23 September 2017 , Saturday
Bangla Font Download
সর্বশেষ খবর »

You Are Here: Home » বিনোদন, সর্বশেষ সংবাদ, স্পোর্টস কর্ণার » জাপান-যুক্তরাষ্ট্র ফাইনালে

অলিম্পিকের গত পাঁচটি আসরের ফাইনালে খেলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ২০০০ সালে এথেন্স অলিম্পিকে স্বর্ণ জয় ছাড়া বাকি তিনটি আসরেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে মার্কিন দলটি। লন্ডন অলিম্পিকের চলতি আসরেরও ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ৪-৩ গোলে জয় পেয়েছে কানাডার বিপক্ষে। কানাডার ক্রিস্টিন সিনক্লেয়ার হ্যাটট্রিক করেছিলেন। কিন্তু রক্ষণভাগের ভুলের কারণেই হারতে হয়েছে ম্যাচটি। সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে কানাডার বিপক্ষে পাওয়া মার্কিনিদের জয়টা সহজ ছিল না। ম্যাচের মূল সময়টা ছিল (৩-৩ গোলে) অমীমাংসিত। অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমে আলেক্স মরগানের নাটকীয় গোলে ফাইনাল নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্র। স্বর্ণ নিষ্পত্তির ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জাপান। প্রথমবারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নেয়া জাপান সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-১ গোলে কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে। আগামীকাল ফাইনালের মহামঞ্চে মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান মহিলা দল।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ওই ম্যাচে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে জয় পেতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। বলা যায় ভাগ্যগুণেই জয় পেয়েছে পাঁচবারের ফাইনালিস্টরা। কারণ, ম্যাচে তিনবার এগিয়ে থেকেও হারতে হয়েছে কানাডাকে। দলের স্ট্রাইকার ক্রিস্টিন সিনক্লেয়ারের হ্যাটট্রিকের পরও এমন হার মানতে অনেকটা কষ্টই হচ্ছে কানাডিয়ানদের। রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগেই কানাডার কাছ থেকে ম্যাচটা ছিনিয়ে নেয় তিনবারের স্বর্ণজয়ীরা। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচের ২৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় দ্বিতীয়বারের মতো অলিম্পিকে খেলতে আসা কানাডা। ফরোয়ার্ড সিনক্লেয়ার করেন গোলটি (১-০)। ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতার কারণেই পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে তারা। প্রথমার্ধে মোট চারটি সুযোগ তৈরি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই প্রতিপক্ষের ওপর বেশ চাপ প্রয়োগ করে খেলতে শুরু করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ফল পেতেও খুব বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়নি তাদের। দ্বিতীয়ার্ধে বল মাঠে গড়ানোর মাত্র ৯ মিনিটের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে সমতায় ফেরার উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন মেগান রেপিনো (১-১)। ৬৭ মিনিটে কানাডাকে আবারও এগিয়ে নেন সিনক্লেয়ার (২-১)। তিন মিনিটের ব্যবধানে আবারও গোল পরিশোধ করেন মেগান (২-২)। ম্যাচ জমে ওঠে সিনক্লেয়ারের হ্যাটট্রিক পূরণের গোলে। ৭৩ মিনিটেই দলকে তৃতীয়বারের মতো এগিয়ে নেয় এ ফরোয়ার্ড (৩-২)। কিন্তু কপালটা মন্দই বলা যায় কানাডার। এবারও লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগায় মার্কিন ফরোয়ার্ড অ্যাবি ওয়ামবাচ। ম্যাচের ৮০ মিনিটে সতীর্থর কাছ থেকে পাওয়া বলটি নিয়ে এক মুহূর্ত দেরি করেননি। সরাসরি শটে বল কানাডার জালে পাঠিয়ে সমতা নিয়ে আসেন ম্যাচে (৩-৩)। শেষ ১০ মিনিট আর কোনো গোলই হয়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ও শেষ হওয়ার পথে। ইনজুরি টাইমের খেলা চলছিল তখন। ঠিক ওই মুহূর্তে (১২৩ মিনিট) কানাডাকে হতাশায় ডুবিয়ে আলেক্স মরগান গোলটি করে নাটকীয় জয় এনে দেন মার্কিনিদের (৪-৩)।

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

Editor : ISHARAT ALI, 01712651840, 01835017232 E-mail : satkhiranews24@yahoo.com, rangtuli80@yahoo.com


Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD