23 September 2017 , Saturday
Bangla Font Download
সর্বশেষ খবর »

You Are Here: Home » অন্যান্য খবর, অর্থ ও বাণিজ্য » দেশীয় ইলিশ বেচাকেনায় পারুলিয়া মৎস্যসেড জমজমাট

Debhata Hilsha PicX
এম এ মামুন:দেবহাটার পারুলিয়া মৎস্য সেডে জমে উঠেছে পাইকারী ও খুচরা ভিত্তিতে দেশীয় ইলিশের বিকিকিনি। এতে করে পূরন হচ্ছে সাধারন ভোক্তাদের চাহিদা। কিন্তু আরোও ভালভাবে সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে নিয়ে আসতে ইলিশের আমদানী ও মজুদ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাবসায়ী সহ মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পারুলিয়া মৎস্য সেডের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও সাধারন ভোক্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,প্রতিদিনই এখানে স্বাভাবিকভাবে বিক্রি হচ্ছে এক থেকে দেঁড় হাজার কেজি দেশীয় ইলিশ। মাঝারি থেকে বড় সাইজের দেশী ইলিশ সাড়ে ৭ থেকে ৮’শ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হওয়ায় সাধারনত ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বিবেচনায় এনেই কিনছেন সাধারন ভোক্তা সাধারন। কিন্তু সাধারন মানুষের চাহিদার তুলনায় এখানে এখনও ইলিশের পরিমান কম উল্লেখ করে আমদানী ও মজুদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। দেবহাটা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা লিপ্টন সরদার বলেন,দেশে পর্যাপ্ত পরিমান ইলিশ উৎপাদন হলেও উদ্যোক্তা,পরিবহন ও অন্যান্য কিছু সমস্যার কারনে তা সবসময় সবখানে সরবরাহ বা সাধারন মানুষের কাছে পৌছানো সম্ভব হয়ে উঠছেনা। তবে পারুলিয়া মৎস্য সেডের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে এখন সুষ্ঠভাবে খোলা বাজারে খুচরা ও পাইকারীভাবে দেশীয় ইলিশ কিনতে পারছে সাধারন ভোক্তারা। তবে চাহিদার তুলনায় এখনও এই বাজারে ইলিশের পরিমান কম থাকায় শীঘ্রই ইলিশের আমদানী ও মজুদ বৃদ্ধি করতে হবে বলেও জানান তিনি। তাছাড়া খোলা বাজারে ইলিশ বিক্রি এবং বিজিবিসহ অন্যান্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা কঠোর অবস্থানে থাকায় ইলিশের পাচার প্রতিরোধ হচ্ছে। তাই এধরনের আরো উদ্দ্যেক্তা সৃষ্টি করাও প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও সার্বিক সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

Editor : ISHARAT ALI, 01712651840, 01835017232 E-mail : satkhiranews24@yahoo.com, rangtuli80@yahoo.com


Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD