17 January 2018 , Wednesday
Bangla Font Download
সর্বশেষ খবর »

You Are Here: Home » শিক্ষাঙ্গন » শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তুঘলকি কান্ড টেস্ট পরীক্ষায় স্থায়ী বহিস্কার হওয়ার পরও ফরম ফিলআপের সুযোগ।

সাতক্ষীরা নিউজ ২৪ ডট কম ঃ শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তুঘলকি কান্ড ঘটেছে। টেস্ট পরীক্ষায় নকল রাখার অপরাধে স্কুল থেকে স্থায়ী বহিস্কারের পরও উৎকোচের মাধ্যমে পরীক্ষার সুযোগ করে দেওয়া  হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানা জানির পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায় গত ১৩ অক্টোবর ২০১২ সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে টেস্ট পরীক্ষার বিষয় ছিল অংক। এদিন পরীক্ষার্থী তুফান সরাসরি গাইড বইর পাতা কেটে নকল করে পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা কেন্দ্রের ডিউটি শিক্ষক পরিমল কুমার কর্মকার নকলকারী পরীক্ষাথী তুফানকে হাতে নাতে ধরে ফেলে। পরীক্ষার খাতার সাথে গাইড বইর নকলের অংশ পিনআপ করে নোঠিশের মাধ্যমে তুফানকে স্থায়ী ভাবে বহিস্কারের ঘোষনা  প্রত্যেক পরীক্ষা কক্ষে জানিয়ে দেওয়া হয়। অতপর উৎকোচের মাধ্যমে স্থায়ী ভাবে বহিস্কৃত তুফানকে পরীক্ষার সুযোগ করে দিয়ে শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নকলের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিল।
এ ব্যাপারে শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তুফানকে নকলের কারনে বহিস্কার করা হয়েছে সঠিক তবে ম্যানেজিং কমিটি তাকে এস এস সি পরীক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। কথিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারনে টেস্ট পরীক্ষার্থী ১২৪ জনের মধ্যে ১২০ জনকে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য ২০১০ সালের মডেল টেস্ট পরীক্ষার অংক প্রশ্ন দিয়ে ২০১২ সালের অংক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
টেস্ট পরীক্ষায় স্থায়ী বহিস্কারের পর ফরম ফিলআপ বৈধ কিনা জানতে চাইলে কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান বলেন স্থায়ী বহিস্কারের পর ফরম ফিল আপের সুযোগ নেই। জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন বলেন পরীক্ষার্থীকে বহিস্কারের পর ফরম ফিলআপ করাটা বড় ধরনের প্রশাসনিক দুর্বলতা।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর এর বোর্ড কন্টোলার আবু দাউদ বলেন টেস্ট পরীক্ষায় বহিস্কার হলে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ নাই বা ফরম ফিলআপের সুযোগ নাই।
বর্তমানে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নকল মুক্ত দেশ গড়ার জন্য কাজ করছেন। সেক্ষেত্রে শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমার দে ও ম্যানেজিং কমিটি নকলের পক্ষে অবস্থান নিলেন। যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষানীতির অন্তরায় ছাড়া আর কিছু নয়। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এলাকা বাসী জোর দাবী জানিয়েছে।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

Editor : ISHARAT ALI, 01712651840, 01835017232 E-mail : satkhiranews24@yahoo.com, rangtuli80@yahoo.com


Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD