1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে রথযাত্রা ঘিরে বিএনপির ‘কঠোর সতর্কতা’: নাশকতা রুখতে মাঠে থাকার নির্দেশ হাড়দ্দহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠিত কালিগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড়: ফোন ধরেন না সাংবাদিকদের, ক্ষুব্ধ শিক্ষক-অভিভাবক সতেরো বছরের ছায়া : অনিয়মের উত্তরাধিকার ভাঙতে হলে জবাবদিহিই একমাত্র পথ কালিগঞ্জে সরকারি পুকুর সংলগ্ন ড্রেন সংস্কার কাজের উদ্বোধন, উপকৃত হবে ৪০০ পরিবার অবশেষে প্রত্যাহার কালিগঞ্জের সেই বিতর্কিত অধ্যক্ষ হুমায়ন কবীর: শিক্ষক বদলি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ? নাকি নতুন বানিজ্য! সম্পাদকীয়: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ও শিক্ষা খাতের সংকট কালিগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা মামলার আসামিসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার কালিগঞ্জ থানায় ককটেল বিষ্ফোরনে আহত শ্রমিক রফিকুলের পাশে দাঁড়ালেন ওসি শহিদুল ইসলাম ভদ্রখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, মোঃ জুলহক সরদার সভাপতি-সদস্য সচিব জেসমিন কাকুলী

কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইসলামাবাদ বৈঠক: অনড় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেক্স : দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা শেষে কোনো ধরনের ব্রেকথ্রু বা সমঝোতা ছাড়াই ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধি দল। দুই দেশের মধ্যকার অনমনীয় ‘রেড লাইন’ বা চরম সীমার কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো-ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, এমনকি অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি বা সরঞ্জামও তাদের হাতে রাখা চলবে না। এই বিষয়ে কোনো প্রকার আপস করতে রাজি নয় ওয়াশিংটন।

বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ রয়েছে। ইরান দাবি করেছে, সাগরে কোথায় কোথায় মাইন পাতা হয়েছে তা তারা নিশ্চিত নয়, তাই তারা তা সরাতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এই মাইন সরানোর কাজে সহায়তা করার প্রস্তাব দিলেও প্রণালীটি এখনো তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অবিলম্বে এই পথ নিরাপদ ও উন্মুক্ত করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় শর্ত হলো, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। মূলত ইরানের এই সক্ষমতা ধ্বংস করতেই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (Operation Epic Fury) চালানো হয়েছিল।

শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইসলামাবাদ ছাড়লেও কারিগরি দল এবং বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা এখনো সেখানে অবস্থান করছেন। তারা বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। যদিও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, তবে একেবারে নিচু স্তরে বা পরোক্ষভাবে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পথ এখনো খোলা রাখা হয়েছে।

আপাতত কোনো চুক্তি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েই গেল।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে রথযাত্রা ঘিরে বিএনপির ‘কঠোর সতর্কতা’: নাশকতা রুখতে মাঠে থাকার নির্দেশ

কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইসলামাবাদ বৈঠক: অনড় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেক্স : দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা শেষে কোনো ধরনের ব্রেকথ্রু বা সমঝোতা ছাড়াই ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধি দল। দুই দেশের মধ্যকার অনমনীয় ‘রেড লাইন’ বা চরম সীমার কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো-ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, এমনকি অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি বা সরঞ্জামও তাদের হাতে রাখা চলবে না। এই বিষয়ে কোনো প্রকার আপস করতে রাজি নয় ওয়াশিংটন।

বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ রয়েছে। ইরান দাবি করেছে, সাগরে কোথায় কোথায় মাইন পাতা হয়েছে তা তারা নিশ্চিত নয়, তাই তারা তা সরাতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এই মাইন সরানোর কাজে সহায়তা করার প্রস্তাব দিলেও প্রণালীটি এখনো তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অবিলম্বে এই পথ নিরাপদ ও উন্মুক্ত করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় শর্ত হলো, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। মূলত ইরানের এই সক্ষমতা ধ্বংস করতেই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (Operation Epic Fury) চালানো হয়েছিল।

শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইসলামাবাদ ছাড়লেও কারিগরি দল এবং বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা এখনো সেখানে অবস্থান করছেন। তারা বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। যদিও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, তবে একেবারে নিচু স্তরে বা পরোক্ষভাবে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পথ এখনো খোলা রাখা হয়েছে।

আপাতত কোনো চুক্তি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েই গেল।