1. satnews24@satkhiranews24.com : sat24admin :
সাতক্ষীরা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ কালিগঞ্জে ঘেরের ভেড়িতে ছিঁড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর কালিগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসে জুতা পেটা খেলেন প্রধান শিক্ষক! ইসরায়েলের নেগেভ অঞ্চলে প্রথমবার হুথি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ১ মাস পর নতুন ফ্রন্ট খোলার শঙ্কা কালিগঞ্জে অস্ত্র ও মাদকসহ কুখ্যাত ডাকাত ইয়ার আলী গ্রেফতার: ফের উদ্ধার ০২ হাতবোমা, এলাকায় স্বস্তি ও মিষ্টি বিতরণ ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার কারনে ইসরায়েলকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে: আরাগচি কালিগঞ্জের কুখ্যাত ডাকাত ইয়ার আলী গ্রেফতার; ত্রাসের রাজত্বের অবসান? মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি কালিগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: বিশ্ব তেলের বাজারে মহাপ্রলয়, খাদের কিনারে বিশ্ব অর্থনীতি!

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স নিউজ :

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার বিরুদ্ধে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,৩০০টিরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ (No Kings) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ এই একদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, যা আমেরিকার ইতিহাসে একক দিনে বৃহত্তম প্রতিবাদ হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এবারের বিক্ষোভের তীব্রতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ মিনেসোটার ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’। গত ৭ জানুয়ারি ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড (Renee Good) নিহত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া এক মাস আগে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে উঠেছে।

বিক্ষোভকারীরা মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তাদের আন্দোলন পরিচালনা করছেন ‘নো কিংস’ স্লোগানটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইছেন যে, আমেরিকা কোনো রাজার দেশ নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল ক্ষমতা বৃদ্ধিকে তারা ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। দেশজুড়ে অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্নে (৩৬%) নেমে এসেছে।

বিক্ষোভের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র আবিগেইল জ্যাকসন এই আন্দোলনকে “ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন” বলে উপহাস করেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই বিক্ষোভের পেছনে বামপন্থী অর্থায়ন রয়েছে এবং সাধারণ জনগণের এতে কোনো সমর্থন নেই। যদিও রাজপথের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে।

আমেরিকার গণ্ডি পেরিয়ে এই বিক্ষোভ এখন আমস্টারডাম, মাদ্রিদ এবং রোমের মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ‘নো কিংস’ মুভমেন্ট কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ডেক্স নিউজ :

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার বিরুদ্ধে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,৩০০টিরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ (No Kings) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ এই একদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, যা আমেরিকার ইতিহাসে একক দিনে বৃহত্তম প্রতিবাদ হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এবারের বিক্ষোভের তীব্রতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ মিনেসোটার ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’। গত ৭ জানুয়ারি ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড (Renee Good) নিহত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া এক মাস আগে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে উঠেছে।

বিক্ষোভকারীরা মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তাদের আন্দোলন পরিচালনা করছেন ‘নো কিংস’ স্লোগানটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইছেন যে, আমেরিকা কোনো রাজার দেশ নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল ক্ষমতা বৃদ্ধিকে তারা ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। দেশজুড়ে অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্নে (৩৬%) নেমে এসেছে।

বিক্ষোভের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র আবিগেইল জ্যাকসন এই আন্দোলনকে “ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন” বলে উপহাস করেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই বিক্ষোভের পেছনে বামপন্থী অর্থায়ন রয়েছে এবং সাধারণ জনগণের এতে কোনো সমর্থন নেই। যদিও রাজপথের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে।

আমেরিকার গণ্ডি পেরিয়ে এই বিক্ষোভ এখন আমস্টারডাম, মাদ্রিদ এবং রোমের মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ‘নো কিংস’ মুভমেন্ট কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।