23 September 2017 , Saturday
Bangla Font Download
সর্বশেষ খবর »

You Are Here: Home » কলাম » রহিঙ্গাদের স্বাধীনতা ! শেখ হাসিনা পারবেন কি একজন ইন্দিরা গান্ধির ভুমিকায় নামতে।


১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্থানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেত্রীত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও নানা কুটকৌশলে শেখ মুজিবকে সরকার গঠন করতে দেয়নি।

বরঞ্চ উল্টো ১৯৭১ সালের ২৫শে র্মাচ রাতের অন্ধকারে পাকিস্থান হানাদর বাহেনী নিরস্ত্র বাঙ্গালীদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। এসময় পাকিস্থান সামরিক বাহেনী নির্যাতন, নিপিড়ন সহ ধবংসযোজ্ঞ শুরু করে। সাথে সাথে হত্যা করে লাখ লাখ নিরাপরাধ বাঙ্গালীকে।

তারই প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ডাক দেয়। এসময় সর্বোস্থরের জনসাধারণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে।

যুদ্ধকালীন নির্যাতন, নিপিড়ন, হত্যাকান্ড আর ধ্বংসযোজ্ঞ থেকে বাঁচতে লাখ লাখ মানুষ ভারতে আশ্রয় নেয়। সেদিন ভারতের তৎকালিন প্রধানমন্ত্রি ইন্দিরা গান্ধি প্রায় ১ কোটি শরনার্থিদের আশ্রয় দেন। পাশে দাঁড়ান মায়ের মমতায়। আমাদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা সেবা সহ সকল সেবা প্রদান করেন। আশ্বাস দেন সকল সহযোগিতার। তারই ফলশ্রুতিতে নিরস্ত্র বাঙ্গালিরা গেরিলা প্রশিক্ষন নিয়ে পাক হানাদার বাহেনির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।

সালের ১৩ এপ্রিল প্রকাশ্যে ইন্দিরা গান্ধি বলেন “পূর্ব বাংলায় যা ঘটেছে, তাতে ভারত সরকার নিরব থাকবেনা”। এ সময় তিনি সেনাবাহেনিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করার দায়িত্ব দেন।

সাথে সাথে পাকিস্থানিদের বাংলাদেশে হত্যাকান্ডের চিত্র তুলে ধরতে বিশ্ব ব্যাপি সফর শুরু করেন।
যার ফলে অতিদ্রুত স্বাধিনতা যুদ্ধের দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে থাকে। এসময় বেলগ্রেডের রাজধানি বুদাপেস্টে বিশ্বশান্তির কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ভারতিয় প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের স্বাধিনতা যুদ্ধের সকল সহযোগিতার প্রদিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
সেসময় ইন্দিরা গান্ধি ছাফ ছাফ বলেন “পূর্ববঙ্গের ঘটনায় ভারতের পক্ষে উদাসিন থাকা কঠিন এবং ইতোমধ্যে ২০ লাখ শারনার্থি আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছে। এসব উদ্বাস্তু যাতে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরতে পারে সেজন্য পাকিস্থানকে বাধ্য করাই আমাদের কাজ।

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ইন্দিরা গান্ধি কলকাতায় এক জনসভায় ভাষণ দান কালে পাকিস্থানি বাহিনি ভারতের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতে আক্রমন করে। তিনি সেদিন তাঁর মন্ত্রিসভার ভাষণে বলেন- ”আমি এ মুহুর্তে আমাদের দেশের এবং জনগণের গুরুতর বিপদের স্বার্থে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েক ঘন্টা আগে পাকিস্থান আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। পাকিস্থান বাহিনি হঠাৎ করে আমাদের এয়ার ফিল্ড, অমৃতসার, পাঠান কোর্ট, শ্রীনগর, অবন্তীপুর, উত্তরলেট এবং আগ্রায় আঘাত হেনেছে।

তিনি আরো ঘোষনা দেন যে, এতদিন ধরে বাংলাদেশে যে যুদ্ধ চলে আসছিল,তা ভারতের বিরুদ্ধে পরিণত হয়েছে।” এর পরপরই ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনি মিলিত ভাবে পাকিস্থানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে এবং একে একে পাকবাহিনি বিভিন্ন রনাঙ্গণে পরাজিত হতে থাকে।

