1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন কালিগঞ্জের আব্দুল হালিম বিশ্বকাপের জ্বরে কাঁপছে গোবিন্দপুর : কালিগঞ্জে মোড়ে মোড়ে ফুটবল প্রেমীদের উৎসবের জোয়ার স্মৃতির পটে চিত্রনায়িকা দিতি: এক সোনালী অধ্যায়ের মায়াবী প্রতিচ্ছবি বিদেশ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দক্ষিণ ফিলিপাইনে ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: উপকূলীয় এলাকায় বড় ধরনের ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তন সম্পাদকীয় : সাংবাদিকতার সংকট ও নিরপেক্ষতার দায়বদ্ধতা কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদকাটি বিলে আগামীকাল শনিবার ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা বিষ্ণুপুর ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ সিরাজুল ইসলাম: আজ শুক্রবার হোগলা মসজিদে মুসল্লিদের সাথে মতবিনিময় করবেন ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে রফিকুল চৌধুরী: এক নিঃস্বার্থ মহীরুহের পদতলে আমার গর্বের পৃথিবী

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক শ্রমজীবী মানুষের জীবন : ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় কাজী ইউসুফ কবির

মোঃ ইশারাত আলী :

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষ্যে খুলনা বিভাগসহ দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং দেশের সকল মেহনতি ও শ্রমজীবী মানুষকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়েছেন জাতীয় শ্রমিক শক্তি’র কেন্দ্রীয় ও খুলনা বিভাগীয় সংগঠক কাজী ইউসুফ কবির

এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদ-উল-আজহা প্রতিবছরই আমাদের মাঝে এক মহান ত্যাগের বার্তা নিয়ে ফিরে আসে। পশু কোরবানির বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতার অন্তরালে প্রকৃত শিক্ষা হলো—নিজের ভেতরের অহংকার, স্বার্থপরতা ও পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দেওয়া। তবে এই ত্যাগের আনন্দ ও মহিমা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ, বিশেষ করে আমাদের মেহনতি ও শ্রমজীবী ভাইয়েরা সেই আনন্দের সমান অংশীদার হতে পারবেন।”

ইসলামের মানবিক ও সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমাদের অর্থনীতি ও দেশের চাকা সচল রাখার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এদেশের আপামর শ্রমিক সমাজের। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত পরিশ্রম করা এই খেটে খাওয়া মানুষের মুখে ঈদের পবিত্র ক্ষণে হাসি ফোটানো আমাদের অন্যতম প্রধান সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।”

কোরবানির মূল উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে কাজী ইউসুফ কবির বলেন, “কোরবানি শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি সামাজিক বৈষম্য দূর করার একটি অনন্য মাধ্যম। ইসলামে কোরবানির গোশত দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে বণ্টন করার যে বিধান রয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্যই হলো—সমাজের কেউ যেন আনন্দের এই দিনে পুষ্টিকর খাবার ও উৎসবের স্বাদ থেকে বঞ্চিত না হন।”

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় শ্রমিক শক্তি’র এই শীর্ষ সংগঠক সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আসুন, আমরা আমাদের কোরবানির আনন্দের একটি বড় অংশ উৎসর্গ করি চারপাশের খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য। তাদের ন্যায্য অধিকার ও পাওনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই হোক এবারের ঈদের মূল অঙ্গীকার। ত্যাগের, সৌহার্দ্যের ও মানবিকতার মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন।”

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন কালিগঞ্জের আব্দুল হালিম

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক শ্রমজীবী মানুষের জীবন : ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় কাজী ইউসুফ কবির

আপডেট সময় : ০৭:৪০:০৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

মোঃ ইশারাত আলী :

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষ্যে খুলনা বিভাগসহ দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং দেশের সকল মেহনতি ও শ্রমজীবী মানুষকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়েছেন জাতীয় শ্রমিক শক্তি’র কেন্দ্রীয় ও খুলনা বিভাগীয় সংগঠক কাজী ইউসুফ কবির

এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদ-উল-আজহা প্রতিবছরই আমাদের মাঝে এক মহান ত্যাগের বার্তা নিয়ে ফিরে আসে। পশু কোরবানির বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতার অন্তরালে প্রকৃত শিক্ষা হলো—নিজের ভেতরের অহংকার, স্বার্থপরতা ও পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দেওয়া। তবে এই ত্যাগের আনন্দ ও মহিমা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ, বিশেষ করে আমাদের মেহনতি ও শ্রমজীবী ভাইয়েরা সেই আনন্দের সমান অংশীদার হতে পারবেন।”

ইসলামের মানবিক ও সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমাদের অর্থনীতি ও দেশের চাকা সচল রাখার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এদেশের আপামর শ্রমিক সমাজের। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত পরিশ্রম করা এই খেটে খাওয়া মানুষের মুখে ঈদের পবিত্র ক্ষণে হাসি ফোটানো আমাদের অন্যতম প্রধান সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।”

কোরবানির মূল উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে কাজী ইউসুফ কবির বলেন, “কোরবানি শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি সামাজিক বৈষম্য দূর করার একটি অনন্য মাধ্যম। ইসলামে কোরবানির গোশত দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে বণ্টন করার যে বিধান রয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্যই হলো—সমাজের কেউ যেন আনন্দের এই দিনে পুষ্টিকর খাবার ও উৎসবের স্বাদ থেকে বঞ্চিত না হন।”

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় শ্রমিক শক্তি’র এই শীর্ষ সংগঠক সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আসুন, আমরা আমাদের কোরবানির আনন্দের একটি বড় অংশ উৎসর্গ করি চারপাশের খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য। তাদের ন্যায্য অধিকার ও পাওনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই হোক এবারের ঈদের মূল অঙ্গীকার। ত্যাগের, সৌহার্দ্যের ও মানবিকতার মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন।”