1. satnews24@satkhiranews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে পানি নামে ‘লুটপাটের চিত্র’ কাগজে-কলমে প্রকল্প ‘সফল’, বাস্তবে মরিচা ধরা জঞ্জাল পাবনার জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলে শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফল উৎসব সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন: অহেতুক উচ্ছেদ আতঙ্কে কুলিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা ও এলাকাবাসী কালিগঞ্জে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন টানা ৬টি বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কালিগঞ্জে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্থবির কালিগঞ্জ: কোটি টাকার ক্ষতির দায় কার? চার দশকে ইনকিলাব: কালিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন কালিগঞ্জের চাম্পাফুলে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন – পৈতৃক জমির হারির টাকা না দেওয়ার অভিযোগ

লেবাননে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা  নাহিদুলের বাড়িতে ইউএনও

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) :
আশাশুনির রেমিট্যান্স যোদ্ধা লেবাননে নিহত নাহিদুল ইসলামের বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু উপস্থিত হয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শান্তনা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১ টার দিকে তিনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে নাহিদুলদের বাড়িতে তিনি গমন করেন।
কাদাকাটি গ্রামের গরীব পরিবার আঃ কাদের সরদারের ছেলে নাহিদুল ইসলাম আড়াই মাস পূর্বে তাদের সম্বল জমি বিক্রয় করে লেবাননে যান। এসময়ে মাত্র একবার অর্জিত কিছু টাকা পিতার হাতে পৌছানোর সৌভাগ্য হয়েছিল তার। পরিবারের স্বপ্ন নাহিদুল গত ১১ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেন্দীন এলাকায় আবাসস্থলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। এসময় তার সাথীবন্ধু সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে শফিকুলও ইন্তেকাল করেন। তাদের মরদেহ এখনো দেশে পৌছেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন। শান্তনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে শান্তনা প্রদান করেন।
নাহিদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, “আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে নাহিদ ছিল সবার বড়। সংসারের অভাব দূর করতে বিদেশ যেতে চাইত। অনেক বাধা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে তাকে লেবাননে পাঠালাম। কিন্তু কে জানত, আমার ছেলে আর জীবিত ফিরে আসবে না।”
নাহিদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার গ্রামের বাড়িতে যান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “নাহিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে যতটুকু সম্ভব, সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিগঞ্জে পানি নামে ‘লুটপাটের চিত্র’ কাগজে-কলমে প্রকল্প ‘সফল’, বাস্তবে মরিচা ধরা জঞ্জাল

লেবাননে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা  নাহিদুলের বাড়িতে ইউএনও

আপডেট সময় : ১০:৩১:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) :
আশাশুনির রেমিট্যান্স যোদ্ধা লেবাননে নিহত নাহিদুল ইসলামের বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু উপস্থিত হয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শান্তনা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১ টার দিকে তিনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে নাহিদুলদের বাড়িতে তিনি গমন করেন।
কাদাকাটি গ্রামের গরীব পরিবার আঃ কাদের সরদারের ছেলে নাহিদুল ইসলাম আড়াই মাস পূর্বে তাদের সম্বল জমি বিক্রয় করে লেবাননে যান। এসময়ে মাত্র একবার অর্জিত কিছু টাকা পিতার হাতে পৌছানোর সৌভাগ্য হয়েছিল তার। পরিবারের স্বপ্ন নাহিদুল গত ১১ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেন্দীন এলাকায় আবাসস্থলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। এসময় তার সাথীবন্ধু সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে শফিকুলও ইন্তেকাল করেন। তাদের মরদেহ এখনো দেশে পৌছেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন। শান্তনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে শান্তনা প্রদান করেন।
নাহিদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, “আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে নাহিদ ছিল সবার বড়। সংসারের অভাব দূর করতে বিদেশ যেতে চাইত। অনেক বাধা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে তাকে লেবাননে পাঠালাম। কিন্তু কে জানত, আমার ছেলে আর জীবিত ফিরে আসবে না।”
নাহিদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার গ্রামের বাড়িতে যান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “নাহিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে যতটুকু সম্ভব, সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে