1. satnews24@satkhiranews24.com : sat24admin :
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিগঞ্জে উন্নয়নের নামে অনিয়মের হরিলুট, সড়ক নির্মাণে প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা পিআইও মফিজুর রহমান ও ঠিকাদার হান্নানকে ঘিরে কালিগঞ্জে ডা. শহিদুল আলম শেষ নির্বাচনী জনসভা-নারী ভোটাররাই হয়ে উঠলেন আশার আলো সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহিদুল আলমের ফুটবল জনসভায় গণজোয়ার, শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা জাতিসংঘের নির্বাচনী জরিপে সাতক্ষীরা-৩ আসন ধানের শীষের পক্ষে – বললেন কাজী আলাউদ্দীন কালিগঞ্জের নাজিমগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পুড়ে ছাই ৪টি দোকান, ক্ষতি প্রায় ১ কোটি টাকা কালিগঞ্জে চেয়ারম্যান শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, প্রশাসনকে ব্যবহার করে জমি দখলের চেষ্টা সার সিন্ডিকেট রুখতে শীঘ্রই দেশব্যাপী নতুন ‘সার ডিলার’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে সাতক্ষীরা-৩ আসন কালিগঞ্জ-আশাশুনি, গেম চেঞ্জার নারী ভোটার মরা গাছের নিচে প্রতিদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে কালিগঞ্জের মানুষ নির্বাচনে নজরদারি করবে ড্রোন ও বডি ক্যামেরা : কালিগঞ্জে সেনাবাহিনীর বিশেষ মহড়া

কালিগঞ্জে উন্নয়নের নামে অনিয়মের হরিলুট, সড়ক নির্মাণে প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা পিআইও মফিজুর রহমান ও ঠিকাদার হান্নানকে ঘিরে

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ ইশারাত আলী:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের হরিখালি থেকে মৌখালি অভিমুখে নির্মাণাধীন একটি গ্রামীণ সড়কে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে কাজের মান ও পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, খালের পাশ দিয়ে নির্মাণাধীন সড়কটির জন্য প্রয়োজনীয় মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে খালের গোড়া কেটে। সেই মাটি রাস্তায় ফেলার পর পুনরায় খালে ধসে পড়ছে। ফলে একদিকে কাজের স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আবার অনিয়ম ঢাকতে তড়িঘড়ি করে খালে পানি তুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, রাস্তার গোড়ার মাটি খাড়াভাবে কেটে নেওয়ায় ভবিষ্যতে সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, “কাজ হচ্ছে, কিন্তু যেভাবে মাটি দেওয়া হচ্ছে তাতে রাস্তা টিকবে কি না সেটাই প্রশ্ন। যদি রাস্তা না থাকে, তাহলে এই কাজের অর্থ কী?”

আরেক বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, “খাল কেটে রাস্তা করলে দুটোই নষ্ট হবে-খালও, রাস্তাও।”

এস্কেভেটর চালক নাইম জানান, “আমি যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে সেভাবেই করছি। ঠিকাদার হান্নান ভাইয়ের নির্দেশেই কাজ চলছে। এর বাইরে কিছু করার সুযোগ নেই।”

তার এই বক্তব্য কাজের নির্দেশনা ও তদারকি নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সড়ক নির্মাণকাজে যুক্ত ঠিকাদার আব্দুল হান্নানের কাছে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই কাজ পিআইও ও ইউএনওর নির্দেশেই করছি। যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই কাজ চলছে। কোনো অনিয়ম হলে তার জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেই দেব।”

তিনি আরও দাবি করেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামীলীগের আমলে একই ধরনের প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং তখন কোনো আপত্তি ওঠেনি।

কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা পিআইও মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও কমিশন আদায়ের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ কমিশন হিসেবে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাদের দাবি, এই অর্থ ‘অফিস খরচ’ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে আদায় করা হয়, যার ফলে প্রকল্পের বরাদ্দ পুরোপুরি কাজে ব্যয় হয় না।

এর আগের অভিযোগের রেশ না কাটতেই আবার অভিযোগ যে, প্রকল্প এলাকায় কোনো তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড দেখা যায়নি। জানা গেছে, আলোচ্য প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ও ৬ টন বরাদ্দ থাকলেও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এমন কি ধলবাড়িয়ার চেয়ারম্যান গাজী শওকত হোসেনও এবিষয়ে কথা বলতে অস্বিকার করেন। তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগি, জমি জবর দখল সহ নানান অনিয়মের অভিযোগ স্থানীয়দের।

পিআইও মফিজুর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “প্রকল্প শেষ হলে তখন বলা যাবে। এখন কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশ্বরপুর গ্রামে সম্ভখালি খালের ওপর প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প কাজ চলছে সেখানেও একই চিত্র। স্থানীয়দের আশঙ্কা, তদারকির স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে এই প্রকল্পেও একই ধরনের অনিয়ম হবে।

মূল প্রশ্নগুলো থেকেই যাচ্ছে সচেতন মহলের মতে, এই মুহূর্তে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জরুরি-প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্ধারিত কারিগরি নির্দেশনা কি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে? কাজের মান যাচাই ও তদারকি কি নিয়মিত হচ্ছে? প্রকল্প ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত কেন নয়? আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি ছাড়াই নতুন বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কতটা যুক্তিসংগত?

