1. tusu0x1@gmail.com : :
  2. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে ঠেকরায় চলাচলের পথ কেটে মাটি পুকু‌রে ফেলার অভিযোগ। কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শ.ম মমতাজুর রহমানের ইন্তেকাল কালিগঞ্জে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় : মাদক-সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে কালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম রফুর মৃত্যু কলকাতায় হোটেলে আগুনে দগ্ধ হয়ে কালিগঞ্জের সাবেক আওয়ামী নেতা আলিমুজ্জামানের মৃত্যু- রেবতী সরকারের ঠিকানা পাওয়া যায়নি জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাতক্ষীরা পৌরসভাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে কালিগঞ্জ ‘খরচ বাড়ে, ভাড়া কমে’-কালিগঞ্জে ডেকোরেটর ব্যবসায় টিকে থাকার লড়াই, ‘ঐক্যবদ্ধ না হলে ডেকোরেটর ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন’-হেদায়েতুল ইসলাম কালিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহের আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল নিক্ষেপ: আহত ১, অবিস্ফোরিত দুটি বোমা উদ্ধার

লেবাননে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা  নাহিদুলের বাড়িতে ইউএনও

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৪৫২ বার পড়া হয়েছে
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) :
আশাশুনির রেমিট্যান্স যোদ্ধা লেবাননে নিহত নাহিদুল ইসলামের বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু উপস্থিত হয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শান্তনা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১ টার দিকে তিনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে নাহিদুলদের বাড়িতে তিনি গমন করেন।
কাদাকাটি গ্রামের গরীব পরিবার আঃ কাদের সরদারের ছেলে নাহিদুল ইসলাম আড়াই মাস পূর্বে তাদের সম্বল জমি বিক্রয় করে লেবাননে যান। এসময়ে মাত্র একবার অর্জিত কিছু টাকা পিতার হাতে পৌছানোর সৌভাগ্য হয়েছিল তার। পরিবারের স্বপ্ন নাহিদুল গত ১১ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেন্দীন এলাকায় আবাসস্থলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। এসময় তার সাথীবন্ধু সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে শফিকুলও ইন্তেকাল করেন। তাদের মরদেহ এখনো দেশে পৌছেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন। শান্তনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে শান্তনা প্রদান করেন।
নাহিদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, “আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে নাহিদ ছিল সবার বড়। সংসারের অভাব দূর করতে বিদেশ যেতে চাইত। অনেক বাধা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে তাকে লেবাননে পাঠালাম। কিন্তু কে জানত, আমার ছেলে আর জীবিত ফিরে আসবে না।”
নাহিদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার গ্রামের বাড়িতে যান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “নাহিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে যতটুকু সম্ভব, সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে ঠেকরায় চলাচলের পথ কেটে মাটি পুকু‌রে ফেলার অভিযোগ।

লেবাননে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা  নাহিদুলের বাড়িতে ইউএনও

আপডেট সময় : ১০:৩১:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) :
আশাশুনির রেমিট্যান্স যোদ্ধা লেবাননে নিহত নাহিদুল ইসলামের বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু উপস্থিত হয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শান্তনা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১ টার দিকে তিনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে নাহিদুলদের বাড়িতে তিনি গমন করেন।
কাদাকাটি গ্রামের গরীব পরিবার আঃ কাদের সরদারের ছেলে নাহিদুল ইসলাম আড়াই মাস পূর্বে তাদের সম্বল জমি বিক্রয় করে লেবাননে যান। এসময়ে মাত্র একবার অর্জিত কিছু টাকা পিতার হাতে পৌছানোর সৌভাগ্য হয়েছিল তার। পরিবারের স্বপ্ন নাহিদুল গত ১১ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেন্দীন এলাকায় আবাসস্থলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। এসময় তার সাথীবন্ধু সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে শফিকুলও ইন্তেকাল করেন। তাদের মরদেহ এখনো দেশে পৌছেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন। শান্তনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে শান্তনা প্রদান করেন।
নাহিদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, “আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে নাহিদ ছিল সবার বড়। সংসারের অভাব দূর করতে বিদেশ যেতে চাইত। অনেক বাধা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে তাকে লেবাননে পাঠালাম। কিন্তু কে জানত, আমার ছেলে আর জীবিত ফিরে আসবে না।”
নাহিদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার গ্রামের বাড়িতে যান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “নাহিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে যতটুকু সম্ভব, সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে