সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

করোনা ভাইরাস
***   সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গসমূহ   ***   জ্বর   ***   শুকনো কাশি   ***   ক্লান্তিভাব   ***   কম সাধারণ   ***   উপসর্গসমূহ   ***   ব্যথা ও যন্ত্রণা   ***   গলা ব্যথা   ***   ডায়রিয়া   ***   কনজাংটিভাইটিস   ***   মাথা ব্যথা   ***   স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া   ***   ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা আঙুল বা পায়ের পাতা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত সাতক্ষীরা জেলা বাসদের বর্ধিত ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে আইন শৃংখলা, চোরাচালানসহ সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কলারোয়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কালিগঞ্জে গাজী শওকাত নৌকা পাওয়ায় সহস্রাধীক মটর সাইকেলে আনন্দ র‍্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ১৮ বছরেও এমপিও হয়নি সরদার আবু হোসেন কলেজ: ২০ শিক্ষক কর্মচারী মানবেতার জীবন যাপন কালিগঞ্জে করোনা রোগীর সেবায় “ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিস এর উদ্বোধন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী কালিগঞ্জের পানিবন্দী পরিবারের মাঝে প্রেরণা’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ দুর্যোগ মোকাবেলায় আইওএম সাতক্ষীরার স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমানের ইন্তিকাল
পাইকগাছায় প্রতিপক্ষরা ঘেরা দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে গৃহবধূর বসতবাড়ীর যাতায়াতের পথ; অবরুদ্ধ অসহায় রহিমা ও তার পরিবার

পাইকগাছায় প্রতিপক্ষরা ঘেরা দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে গৃহবধূর বসতবাড়ীর যাতায়াতের পথ; অবরুদ্ধ অসহায় রহিমা ও তার পরিবার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :
পাইকগাছায় জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী প্রতিপক্ষরা রহিমা বেগম নামে এক গৃহবধূর বসতবাড়ীর যাতায়াতের পথ ঘেরাবেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত ঘেরা অপসারণ করতে পারেনি। ফলে গত ৩ দিন বসতবাড়ীর মধ্যেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে গৃহবধূ ও তার পরিবার। অমানবিক এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, রামনাথপুর গ্রামের গফুর গাজীর স্ত্রী রহিমা বেগম ২২ শতক জমির উপর বসতবাড়ী নির্মাণ করে ১৯৮৪ সাল থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। ২০১১ সালের দিকে প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শেখ আব্দুর রহমান, আব্দুর রহিম, বাবলু, ইব্রাহিম, ইদ্রিস ও ইউনুছরা কয়েক ভাই মিলে রহিমা বেগমদের যাতায়াতের পথে কাটাতার দিয়ে ঘিরে দেয়। এ ঘটনায় রহিমার মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ১৭/১০/২০১২ ইং তারিখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ১১৫/১২ নং মিসকেস করে। পরে বিষয়টি উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার উপর অর্পন করা হয়। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দু’পক্ষকে নিয়ে শালিসী বৈঠক ও আপোস মিমাংসার মাধ্যমে রাবেয়া বেগমদের যাতায়াতের পথ বহাল রেখে ২/২/২০১৩ ইং তারিখে বিষয়টি নিরসন করেন। গত কয়েক বছর রহিমা বেগম ও তার পরিবার শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস ও যাতায়াত করে আসছিল। পথিমধ্যে গত ২৪ মে শুক্রবার প্রতিপক্ষ রহমান গংরা রহিমাদের বসতবাড়ীর সামনে ঘেরাবেড়া দিয়ে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করারপর এসআই অখিল রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রহমান গংদের ঘেরা অপসারণ করে নেওয়ার নির্দেশ দিলেও পুলিশের কোন নির্দেশনা মানছেন না তারা। ফলে গত ৩ দিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসতবাড়ীর মধ্যেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে রহিমার পরিবার। এ ব্যাপারে রহিমা বেগম জানান, গত ৩৫ বছর নালিশী পথ দিয়ে যাতায়াত করছি। মূলত আমার বসতবাড়ীর সামনে দিয়ে দুটি পথ রয়েছে। ৮ ফুট আয়তনের যে পথটি রয়েছে সেটি প্রতিপক্ষ রহমান গংদের এবং এপথটি তারাই ব্যবহার করে থাকে। তাদের এই পথ ও আমার বসতবাড়ীর সামনে দিয়ে ৪ ফুট আয়তনের সরু একটি পথ রয়েছে। যেটি আমাদের এবং আমরাই যাতায়াত করে থাকি। প্রতিপক্ষরা পেশি শক্তি বলে গত শুক্রবার আমার বসতবাড়ীর সামনে ঘেরা দিয়ে আমাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। আমার ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া থেকে শুরু করে বাইরের সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা অনেকটাই গৃহবন্দিরমত জীবন যাপন করছি। প্রতিবেশী মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ স্বপন মন্ডল জানান, আমি নিজে থেকেই রহিমাদের বসবাসের জন্য ২২ শতক জমি কিনে দিয়েছিলাম। যার ফলে যাতায়াতের পথ নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হলে আমরাই ৪ ফুট মত জায়গা তাদের যাতায়াতের জন্য ছেড়ে দেই। ঘেরা দিয়ে উক্ত যাতায়াতের পথটি বন্ধ করে দিয়ে রহমান গংরা অমানবিক কাজ করেছে। আমরা প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীরা চাই থানা পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে যত দ্রুত সম্ভব অবরুদ্ধ থেকে রহিমা বেগম ও তার পরিবার মুক্ত হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 www.satkhiranews24.com
Hosted By LOCAL IT