কালিগঞ্জে একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের কথা বলা হলেও, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকলে সেই উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনবে কি না-তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
Logo
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় : সময় সূর্যাস্ত : সময়

কালিগঞ্জে উন্নয়নের নামে অনিয়মের হরিলুট, সড়ক নির্মাণে প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা পিআইও মফিজুর রহমান ও ঠিকাদার হান্নানকে ঘিরে

আপডেট সময় : ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোঃ ইশারাত আলী:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের হরিখালি থেকে মৌখালি অভিমুখে নির্মাণাধীন একটি গ্রামীণ সড়কে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে কাজের মান ও পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, খালের পাশ দিয়ে নির্মাণাধীন সড়কটির জন্য প্রয়োজনীয় মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে খালের গোড়া কেটে। সেই মাটি রাস্তায় ফেলার পর পুনরায় খালে ধসে পড়ছে। ফলে একদিকে কাজের স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আবার অনিয়ম ঢাকতে তড়িঘড়ি করে খালে পানি তুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, রাস্তার গোড়ার মাটি খাড়াভাবে কেটে নেওয়ায় ভবিষ্যতে সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, “কাজ হচ্ছে, কিন্তু যেভাবে মাটি দেওয়া হচ্ছে তাতে রাস্তা টিকবে কি না সেটাই প্রশ্ন। যদি রাস্তা না থাকে, তাহলে এই কাজের অর্থ কী?”

আরেক বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, “খাল কেটে রাস্তা করলে দুটোই নষ্ট হবে-খালও, রাস্তাও।”

এস্কেভেটর চালক নাইম জানান, “আমি যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে সেভাবেই করছি। ঠিকাদার হান্নান ভাইয়ের নির্দেশেই কাজ চলছে। এর বাইরে কিছু করার সুযোগ নেই।”

তার এই বক্তব্য কাজের নির্দেশনা ও তদারকি নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সড়ক নির্মাণকাজে যুক্ত ঠিকাদার আব্দুল হান্নানের কাছে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই কাজ পিআইও ও ইউএনওর নির্দেশেই করছি। যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই কাজ চলছে। কোনো অনিয়ম হলে তার জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেই দেব।”

তিনি আরও দাবি করেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামীলীগের আমলে একই ধরনের প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং তখন কোনো আপত্তি ওঠেনি।

কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা পিআইও মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও কমিশন আদায়ের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি প্রকল্প থেকে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ কমিশন হিসেবে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাদের দাবি, এই অর্থ ‘অফিস খরচ’ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে আদায় করা হয়, যার ফলে প্রকল্পের বরাদ্দ পুরোপুরি কাজে ব্যয় হয় না।

এর আগের অভিযোগের রেশ না কাটতেই আবার অভিযোগ যে, প্রকল্প এলাকায় কোনো তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড দেখা যায়নি। জানা গেছে, আলোচ্য প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ও ৬ টন বরাদ্দ থাকলেও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এমন কি ধলবাড়িয়ার চেয়ারম্যান গাজী শওকত হোসেনও এবিষয়ে কথা বলতে অস্বিকার করেন। তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগি, জমি জবর দখল সহ নানান অনিয়মের অভিযোগ স্থানীয়দের।

পিআইও মফিজুর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “প্রকল্প শেষ হলে তখন বলা যাবে। এখন কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশ্বরপুর গ্রামে সম্ভখালি খালের ওপর প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প কাজ চলছে সেখানেও একই চিত্র। স্থানীয়দের আশঙ্কা, তদারকির স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে এই প্রকল্পেও একই ধরনের অনিয়ম হবে।

মূল প্রশ্নগুলো থেকেই যাচ্ছে সচেতন মহলের মতে, এই মুহূর্তে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জরুরি-প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্ধারিত কারিগরি নির্দেশনা কি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে? কাজের মান যাচাই ও তদারকি কি নিয়মিত হচ্ছে? প্রকল্প ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত কেন নয়? আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি ছাড়াই নতুন বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন কতটা যুক্তিসংগত?

কালিগঞ্জে একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের কথা বলা হলেও, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকলে সেই উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনবে কি না-তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।