প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১৩, ২০২৬, ৬:১৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১২, ২০২৬, ১০:৩১ পি.এম
লেবাননে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা নাহিদুলের বাড়িতে ইউএনও
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) :
আশাশুনির রেমিট্যান্স যোদ্ধা লেবাননে নিহত নাহিদুল ইসলামের বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু উপস্থিত হয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শান্তনা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১ টার দিকে তিনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে নাহিদুলদের বাড়িতে তিনি গমন করেন।
কাদাকাটি গ্রামের গরীব পরিবার আঃ কাদের সরদারের ছেলে নাহিদুল ইসলাম আড়াই মাস পূর্বে তাদের সম্বল জমি বিক্রয় করে লেবাননে যান। এসময়ে মাত্র একবার অর্জিত কিছু টাকা পিতার হাতে পৌছানোর সৌভাগ্য হয়েছিল তার। পরিবারের স্বপ্ন নাহিদুল গত ১১ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেন্দীন এলাকায় আবাসস্থলে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। এসময় তার সাথীবন্ধু সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে শফিকুলও ইন্তেকাল করেন। তাদের মরদেহ এখনো দেশে পৌছেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে তাদের বাড়িতে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন। শান্তনা প্রদান করেন এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে শান্তনা প্রদান করেন।
নাহিদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, “আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে নাহিদ ছিল সবার বড়। সংসারের অভাব দূর করতে বিদেশ যেতে চাইত। অনেক বাধা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে তাকে লেবাননে পাঠালাম। কিন্তু কে জানত, আমার ছেলে আর জীবিত ফিরে আসবে না।”
নাহিদের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার গ্রামের বাড়িতে যান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “নাহিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে যতটুকু সম্ভব, সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে
Copyright © 2026 satkhiranews24.com. All rights reserved.