1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশ মা মৃত্যুর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে, পৈতৃক ভিটা থেকে সন্তান উচ্ছেদের পায়তারা ও হয়রানির প্রতিবাদে কালিগঞ্জে মানববন্ধন সর্বনাশা প্রতারণা: শত শত কোটি টাকার হিসেব কষে পর্দার আড়ালে বুশরা ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির শীর্ষ কর্তারা, ভুক্তভোগীদের কঠোর গণমামলার প্রস্তুতি কালিগঞ্জ আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে নিখোঁজ শিশু নুরিয়ার মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট ৬ বছরের মোস্তাকিম, গুরুতর আহত মা কালিগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জ কুশুলিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের দক্ষিণশ্রীপুর ইউ‌নিয়‌নের শ্রীকলা গ্রা‌মে ভেঙে যাওয়া কালভার্ট পুনর্নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসীর আকুতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: কালিগঞ্জে জামায়াতের বর্ণাঢ্য গণমিছিল ও আলোচনা সভা

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ১০৯৬ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স নিউজ :

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার বিরুদ্ধে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,৩০০টিরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ (No Kings) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ এই একদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, যা আমেরিকার ইতিহাসে একক দিনে বৃহত্তম প্রতিবাদ হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এবারের বিক্ষোভের তীব্রতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ মিনেসোটার ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’। গত ৭ জানুয়ারি ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড (Renee Good) নিহত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া এক মাস আগে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে উঠেছে।

বিক্ষোভকারীরা মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তাদের আন্দোলন পরিচালনা করছেন ‘নো কিংস’ স্লোগানটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইছেন যে, আমেরিকা কোনো রাজার দেশ নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল ক্ষমতা বৃদ্ধিকে তারা ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। দেশজুড়ে অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্নে (৩৬%) নেমে এসেছে।

বিক্ষোভের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র আবিগেইল জ্যাকসন এই আন্দোলনকে “ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন” বলে উপহাস করেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই বিক্ষোভের পেছনে বামপন্থী অর্থায়ন রয়েছে এবং সাধারণ জনগণের এতে কোনো সমর্থন নেই। যদিও রাজপথের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে।

আমেরিকার গণ্ডি পেরিয়ে এই বিক্ষোভ এখন আমস্টারডাম, মাদ্রিদ এবং রোমের মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ‘নো কিংস’ মুভমেন্ট কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকার রাজপথে কোটি মানুষের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ডেক্স নিউজ :

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার বিরুদ্ধে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,৩০০টিরও বেশি স্থানে ‘নো কিংস’ (No Kings) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ এই একদিনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, যা আমেরিকার ইতিহাসে একক দিনে বৃহত্তম প্রতিবাদ হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এবারের বিক্ষোভের তীব্রতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ মিনেসোটার ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’। গত ৭ জানুয়ারি ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড (Renee Good) নিহত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া এক মাস আগে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং তাতে আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে উঠেছে।

বিক্ষোভকারীরা মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে তাদের আন্দোলন পরিচালনা করছেন ‘নো কিংস’ স্লোগানটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চাইছেন যে, আমেরিকা কোনো রাজার দেশ নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল ক্ষমতা বৃদ্ধিকে তারা ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। দেশজুড়ে অভিবাসন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্নে (৩৬%) নেমে এসেছে।

বিক্ষোভের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র আবিগেইল জ্যাকসন এই আন্দোলনকে “ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন” বলে উপহাস করেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই বিক্ষোভের পেছনে বামপন্থী অর্থায়ন রয়েছে এবং সাধারণ জনগণের এতে কোনো সমর্থন নেই। যদিও রাজপথের দৃশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে।

আমেরিকার গণ্ডি পেরিয়ে এই বিক্ষোভ এখন আমস্টারডাম, মাদ্রিদ এবং রোমের মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ‘নো কিংস’ মুভমেন্ট কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।