1. satnews24@satkhiranews24.com : sat24admin :
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরা-৩ আসন কালিগঞ্জ-আশাশুনি, গেম চেঞ্জার নারী ভোটার মরা গাছের নিচে প্রতিদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে কালিগঞ্জের মানুষ নির্বাচনে নজরদারি করবে ড্রোন ও বডি ক্যামেরা : কালিগঞ্জে সেনাবাহিনীর বিশেষ মহড়া দল করলে আগে জেল—এখন বহিষ্কার, কালিগঞ্জে ফুটবল প্রতীকের উত্থানে আতঙ্কিত বিএনপি! দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান-মুহাদ্দিস রবিউল বাশার কালিগঞ্জে জ্বালানি তেলের নামে প্রকাশ্য লুটপাট কালিগঞ্জের তারালীতে ডা. শহিদুল আলমের নির্বাচনী জনসভা- “এটি মেহনতি ও মজলুম মানুষের জনসভা”-ডা. শহিদুল আলম  কালিগঞ্জে ইটভাটায় মোবাইল কোর্টের অভিযান – সিয়াম ব্রিকসে ২ লাখ টাকা জরিমানা শ্রীউলায় শহীদ রফিকের কবর জিয়ারতে মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কালিগঞ্জে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

সাতক্ষীরা-৩ আসন কালিগঞ্জ-আশাশুনি, গেম চেঞ্জার নারী ভোটার

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ ইশারাত আলী  :

সাতক্ষীরা-৩ আসন, কালিগঞ্জ-আশাশুনি জনপদ এখন পোস্টার ব্যানার আর মাইকিংয়ে সিমাবদ্ধ নেই। তলে তলে চলছে ভোট কেন্দ্রিক জোর সমিকরণের লড়াই। ৬জন প্রার্থী থাকলেও মাঠের লড়াইটা এখন ত্রিমুখী। একদিকে বিএনপির ধানের শীষ, অন্যদিকে জামায়াতের শক্তিশালী সংগঠন। মাঝখানে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রার্থীর গণজোয়ার। কার দখলে যাবে এই আসন? ব্যালট যুদ্ধের সমিকরণ কেমন?

বিশ্লেষকদের মতে সাতক্ষীরা-৩ কালিগঞ্জ-আশাশুনি আসনে ভোটার প্রায় ৫লাখ। তার মধ্যে ৫০-৬০% ভোট কাস্টিং হলে ভোটার সংখ্যা দাড়াবে ২.৫ লাখ থেকে ৩ লাখ। গেম চেঞ্জার সংখ্যা লঘু ১৫-১৮% ভোট যার পক্ষে পড়বে তিনিই হবেন সাতক্ষীরা ৩ আসনের মালিক।

আশাশুনি-কালিগঞ্জ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর এবারের নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে এমপি হওয়ার কথা। দলীয় ভোট ব্যাংক অটুট থাকলেও খোদ নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং দলটি ভোটের লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছে। ধানের শীষের কাজী আলাউদ্দীন এখন নেতাকর্মী সংকটে। অধিকাংশ দলীয় নেতাকর্মীরা ধানের শীষের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ফুটবল প্রার্থী ডাঃ মোঃ শহিদুল আলমের সাথে থাকায় ভোট ব্যাংকে ধস নামতে শুরু করেছে। এমন দাবী ভোটার মোঃ এশার আলীর। তিনি আরও বলেন ২০-৩০% ভোট ফুটবলে পড়লেই ডাঃ শহিদুল আলম এবার এমপি।

সিরাজুল ইসলাম একজন ভোটার। তিনি বলছিলেন লড়াইটা এবার হবে মুলত ভোট কাটাকাটির। স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম কত ভোট কাটছেন আর সংখ্যালঘু ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কার ওপর ভরসা করছেন-সেটাই নির্ভর করবে ভোটের লড়াই। তবে জামায়াতে ইসলামীর ভোট ব্যাংক ছোট হলেও অত্যান্ত সুশৃঙ্খল। যদি ভোটার উপস্থিতি কম হয় এবং ধানের শীষ ও ফুটবলের ভোটের ভাগাভাগী বেশী হয় তবে তাদের সমর্থিত প্রার্থী বড় চমক দেখোতে পারে। বিশেষ করে আশাশুনির সংগঠিত ইউনিয়ন গুলোই তাদের প্রধান শক্তি।

এই মুহুর্তে ধানের শীষের কাজী আলাউদ্দীন ব্যস্ত ভোটার ধরে রাখতে। দাড়ী পাল্লার রবিউল বাশার ব্যস্ত নারী ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে। আর ফুটবলের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম ব্যস্ত নীরব ভোটার যারা দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে ব্যক্তি জনপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দেন। তবে ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে এবং ভোট ভাগাভাগি কমলে বিএনপির ধানের শীষ সুবিধাজনক স্থানে যাবে। ভোটর উপস্থিতি কম হলে এবং বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হলে সুবিধা পেতে পারে জামায়াত। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে, বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হলে, সংখ্যালঘু দল বেঁধে কেন্দ্রে আসলে-ফুটবলের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এমন বিশ্লেষন মতিউর রহমানের।

নতুন ভোটার নয়নের বক্তব্য সকাল ৮টায় ভোটার উপস্থিতি দেখেই বলা যাবে কার সাথে কিসের লড়াই। বিএনপি নেতারা অধিকাংশ বহিস্কার হয়ে এখন তারা ফুটবলে। একারনে মুল লড়াইটা হবে ফুটবল ও দাড়িপাল্লার মধ্যে। তার মধ্যে আশাশুনির ইউনিয়ন গুলোতে ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে জামায়াত এগিয়ে থাকবে। তবে সংখ্যালঘু,আওয়ামীলীগের ভোটার ও বিএনপির একাংশের ভোট এবং ব্যক্তি শহিদুল আলমের ভোট জামায়াতের মাথা ব্যাথার কারন।

আমরা অনেকেই নতুন ভোট কেন্দ্রে যাবো এবার। আমাদের অধিকাংশ ভোট দেবে ফুটবল ও দাড়িপাল্লায় এমন বিশ্লেষণ রায়হানের। কেন তাদের এমন ভাবনা জিঙ্ঘেস করলে তাদের উত্তর-ডাঃ শহিদুল আলম স্বতন্ত্র না হয়ে যদি ধানের শীষের হতো তবে এই আসন অবশ্যই বিএনপির থাকতো। আমার ধারনা ৫লাখ ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ভোটার কেন্দ্রে আসতে পারে। তার মধ্যে ১ লাখ ভোট ধানের শীষের। এর মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ হাজার ভোট ভাগাভাগির মধ্যে পড়েছে। আর ভাগাভাগী হলেই লীড কমে গিয়ে জয় ঝুকিতে পড়বে ধানের শীষ।

প্রধান তিন প্রার্থীর মধ্যে ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায় ভোট কমছে ধানের শীষের। ফুটবলের ব্যক্তি ভোটের সাথে বেড়েছে ধানের শীষের বিদ্রোহী গ্রুপ ও সংখ্যা লঘুদের ভোট। দাড়িপাল্লার ভোট গোচ্ছিত। সব মিলিয়ে মুল ভোটের লড়াই দাড়িপাল্লা ও ফুটবলের-বলছিলেন ফারজানা। এখানে ডাঃ শহিদুল আলমের হারানোর কিছু নেই। ধানের শীষের অধিকাংশ নেতাকর্মী হারিয়েছেন কাজী আলাউদ্দীন। জামায়াতের যা আছে সেটা নিজেদের। এখানে বড় ঝুকি একক প্রার্থীর নয়। ভোট ভাগাভাগি ও উপস্থিতির হিসেব আছে।

সাতক্ষীরা ৩ আসনে বিএনপির দলীয় ঐক্য ভেঙ্গেচুরে চুরমার। বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রভাব ও নীরব শক্তির উদ্ভব ভোটকেন্দ্রে প্রভাবিত করবে বলে মনে করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভোটার। তিনি মনে করেন যেহেতু আওয়ামীলীগ ধানের শীষ বা দাড়িপাল্লায় ভোট মারবে না। সেকারনে সংখ্যা লঘুরা ফুটবলে ভোট মারতে আপত্তি করবেনা।

অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে সাতক্ষীরা-৩ আসনের ভোটের হিসেব এখন খানিকটা দৃশ্যমান। সকাল ৮-১০টার মধ্যে ভোট কেন্দ্রে কম ভোটার আসলে জামায়াত প্রার্থী রবিউল বাশার এগিয়ে থাকবেন। গেমচেঞ্জার নারী ও সংখ্যালঘু ভোটার ভোট কেন্দ্রে আসলে স্বতন্ত্র প্রাথী ডাঃ শহিদুল আলম এগিয়ে যাবেন। ভোট ভাগাভাগি না হলে ধানের শীষের প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন প্রতিদ্বন্ধিতায় থাকবেন। তবে টানটান উত্তেজনায় ত্রিমুখী লড়াইয়ে জামায়াতের প্রতিপক্ষ আপাতত ফুটবল। ধানের শীষ যদি অলৌকিক কিছু করে দেখায় তবে তা বোঝা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারী ব্যালট বক্সে। ভোটাররা তাই মনে করেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় : সময় সূর্যাস্ত : সময়

সাতক্ষীরা-৩ আসন কালিগঞ্জ-আশাশুনি, গেম চেঞ্জার নারী ভোটার

আপডেট সময় : ০২:০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোঃ ইশারাত আলী  :

সাতক্ষীরা-৩ আসন, কালিগঞ্জ-আশাশুনি জনপদ এখন পোস্টার ব্যানার আর মাইকিংয়ে সিমাবদ্ধ নেই। তলে তলে চলছে ভোট কেন্দ্রিক জোর সমিকরণের লড়াই। ৬জন প্রার্থী থাকলেও মাঠের লড়াইটা এখন ত্রিমুখী। একদিকে বিএনপির ধানের শীষ, অন্যদিকে জামায়াতের শক্তিশালী সংগঠন। মাঝখানে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রার্থীর গণজোয়ার। কার দখলে যাবে এই আসন? ব্যালট যুদ্ধের সমিকরণ কেমন?

বিশ্লেষকদের মতে সাতক্ষীরা-৩ কালিগঞ্জ-আশাশুনি আসনে ভোটার প্রায় ৫লাখ। তার মধ্যে ৫০-৬০% ভোট কাস্টিং হলে ভোটার সংখ্যা দাড়াবে ২.৫ লাখ থেকে ৩ লাখ। গেম চেঞ্জার সংখ্যা লঘু ১৫-১৮% ভোট যার পক্ষে পড়বে তিনিই হবেন সাতক্ষীরা ৩ আসনের মালিক।

আশাশুনি-কালিগঞ্জ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর এবারের নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে এমপি হওয়ার কথা। দলীয় ভোট ব্যাংক অটুট থাকলেও খোদ নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং দলটি ভোটের লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছে। ধানের শীষের কাজী আলাউদ্দীন এখন নেতাকর্মী সংকটে। অধিকাংশ দলীয় নেতাকর্মীরা ধানের শীষের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ফুটবল প্রার্থী ডাঃ মোঃ শহিদুল আলমের সাথে থাকায় ভোট ব্যাংকে ধস নামতে শুরু করেছে। এমন দাবী ভোটার মোঃ এশার আলীর। তিনি আরও বলেন ২০-৩০% ভোট ফুটবলে পড়লেই ডাঃ শহিদুল আলম এবার এমপি।

সিরাজুল ইসলাম একজন ভোটার। তিনি বলছিলেন লড়াইটা এবার হবে মুলত ভোট কাটাকাটির। স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম কত ভোট কাটছেন আর সংখ্যালঘু ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কার ওপর ভরসা করছেন-সেটাই নির্ভর করবে ভোটের লড়াই। তবে জামায়াতে ইসলামীর ভোট ব্যাংক ছোট হলেও অত্যান্ত সুশৃঙ্খল। যদি ভোটার উপস্থিতি কম হয় এবং ধানের শীষ ও ফুটবলের ভোটের ভাগাভাগী বেশী হয় তবে তাদের সমর্থিত প্রার্থী বড় চমক দেখোতে পারে। বিশেষ করে আশাশুনির সংগঠিত ইউনিয়ন গুলোই তাদের প্রধান শক্তি।

এই মুহুর্তে ধানের শীষের কাজী আলাউদ্দীন ব্যস্ত ভোটার ধরে রাখতে। দাড়ী পাল্লার রবিউল বাশার ব্যস্ত নারী ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে। আর ফুটবলের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম ব্যস্ত নীরব ভোটার যারা দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে ব্যক্তি জনপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দেন। তবে ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে এবং ভোট ভাগাভাগি কমলে বিএনপির ধানের শীষ সুবিধাজনক স্থানে যাবে। ভোটর উপস্থিতি কম হলে এবং বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হলে সুবিধা পেতে পারে জামায়াত। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে, বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হলে, সংখ্যালঘু দল বেঁধে কেন্দ্রে আসলে-ফুটবলের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এমন বিশ্লেষন মতিউর রহমানের।