মুক্তিযুদ্ধকে সফল করার জন্য ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ইন্দিরা গান্ধি সরকার বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বিকৃতি দান করে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ি যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর’৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি।

বাংলাদেশের
স্বাধিনতা যুদ্ধে অনেক ভারিতয় সৈন্যও শহীদ হয়েছেন। বাংলাদেশের লাখ লাখ শরণার্থিকে সেবাযতœ করায় ইন্দিরা গান্ধির এ কাজকে যীষু খ্রিষ্ট্রের কাজের সাথে তুলনা করেছেন মাদার তেরেসা। তিনি আরও বলেন “যে সব ভারতিয় সেনাবাহিনির সদস্য বাংলাদেশের স্বাধিনতা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন “তারা সবাই ঈশ্বরের সন্তান”। এর চেয়ে বড় পাওনা আর কি হতে পারে।

রহিঙ্গা
ইস্যুতে আগের বিষয়ে অবতারনার কারন একমাত্র শিরোনাম। মিয়ানমারের রহিঙ্গাদের ইতিহাস অনেক পুরানো। ৬শত বছর আগে বানিজ্যিক কারনে তারা আরাকান রাজ্যে বসবাস শুরু করে। তৎকালিন রাষ্ট্র ব্যবস্থার অধিনেই তাদের জীবন যাবন।

বিশ্বব্যাপি ক্ষমতার লড়াইয়ে পরিবর্তনশিল সমাজ ব্যবস্থার নগ্ন রাজনিতির কালো থাবার খপ্পরে পড়ে রহিঙ্গারা দিশেহারা। ক্ষমতার পালাবদলে ঠিক স্বাধিনতা পূর্ব বাংলাদেশের মতো রহিঙ্গারাও মিয়ানমার সামরিক বাহিনি কতৃক নির্যাতন, নিপিড়ন হত্যা সহ ধ্বংসযোজ্ঞের স্বিকার। বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বর্তমান দৃশ্য সবার জানা। সর্বকালের সেরা বর্বরতার স্বিকার রহিঙ্গরা।

ইতিহাস যা বলে, ১৯৩৭ সালে মিয়ানমার স্বায়ত্ব শাসন লাভ করে। এর পরপরই বোদ্ধ মৌলবাদিরা পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে প্রায় ৩০ লাখ মুসলিম হত্যা করে। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধিনতা লাভ করলেও মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের কোন পরিবর্তন ঘটেনি। স্বাধিন দেশের সরকার তাদের নাগরিকত্ব দেয়নি।

বরঞ্চ নাসাকা বাহিনি ও বৌদ্ধদের হামলার শিকার হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ সহ বিশ্বের আনাচে-কানাচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এরা বিশ্বের রাষ্ট্রহিন নাগরিক। ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয় এবং সরকারিভাবে তাদেরকে সেখানে‘বসবাসকারি’ হিসেবে উল্লেখ করে। তাদের ভোটাধিকার নেই। নেই কোন সাংবিধানিক ও সামাজিক অধিকার। নিজ দেশে পরবাসি তারা। তারা মিয়ানমারের অন্য প্রদেশে অনুমতি ছাড়া যেতে পারে না। এক সময় যেখানে রোহিঙ্গারা ছিল সংখ্যাগুরু আজ সেখানে তারা সংখ্যালঘু। রাখাইন বোদ্ধদের সেখানে এনে রহিঙ্গাদের সংখ্যালঘু বানানো হয়েছে।

সর্বোশেষ রহিঙ্গা নিধনের ধাবাহিকতায় গত ৩ জুন থেকে পরিকল্পিত ভাবে ইতিহাসের নৃশংসতম এ গণহত্যা শুরু করে। সন্ত্রাসী রাখাইন বৌদ্ধ মৌলবাদিরা। রোহিঙ্গাদের হাতে বোদ্ধ মহিলা নির্যাতনের অজুহাতে তারা এ গণহত্যার সূচনা করে। শুরতেই কট্টরপন্থি সন্ত্রাসি বোদ্ধরা ১০ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করে। গত রোববার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলিয় রাজ্য রাখাইনের তুয়ানগোকিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মুসলিম রোহিঙ্গারা শুক্রবার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করলে ভয়াবহ দাঙ্গা বেঁধে যায়।

