1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জ ধলবাড়িয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে গাজী মিজানুর রহমান মনোনীত কালিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শাহাজান সরদারকে পরিকল্পিতভাবে হেনস্তা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৯ ঘণ্টা চলল বুলডোজার বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে বিস্ফোরণ, উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা কালিগঞ্জে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ বিক্রেতা ও ক্রেতা আটক, ইউপি চেয়ারম্যানের তৎপরতায় পুলিশে সোপর্দ কালিগঞ্জের ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন: সভাপতি লুৎফর, সহ-সভাপতি লিটন কালিগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৈতৃক জমি দখলে ‘ভেকু বাহিনীর’ তাণ্ডব: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা কালিগঞ্জে বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা কালিগঞ্জে প্রতিবন্ধী পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ছাগল উপহার কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোশাররফ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে

রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

চৌধুরী রোকছানা, ঠাকুরগাঁও থেকে  : 

সেদিন আমার স্কুলে ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা প্রস্তুতি মুলক মিটিং চলছিল। ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে রওয়ানা দিয়েছি বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য। কারণ সেই ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে আমিও অংশ গ্রহণ করবো তাই। যাওয়ার পথেই আমার স্কুল। হঠাৎ মনে হলো একটু স্কুল থেকে ঘুরেই যাই, কতদিন স্যারদের সাথে দেখা হয়না। সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্যার রা সহ আরও চেনা অচেনা অনেক মানুষ।

সেখানে ছিলেন ভাই ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু (রংপুর মেডিকেলে আইসিইউ প্রধান)। অনেক দিন পর দেখা হওয়ায় ভাই অনেক গল্প বলতে লাগলেন। আমার প্রিয় শিক্ষক কাশেম স্যার যিনি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিনি আমাকে চা খাওয়া ছাড়া যেতেই দিবেননা। আমারও ভালো লাগছিলো কত বছর পরে স্কুলে যাওয়া এবং সবার সাথে দেখা হওয়া।

অনেক কথার ভীড়ে সবার সামনে ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু ভাই বলে উঠলেন,,,, চৌধুরী পরিবারে অনেক চৌধুরী জন্মেছে এবং জন্মাবে,,,,,বাট রফিকুল চৌধুরী আর একটা হবে না। রফিকুল চৌধুরী আর একটা জন্মাবে না। রফিকুল চৌধুরী একজনই হয়। বিশ্বাস করেন,,, ওইটুকু মুহূর্তে সন্তান হিসেবে আমার বুকটা ফুলে এক পৃথিবী সমান হয়েছিলো। আমার বাবাকে নিয়ে এই একটা গল্পই তো যথেষ্ট।

এমন অনেক হাজারো গল্প আছে আমার বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মত আলহামদুলিল্লাহ। এই জগৎ সংসারে ত্যাগী মানুষের কাতারে আমার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। উদার মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভেজাল মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা লেখা থাকবে। কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ করলে,,, বাবা আজও বলেন,,,ওই আকাশ সমান উদার হও,,,তবে দেখবে পুরো পৃথিবীটাই তোমার।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ মানুষ আমার বাবা,,,যিনি সবার কথা সারাজীবন ভাবতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই ভাবেননি। তবুও জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আমার বাবা এক অসীম সুখে বাঁচেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। কখনো কখনো ভীষণ অবাক হই। আজকে বাবা দিবসে মহান আল্লাহর কাছে আমার সবসময়ই চাওয়া,,,, এমন প্রশান্তি নিয়েই সুস্থতার সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকুক আমার বাবা

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জ ধলবাড়িয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে গাজী মিজানুর রহমান মনোনীত

রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

চৌধুরী রোকছানা, ঠাকুরগাঁও থেকে  : 

সেদিন আমার স্কুলে ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা প্রস্তুতি মুলক মিটিং চলছিল। ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে রওয়ানা দিয়েছি বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য। কারণ সেই ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে আমিও অংশ গ্রহণ করবো তাই। যাওয়ার পথেই আমার স্কুল। হঠাৎ মনে হলো একটু স্কুল থেকে ঘুরেই যাই, কতদিন স্যারদের সাথে দেখা হয়না। সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্যার রা সহ আরও চেনা অচেনা অনেক মানুষ।

সেখানে ছিলেন ভাই ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু (রংপুর মেডিকেলে আইসিইউ প্রধান)। অনেক দিন পর দেখা হওয়ায় ভাই অনেক গল্প বলতে লাগলেন। আমার প্রিয় শিক্ষক কাশেম স্যার যিনি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিনি আমাকে চা খাওয়া ছাড়া যেতেই দিবেননা। আমারও ভালো লাগছিলো কত বছর পরে স্কুলে যাওয়া এবং সবার সাথে দেখা হওয়া।

অনেক কথার ভীড়ে সবার সামনে ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু ভাই বলে উঠলেন,,,, চৌধুরী পরিবারে অনেক চৌধুরী জন্মেছে এবং জন্মাবে,,,,,বাট রফিকুল চৌধুরী আর একটা হবে না। রফিকুল চৌধুরী আর একটা জন্মাবে না। রফিকুল চৌধুরী একজনই হয়। বিশ্বাস করেন,,, ওইটুকু মুহূর্তে সন্তান হিসেবে আমার বুকটা ফুলে এক পৃথিবী সমান হয়েছিলো। আমার বাবাকে নিয়ে এই একটা গল্পই তো যথেষ্ট।

এমন অনেক হাজারো গল্প আছে আমার বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মত আলহামদুলিল্লাহ। এই জগৎ সংসারে ত্যাগী মানুষের কাতারে আমার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। উদার মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভেজাল মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা লেখা থাকবে। কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ করলে,,, বাবা আজও বলেন,,,ওই আকাশ সমান উদার হও,,,তবে দেখবে পুরো পৃথিবীটাই তোমার।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ মানুষ আমার বাবা,,,যিনি সবার কথা সারাজীবন ভাবতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই ভাবেননি। তবুও জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আমার বাবা এক অসীম সুখে বাঁচেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। কখনো কখনো ভীষণ অবাক হই। আজকে বাবা দিবসে মহান আল্লাহর কাছে আমার সবসময়ই চাওয়া,,,, এমন প্রশান্তি নিয়েই সুস্থতার সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকুক আমার বাবা