1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জের দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়ন টিসিবি ডিলার পয়েন্টে সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলায় পরিকল্পিত চক্রান্ত: সরকারি কলোনি উচ্ছেদের বর্বরোচিত পায়তারায় দিশেহারা অসহায় পরিবারগুলো সম্পাদকীয়: রাজনীতির অন্ধ আবেগ, হঠকারী সিদ্ধান্ত ও পরিণতি ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সিজেপির ভাইরাল পোস্ট: ‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে’ কালিগঞ্জে রাতভর বৃষ্টিতে শ্রাবণের জলাবদ্ধতা: ডুবছে ফসল, ভেসে যাচ্ছে মাছের ঘের, দ্বিগুণ সবজির দাম রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন মো. সাহাবুদ্দিন কালিগঞ্জের ঈদগাহ মোড় থেকে কলেজ মোড় পর্যন্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জোরালো দাবি কালিগঞ্জে মিটারের তার টান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু কালিগঞ্জে বাল্যবিবাহ, মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে পাউবোর জমিতে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ: জলাশয় ইজারার চেষ্টা

ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়ের বিষয়টি এখন শর্তাধীন: ওয়াশিংটনের কড়া বার্তা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

ওয়াশিংটন, ২ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারক (MoU) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জব্দকৃত অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট বার্তা-তেহরান যদি চুক্তির শর্তাবলী যথাযথভাবে পূরণ না করে, তবে তাদের কোনো জব্দকৃত তহবিল ছাড় করা হবে না।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অর্থ ছাড়ের পুরো বিষয়টি ‘পারফরম্যান্স-ভিত্তিক’। অর্থাৎ, ইরান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে তবেই অর্থ ছাড়ের কথা বিবেচনা করা হবে।

দোহায় অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনার পর ইরান, কাতার এবং পাকিস্তান একটি ‘জরুরি যোগাযোগ চ্যানেল’ (urgent communication channel) স্থাপনে একমত হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত ৬ বিলিয়ন ডলারের একটি অংশ দিয়ে তাদের দেশের প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য (যেমন: গম, সয়াবিন, ভুট্টা) আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানান, এই অর্থ ইরানের জনগণের জন্য পণ্য আমদানিতে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান খাদ্য সংকটে ভুগছে। ওয়াশিংটন চায় এই অর্থের একটি অংশ ব্যবহার করে মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য ইরানের বাজারে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে, যা মূলত মার্কিন কৃষকদের জন্য একটি নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি করবে।

যদিও ১৭ জুনের চুক্তিতে ইরানকে তেল রপ্তানির সুবিধা এবং কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালীতে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনায় এই পুরো সমঝোতা প্রক্রিয়াটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৭ জুনের এই সমঝোতা একটি ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ইরান তাদের জব্দকৃত অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য মরিয়া, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক শর্ত পূরণের ওপর জোর দিচ্ছে। কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করলেও, চূড়ান্ত সফলতা পুরোপুরি নির্ভর করছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার রাজনৈতিক বিশ্বাসের ওপর।

বর্তমানে উভয় দেশই দোহায় কারিগরি পর্যায়ে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের অগ্রগতি বা অর্থ হস্তান্তরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জের দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়ন টিসিবি ডিলার পয়েন্টে সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে

ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়ের বিষয়টি এখন শর্তাধীন: ওয়াশিংটনের কড়া বার্তা

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৪ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ওয়াশিংটন, ২ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারক (MoU) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জব্দকৃত অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট বার্তা-তেহরান যদি চুক্তির শর্তাবলী যথাযথভাবে পূরণ না করে, তবে তাদের কোনো জব্দকৃত তহবিল ছাড় করা হবে না।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অর্থ ছাড়ের পুরো বিষয়টি ‘পারফরম্যান্স-ভিত্তিক’। অর্থাৎ, ইরান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে তবেই অর্থ ছাড়ের কথা বিবেচনা করা হবে।

দোহায় অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনার পর ইরান, কাতার এবং পাকিস্তান একটি ‘জরুরি যোগাযোগ চ্যানেল’ (urgent communication channel) স্থাপনে একমত হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত ৬ বিলিয়ন ডলারের একটি অংশ দিয়ে তাদের দেশের প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য (যেমন: গম, সয়াবিন, ভুট্টা) আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানান, এই অর্থ ইরানের জনগণের জন্য পণ্য আমদানিতে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান খাদ্য সংকটে ভুগছে। ওয়াশিংটন চায় এই অর্থের একটি অংশ ব্যবহার করে মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য ইরানের বাজারে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে, যা মূলত মার্কিন কৃষকদের জন্য একটি নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি করবে।

যদিও ১৭ জুনের চুক্তিতে ইরানকে তেল রপ্তানির সুবিধা এবং কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালীতে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনায় এই পুরো সমঝোতা প্রক্রিয়াটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৭ জুনের এই সমঝোতা একটি ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ইরান তাদের জব্দকৃত অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য মরিয়া, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক শর্ত পূরণের ওপর জোর দিচ্ছে। কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করলেও, চূড়ান্ত সফলতা পুরোপুরি নির্ভর করছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার রাজনৈতিক বিশ্বাসের ওপর।

বর্তমানে উভয় দেশই দোহায় কারিগরি পর্যায়ে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের অগ্রগতি বা অর্থ হস্তান্তরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।