ্ঘন। আইনের ধারা অনুযায়ী, সরকারি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ থেকে প্রাপ্ত মাটি বা বালু এভাবে বাণিজ্যিকভাবে কোনো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করার সুযোগ নেই।

খলিলনগর ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. আব্দুর রহমান জানান, “আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলাম এবং নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে প্রভাবশালী মহল রাতের আঁধারে বা আড়ালে মাটি সরিয়ে নিচ্ছে।”

এ বিষয়ে আর বি এস (RBS) ইটভাটার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি মাটি লুটপাট করে আসছে। স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার অবহিত করা সত্ত্বেও কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তালার জনস্বার্থ রক্ষায় এই অবৈধ মাটি কাটার মহোৎসব বন্ধ এবং পরিবেশ আইন ভঙ্গের দায়ে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধলবাড়িয়ায় চেয়ারম্যান প্রচারণায় জিএম ফজলুল হক: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি – উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা

তালা উপজেলার গোনালী নলতা বিলের খাল কাটার মাটি ইটভাটায়: আইন অমান্যের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪২ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

নিজেস্ব প্রতিনিধি : 

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার গোনালী নলতা বিলের খাল খননের মাটি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অবাধে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পার্শ্ববর্তী আর বি এস (RBS) ইটভাটায়। স্থানীয় জনগণের তীব্র বাধা এবং খলিলনগর ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. আব্দুর রহমানের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এই অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খাল খননের নামে উত্তোলিত মাটি কোনো প্রকার নিলাম বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই সরাসরি ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি খাল খননের মাটি বিক্রির এই ঘটনা ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এবং ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’-এর সরাসরি লঙ্ঘন। আইনের ধারা অনুযায়ী, সরকারি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ থেকে প্রাপ্ত মাটি বা বালু এভাবে বাণিজ্যিকভাবে কোনো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করার সুযোগ নেই।

খলিলনগর ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. আব্দুর রহমান জানান, “আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলাম এবং নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে প্রভাবশালী মহল রাতের আঁধারে বা আড়ালে মাটি সরিয়ে নিচ্ছে।”

এ বিষয়ে আর বি এস (RBS) ইটভাটার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি মাটি লুটপাট করে আসছে। স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার অবহিত করা সত্ত্বেও কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তালার জনস্বার্থ রক্ষায় এই অবৈধ মাটি কাটার মহোৎসব বন্ধ এবং পরিবেশ আইন ভঙ্গের দায়ে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।