মিয়াানমারের আকিয়াব শহরের রামবি গ্রামের এক রাখাইন শিক্ষিকা কর্তৃক ছাত্র পিটানোকে কেন্দ্র করে অভিভাবক ও শিক্ষকদের গালিগালাজ ও উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে, এতে এক শিক্ষিকা মারা যায়। এরই জের ধরে আকিয়াব শহর থেকে গাড়িযোগে একদল রোহিঙ্গা মুসলিম ইয়াঙ্গুন যাওয়ার পথে ৩ জুন টংবু নামক স্থানে পৌঁছলে রাখাইন যুবকেরা গাড়ির হেলপারসহ ১০ রোহিঙ্গা মুসলিমকে পিটিয়ে হত্যা করে। ড্রাইভার কৌশলে পালিয়ে গিয়ে টংবু ইমিগ্রেশনকে অবহিত করে।

নির্মম এ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে ৫ জুন রহিঙ্গারা ইায়াঙ্গুন শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এ ঘটনায় মুসলিম অধ্যুষিত পুরো আরাকান রাজ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইয়াঙ্গুনে শীর্ষ মুসলিম নেতারা বৈঠক করে। ৮ জুন শুক্রবার জুম্মা নামাজের পর মুসলমানদের জমায়েত করে শান্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। উক্ত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ৮ জুন পুরো আরকানে জুম¥ার নামাযে মুসুল্লীরা সমবেত হতে থাকে। মংডু শহরের মসজিদে জুম্মার নামায চলাকালে মংডুতে বৌদ্ধদের ইউনাইটেড হোটেল থেকে মসজিদে ও মুসল্লীদের উপর পাথর নিক্ষেপ শুরু করে ।

অতঃপর রাখাইন বৌদ্ধরা সম্মিলিতভাবে মুসলিমদের উপর হামলা শুরু করে। এসময় হাজার হাজার মুসলমান হত্যার স্বিকার হয়। মসজিদ-মাদ্রাসা, ঘর-বাডড়ি পোড়ানো শুরু করে। কারফিউ জারি মধ্যে সেনা, পুলিশ ও নাসাকা বাহিনির উপস্থিতিতে রাখাইন বৌদ্ধরা রহিঙ্গাদের গণহত্যা চালায়।এ সময় বোদ্ধ মৌলবাদিরা সংঘর্ষ ও অগ্নিকান্ড শুরু করে।
মায়ানমার সরকার নিয়ন্ত্রিত সে দেশের গনমাধ্যম মুল ঘটনা আড়াল রেখে একপেশে সংবাদ প্রকাশ করে এবং ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে।

সাম্প্রতিক এক হিসাবে জানা যায়, প্রায় তিন লাখ শরণার্থী রোহিঙ্গা বাস করছে বাংলাদেশে। কিন্তু এরা কোনভাবেই বাংলাদেশী নাগরিক নয়, তা আন্তর্জাতিকভাবেও স্বিকৃত। ফলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদের চলে যেতে জোর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমার সিমান্তের কাঁটাতার ডিঙিয়ে তারা নিজ দেশে ফিরতে পারছে না। এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের পরিচয় এসে দাঁড়িছে রাষ্ট্রহিন জাতিতে। তাছাড়া আরাকান অঞ্চলে তাদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকলেও তা রোধ করার জন্য কৌশল প্রনয়ন করেছে সরকার। ২৫ বছরের পূর্বে মুসলমানদের বিয়ে করার অনুমতি নেই। আর অনুমতি দিলেও রোহিঙ্গাদের জন্য বিয়ের আগে নিবন্ধন করার বাধ্য বাধকতা করা হয়েছে। ফলে নিজ দেশেই ফেরারি জীবনযাপন করে তারা।

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারনে মিয়ানমার ৬৭৮,৫০০ বর্গকিলোমিটার (২৬১,৯৭০ বর্গমাইল) এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। মিয়ানমারের পশ্চিমে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগ এবং ভারতের মিজোরাম, উত্তর-পশ্চিমে ভারতের আসাম, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর অবস্থিত। মিয়ানমারের সিমানার উত্তর-পূর্বাংশের ২,১৮৫ কিলোমিটার জুড়ে আছে তিব্বত এবং চিনের ইউনান প্রদেশ। দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে লাওস ও থাইল্যান্ড। দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরের সাথে মিয়ানমারের ১,৯৩০ কিলোমিটার উপকূল রেখা রয়েছে। ২৭১ কেিলামটিার র্দীঘ স্থলসীমানা রয়েছে। আর এ সিমানাকে কন্দ্রে করে বাংলাদশে ও মিয়ানমাররে সর্ম্পক প্রায়ই উত্তপ্ত হয়ে উঠ।

