1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জের গৌরব জাকির হোসেন: নতুন কুড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এ জাতীয় পর্যায়ে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম স্থান অর্জন করে ‘দ্রুততম মানব’ পর্ব-০১: কালিগঞ্জে সঞ্জীব হত্যা : সুরতহালে মিলল একাধিক আঘাতের চিহ্ন কালিগঞ্জের দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়ন টিসিবি ডিলার পয়েন্টে সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলায় পরিকল্পিত চক্রান্ত: সরকারি কলোনি উচ্ছেদের বর্বরোচিত পায়তারায় দিশেহারা অসহায় পরিবারগুলো সম্পাদকীয়: রাজনীতির অন্ধ আবেগ, হঠকারী সিদ্ধান্ত ও পরিণতি ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সিজেপির ভাইরাল পোস্ট: ‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে’ কালিগঞ্জে রাতভর বৃষ্টিতে শ্রাবণের জলাবদ্ধতা: ডুবছে ফসল, ভেসে যাচ্ছে মাছের ঘের, দ্বিগুণ সবজির দাম রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন মো. সাহাবুদ্দিন কালিগঞ্জের ঈদগাহ মোড় থেকে কলেজ মোড় পর্যন্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জোরালো দাবি কালিগঞ্জে মিটারের তার টান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

চৌধুরী রোকছানা, ঠাকুরগাঁও থেকে  : 

সেদিন আমার স্কুলে ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা প্রস্তুতি মুলক মিটিং চলছিল। ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে রওয়ানা দিয়েছি বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য। কারণ সেই ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে আমিও অংশ গ্রহণ করবো তাই। যাওয়ার পথেই আমার স্কুল। হঠাৎ মনে হলো একটু স্কুল থেকে ঘুরেই যাই, কতদিন স্যারদের সাথে দেখা হয়না। সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্যার রা সহ আরও চেনা অচেনা অনেক মানুষ।

সেখানে ছিলেন ভাই ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু (রংপুর মেডিকেলে আইসিইউ প্রধান)। অনেক দিন পর দেখা হওয়ায় ভাই অনেক গল্প বলতে লাগলেন। আমার প্রিয় শিক্ষক কাশেম স্যার যিনি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিনি আমাকে চা খাওয়া ছাড়া যেতেই দিবেননা। আমারও ভালো লাগছিলো কত বছর পরে স্কুলে যাওয়া এবং সবার সাথে দেখা হওয়া।

অনেক কথার ভীড়ে সবার সামনে ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু ভাই বলে উঠলেন,,,, চৌধুরী পরিবারে অনেক চৌধুরী জন্মেছে এবং জন্মাবে,,,,,বাট রফিকুল চৌধুরী আর একটা হবে না। রফিকুল চৌধুরী আর একটা জন্মাবে না। রফিকুল চৌধুরী একজনই হয়। বিশ্বাস করেন,,, ওইটুকু মুহূর্তে সন্তান হিসেবে আমার বুকটা ফুলে এক পৃথিবী সমান হয়েছিলো। আমার বাবাকে নিয়ে এই একটা গল্পই তো যথেষ্ট।

এমন অনেক হাজারো গল্প আছে আমার বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মত আলহামদুলিল্লাহ। এই জগৎ সংসারে ত্যাগী মানুষের কাতারে আমার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। উদার মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভেজাল মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা লেখা থাকবে। কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ করলে,,, বাবা আজও বলেন,,,ওই আকাশ সমান উদার হও,,,তবে দেখবে পুরো পৃথিবীটাই তোমার।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ মানুষ আমার বাবা,,,যিনি সবার কথা সারাজীবন ভাবতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই ভাবেননি। তবুও জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আমার বাবা এক অসীম সুখে বাঁচেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। কখনো কখনো ভীষণ অবাক হই। আজকে বাবা দিবসে মহান আল্লাহর কাছে আমার সবসময়ই চাওয়া,,,, এমন প্রশান্তি নিয়েই সুস্থতার সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকুক আমার বাবা

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জের গৌরব জাকির হোসেন: নতুন কুড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এ জাতীয় পর্যায়ে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম স্থান অর্জন করে ‘দ্রুততম মানব’

রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

চৌধুরী রোকছানা, ঠাকুরগাঁও থেকে  : 

সেদিন আমার স্কুলে ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটা প্রস্তুতি মুলক মিটিং চলছিল। ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে রওয়ানা দিয়েছি বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য। কারণ সেই ৮১ বছর পুর্তি অনুষ্ঠানে আমিও অংশ গ্রহণ করবো তাই। যাওয়ার পথেই আমার স্কুল। হঠাৎ মনে হলো একটু স্কুল থেকে ঘুরেই যাই, কতদিন স্যারদের সাথে দেখা হয়না। সেখানে গিয়ে দেখলাম আমার স্যার রা সহ আরও চেনা অচেনা অনেক মানুষ।

সেখানে ছিলেন ভাই ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু (রংপুর মেডিকেলে আইসিইউ প্রধান)। অনেক দিন পর দেখা হওয়ায় ভাই অনেক গল্প বলতে লাগলেন। আমার প্রিয় শিক্ষক কাশেম স্যার যিনি বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিনি আমাকে চা খাওয়া ছাড়া যেতেই দিবেননা। আমারও ভালো লাগছিলো কত বছর পরে স্কুলে যাওয়া এবং সবার সাথে দেখা হওয়া।

অনেক কথার ভীড়ে সবার সামনে ডক্টর জামাল উদ্দিন মিন্টু ভাই বলে উঠলেন,,,, চৌধুরী পরিবারে অনেক চৌধুরী জন্মেছে এবং জন্মাবে,,,,,বাট রফিকুল চৌধুরী আর একটা হবে না। রফিকুল চৌধুরী আর একটা জন্মাবে না। রফিকুল চৌধুরী একজনই হয়। বিশ্বাস করেন,,, ওইটুকু মুহূর্তে সন্তান হিসেবে আমার বুকটা ফুলে এক পৃথিবী সমান হয়েছিলো। আমার বাবাকে নিয়ে এই একটা গল্পই তো যথেষ্ট।

এমন অনেক হাজারো গল্প আছে আমার বাবাকে নিয়ে গর্ব করার মত আলহামদুলিল্লাহ। এই জগৎ সংসারে ত্যাগী মানুষের কাতারে আমার বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। উদার মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এই পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভেজাল মানুষের কাতারে আমার বাবার নামটা লেখা থাকবে। কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ করলে,,, বাবা আজও বলেন,,,ওই আকাশ সমান উদার হও,,,তবে দেখবে পুরো পৃথিবীটাই তোমার।

এই স্বার্থপর দুনিয়ায় নিঃস্বার্থ মানুষ আমার বাবা,,,যিনি সবার কথা সারাজীবন ভাবতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই ভাবেননি। তবুও জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আমার বাবা এক অসীম সুখে বাঁচেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। কখনো কখনো ভীষণ অবাক হই। আজকে বাবা দিবসে মহান আল্লাহর কাছে আমার সবসময়ই চাওয়া,,,, এমন প্রশান্তি নিয়েই সুস্থতার সাথে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকুক আমার বাবা