শুক্রবার, ০১ Jul ২০২২, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

করোনা ভাইরাস
***   সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গসমূহ   ***   জ্বর   ***   শুকনো কাশি   ***   ক্লান্তিভাব   ***   কম সাধারণ   ***   উপসর্গসমূহ   ***   ব্যথা ও যন্ত্রণা   ***   গলা ব্যথা   ***   ডায়রিয়া   ***   কনজাংটিভাইটিস   ***   মাথা ব্যথা   ***   স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া   ***   ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা আঙুল বা পায়ের পাতা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত সাতক্ষীরা জেলা বাসদের বর্ধিত ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে আইন শৃংখলা, চোরাচালানসহ সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কলারোয়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কালিগঞ্জে গাজী শওকাত নৌকা পাওয়ায় সহস্রাধীক মটর সাইকেলে আনন্দ র‍্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ১৮ বছরেও এমপিও হয়নি সরদার আবু হোসেন কলেজ: ২০ শিক্ষক কর্মচারী মানবেতার জীবন যাপন কালিগঞ্জে করোনা রোগীর সেবায় “ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিস এর উদ্বোধন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী কালিগঞ্জের পানিবন্দী পরিবারের মাঝে প্রেরণা’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ দুর্যোগ মোকাবেলায় আইওএম সাতক্ষীরার স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমানের ইন্তিকাল
প্রোগ্রামিং শিক্ষা প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু হবে: মোস্তাফা জব্বার

প্রোগ্রামিং শিক্ষা প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু হবে: মোস্তাফা জব্বার

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিক্ষা প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু হবে। এটি শুধু প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য নয়; এটি শিশুর জীবনে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলায় কাজে লাগবে। আগামী দিনের প্রযুক্তির বিস্ময়কর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উপযোগী করে গড়ে তুলতে হলে শিশুদের যুক্তিসংগত চিন্তাভাবনা করার সুযোগ দিতে হবে, সৃজনশীলতা তাদের মধ্যে তৈরি করতে হবে এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জনে তাদের প্রস্তুত করতে হবে।

গতকাল বুধবার ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ইয়াংবাংলার যৌথ উদ্যোগে ‘জাতীয় শিশু–কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০১৯’–এর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বারডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিক্ষা প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু হবে। এটি শুধু প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য নয়; এটি শিশুর জীবনে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলায় কাজে লাগবে। আগামী দিনের প্রযুক্তির বিস্ময়কর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উপযোগী করে গড়ে তুলতে হলে শিশুদের যুক্তিসংগত চিন্তাভাবনা করার সুযোগ দিতে হবে, সৃজনশীলতা তাদের মধ্যে তৈরি করতে হবে এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জনে তাদের প্রস্তুত করতে হবে।

গতকাল বুধবার ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ইয়াংবাংলার যৌথ উদ্যোগে ‘জাতীয় শিশু–কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০১৯’–এর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘প্রোগ্রামিং শেখাটা প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় পর্যায়ে শিশু–কিশোরদের প্রোগ্রামিং টুর্নামেন্ট আমরা বাধ্যতামূলক করতে চাই। প্রোগ্রামিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করছি। শিশুদের বর্ণমালা চেনানো যেমন জরুরি, ঠিক তেমনি তাকে প্রোগ্রাম শেখানো জরুরি।’

মন্ত্রী প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি তাঁদের প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান শিশুদের কল্যাণে কাজে লাগাতে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে গত ১০ বছরে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়ায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের বিস্ময়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 www.satkhiranews24.com
Hosted By LOCAL IT