১৯৯১ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া রেজুপাড়া বিজিবি ফাঁড়িতে অর্তকিত হামলা চালিয়ে একজন জোয়ানকে হত্যা করে এবং সিমান্ত রক্ষিবাহিনি ২৫ থেেক ৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট করে নিয়ে যায়। এ বিরোধ আরো তুঙ্গে উঠে যখন মিয়ানমার দুই দেশের প্রায় ৪০ মাইল সংরক্ষিত বর্ডার এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া নির্মান শুরু করে এবং সিমান্তে সৈন্য মোতায়েন বাড়াতে থাকে। একই সঙ্গে বাঁধ নির্মানকে কেন্দ্র করে কিছু উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এই সময় বাংলাদেশ সংযত নিতি অবলম্বন করলে এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে সর্তক করলে বড় ধরনের কোনো বিরোধের সূত্রপাত হয়ি। ২০১৪ সালে পুনরায় দুই দেশের সিমান্তে উত্তজেনা শুরু হয়। মিয়ানমারের সিমান্ত রক্ষি বাহিনি বিজিপি বিনা উস্কানিতে বাংলাদেশে সিমান্তে বিজিবি’র উপর গুলিবর্ষণ করতে শুরু করে। ২৮ ম, ২০১৪ এমনই এক গুলিবর্ষনের ঘটনায় বিজিবি’র নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান নিখোঁজ হন এবং পরে তার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত হয়। অনেক টালবাহনার পরে ৩১ মে নিহত বিজিবি সদস্য নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের লাশ ফেরত দেয়। এভাবে প্রতিবেশি দেশ হিসেবে তারাও বাংলাদেশকে বারবার আক্রমন করেছে।

বর্তমানে
মিয়ানমারের রহিঙ্গা জনগোষ্টি স্বাধীনতা পূর্ব বাংলাদেশের অবস্থানে দাড়িয়ে গেছে। এখন একজন ইন্দিরা গান্ধি দরকার। যিনি মুক্তিযুদ্ধকালিন সময় বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে মায়ের মমতায় আগলে নিয়েছিলেন।
আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা হতে পারেন রহিঙ্গাদের সেই মমতাময়ি মা। তিনি চাইলে অনেক কিছু হয়। এটা হবেনা আমি বিশ্বাস করিনা।

এখন যেসব রহিঙ্গা বাংলাদেশে স্মরনার্থি হিসেবে আছে তাদের মধ্যে অস্থায়ি সরকার গঠন করে স্বাধিন আরাকানের স্বিকৃতি দিয়ে শুভ সুচনা করা যায়। ইন্দিরা গান্ধি সে সময় বিশ্বের সকল প্রভাবশালী রাষ্ট্র ঝটিকা সফর করে বাংলাদেশের দুরাবস্থা তুলে ধরেছিলেন। শেখ হাসিনা তেমনটি করতে পারেন।

সকল বন্ধু প্রতিম দেশ সহযোগিতার সাথে সাথে পর্যায়ক্রমে স্বাধিন বাংলাদেশের স্বিকৃতি দিয়েছিল শুধু মাত্র ইন্দিরা গান্ধির কারনে। তিনি যুদ্ধকালিন সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ফ্রি রেডিও ট্রান্সক্রিপশনও দিয়ে ছিলেন। আরও অনেক কিছু। এক কথায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অনিস্বিকার্য।

এখন আরাকান বাসীর দরকার একজন শেখ মুজিব, একজন ইন্দিরা গান্ধি। শেখ হাসিনা পারবেন কি একজন ইন্দিরা গান্ধির ভুমিকায় নামতে।
লেখক : ইশারাত আলী , (সাংবাদিক)

Use Facebook to Comment on this Post

Leave a Reply

Editor : ISHARAT ALI, 01712651840, 01835017232 E-mail : satkhiranews24@yahoo.com, rangtuli80@yahoo.com


Site Hosted By: WWW.LOCALiT.COM.BD