নতুন ভোটার নয়নের বক্তব্য সকাল ৮টায় ভোটার উপস্থিতি দেখেই বলা যাবে কার সাথে কিসের লড়াই। বিএনপি নেতারা অধিকাংশ বহিস্কার হয়ে এখন তারা ফুটবলে। একারনে মুল লড়াইটা হবে ফুটবল ও দাড়িপাল্লার মধ্যে। তার মধ্যে আশাশুনির ইউনিয়ন গুলোতে ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে জামায়াত এগিয়ে থাকবে। তবে সংখ্যালঘু,আওয়ামীলীগের ভোটার ও বিএনপির একাংশের ভোট এবং ব্যক্তি শহিদুল আলমের ভোট জামায়াতের মাথা ব্যাথার কারন।

আমরা অনেকেই নতুন ভোট কেন্দ্রে যাবো এবার। আমাদের অধিকাংশ ভোট দেবে ফুটবল ও দাড়িপাল্লায় এমন বিশ্লেষণ রায়হানের। কেন তাদের এমন ভাবনা জিঙ্ঘেস করলে তাদের উত্তর-ডাঃ শহিদুল আলম স্বতন্ত্র না হয়ে যদি ধানের শীষের হতো তবে এই আসন অবশ্যই বিএনপির থাকতো। আমার ধারনা ৫লাখ ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ভোটার কেন্দ্রে আসতে পারে। তার মধ্যে ১ লাখ ভোট ধানের শীষের। এর মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ হাজার ভোট ভাগাভাগির মধ্যে পড়েছে। আর ভাগাভাগী হলেই লীড কমে গিয়ে জয় ঝুকিতে পড়বে ধানের শীষ।

প্রধান তিন প্রার্থীর মধ্যে ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায় ভোট কমছে ধানের শীষের। ফুটবলের ব্যক্তি ভোটের সাথে বেড়েছে ধানের শীষের বিদ্রোহী গ্রুপ ও সংখ্যা লঘুদের ভোট। দাড়িপাল্লার ভোট গোচ্ছিত। সব মিলিয়ে মুল ভোটের লড়াই দাড়িপাল্লা ও ফুটবলের-বলছিলেন ফারজানা। এখানে ডাঃ শহিদুল আলমের হারানোর কিছু নেই। ধানের শীষের অধিকাংশ নেতাকর্মী হারিয়েছেন কাজী আলাউদ্দীন। জামায়াতের যা আছে সেটা নিজেদের। এখানে বড় ঝুকি একক প্রার্থীর নয়। ভোট ভাগাভাগি ও উপস্থিতির হিসেব আছে।

সাতক্ষীরা ৩ আসনে বিএনপির দলীয় ঐক্য ভেঙ্গেচুরে চুরমার। বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রভাব ও নীরব শক্তির উদ্ভব ভোটকেন্দ্রে প্রভাবিত করবে বলে মনে করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভোটার। তিনি মনে করেন যেহেতু আওয়ামীলীগ ধানের শীষ বা দাড়িপাল্লায় ভোট মারবে না। সেকারনে সংখ্যা লঘুরা ফুটবলে ভোট মারতে আপত্তি করবেনা।

অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে সাতক্ষীরা-৩ আসনের ভোটের হিসেব এখন খানিকটা দৃশ্যমান। সকাল ৮-১০টার মধ্যে ভোট কেন্দ্রে কম ভোটার আসলে জামায়াত প্রার্থী রবিউল বাশার এগিয়ে থাকবেন। গেমচেঞ্জার নারী ও সংখ্যালঘু ভোটার ভোট কেন্দ্রে আসলে স্বতন্ত্র প্রাথী ডাঃ শহিদুল আলম এগিয়ে যাবেন। ভোট ভাগাভাগি না হলে ধানের শীষের প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন প্রতিদ্বন্ধিতায় থাকবেন। তবে টানটান উত্তেজনায় ত্রিমুখী লড়াইয়ে জামায়াতের প্রতিপক্ষ আপাতত ফুটবল। ধানের শীষ যদি অলৌকিক কিছু করে দেখায় তবে তা বোঝা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারী ব্যালট বক্সে। ভোটাররা তাই মনে করেন।