1. tusu0x1@gmail.com : :
  2. ovawp@ova-tools.top : ova_wp :
  3. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে ১৬০ শিশুর স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বৃষ্টিতে কাদাপথ; নতুন ভবন কবে হবে? নেপালের রাশুয়ার বন্যার পানি কি তেঁতুলিয়ায় ঢুকছে? গুজবের নেপথ্যে আসল ঘটনা কি? কালিগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা-থানায় লিখিত অভিযোগ দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি. এম. নূর ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন কালিগঞ্জে সার ডিলারকে জরিমানা-সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, অফিশিয়াল ক্যাশ মেমোর পরিবর্তে সাদা কাগজে হাতে লেখা রসিদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ কালিগঞ্জে ঠেকরায় চলাচলের পথ কেটে মাটি পুকু‌রে ফেলার অভিযোগ। কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শ.ম মমতাজুর রহমানের ইন্তেকাল কালিগঞ্জে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় : মাদক-সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা কালিগঞ্জের রেবতী সরকারের তাজা প্রাণ ঝরে গেল কোলকাতার অগ্নিকাণ্ডে কালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম রফুর মৃত্যু

কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইসলামাবাদ বৈঠক: অনড় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৮৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেক্স : দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা শেষে কোনো ধরনের ব্রেকথ্রু বা সমঝোতা ছাড়াই ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধি দল। দুই দেশের মধ্যকার অনমনীয় ‘রেড লাইন’ বা চরম সীমার কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো-ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, এমনকি অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি বা সরঞ্জামও তাদের হাতে রাখা চলবে না। এই বিষয়ে কোনো প্রকার আপস করতে রাজি নয় ওয়াশিংটন।

বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ রয়েছে। ইরান দাবি করেছে, সাগরে কোথায় কোথায় মাইন পাতা হয়েছে তা তারা নিশ্চিত নয়, তাই তারা তা সরাতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এই মাইন সরানোর কাজে সহায়তা করার প্রস্তাব দিলেও প্রণালীটি এখনো তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অবিলম্বে এই পথ নিরাপদ ও উন্মুক্ত করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় শর্ত হলো, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। মূলত ইরানের এই সক্ষমতা ধ্বংস করতেই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (Operation Epic Fury) চালানো হয়েছিল।

শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইসলামাবাদ ছাড়লেও কারিগরি দল এবং বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা এখনো সেখানে অবস্থান করছেন। তারা বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। যদিও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, তবে একেবারে নিচু স্তরে বা পরোক্ষভাবে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পথ এখনো খোলা রাখা হয়েছে।

আপাতত কোনো চুক্তি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েই গেল।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে ১৬০ শিশুর স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বৃষ্টিতে কাদাপথ; নতুন ভবন কবে হবে?

কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইসলামাবাদ বৈঠক: অনড় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেক্স : দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা শেষে কোনো ধরনের ব্রেকথ্রু বা সমঝোতা ছাড়াই ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধি দল। দুই দেশের মধ্যকার অনমনীয় ‘রেড লাইন’ বা চরম সীমার কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো-ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, এমনকি অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি বা সরঞ্জামও তাদের হাতে রাখা চলবে না। এই বিষয়ে কোনো প্রকার আপস করতে রাজি নয় ওয়াশিংটন।

বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ রয়েছে। ইরান দাবি করেছে, সাগরে কোথায় কোথায় মাইন পাতা হয়েছে তা তারা নিশ্চিত নয়, তাই তারা তা সরাতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এই মাইন সরানোর কাজে সহায়তা করার প্রস্তাব দিলেও প্রণালীটি এখনো তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অবিলম্বে এই পথ নিরাপদ ও উন্মুক্ত করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় শর্ত হলো, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। মূলত ইরানের এই সক্ষমতা ধ্বংস করতেই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (Operation Epic Fury) চালানো হয়েছিল।

শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইসলামাবাদ ছাড়লেও কারিগরি দল এবং বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা এখনো সেখানে অবস্থান করছেন। তারা বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। যদিও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, তবে একেবারে নিচু স্তরে বা পরোক্ষভাবে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পথ এখনো খোলা রাখা হয়েছে।

আপাতত কোনো চুক্তি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েই গেল।